ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ভয়ে শিকলে বাঁধা হল ট্রেনের চাকা

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১০:৩৫:৩৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১০:৩৫:৩৫

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রবল গতিমুখ বর্তমানে পুরোপুরি পশ্চিমবঙ্গের দীঘা ও সাগরদ্বীপ বরাবর। এই দুই অঞ্চলের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে। আর বাংলাদেশ উপকূল থেকে রয়েছে ২৫০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের অনেক গতি ঘর-বাড়ি উপরে ফেলেছে। গাছপালারসহ বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। আর দীঘা ও সাগরদ্বীপ থেকে রয়েছে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে। এক্ষেত্রে যে কোনো সময় ঝড়টির মুখ উঠে আসবে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে।এমন পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তৎপর রেলও। দুর্ঘটনা রুখতে null
null
nullইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের কামরাগুলির চাকা শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনাটি দেখা গেছে ভারতের বিভিন্ন রেল স্টেশনে। দেশটিতে লকডাউনের জেরে গত ২৫ মার্চ থেকেই পুরোপুরি স্তব্ধ ভারতের স্বাভাবিক রেল পরিষেবা। কিন্তু বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক ট্রেন। এর মধ্যেই বিপুল গতি নিয়ে ওড়িশা ও এ রাজ্যের উপকূলবর্তী সীমানায় হাজির ঘূর্ণিঝড় আম্পান। সেই ঝড়ে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলি যাতে কোনো null
null
nullবিপদ না ঘটায় সে জন্য আগেভাগেই সতর্ক রেল। সে কারণেই দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলির চাকা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের হাওড়া, শিয়ালদহ ডিভিশনের বহু স্টেশনেই দেখা গিয়েছে এমন ছবি। কেনো ট্রেনের চাকা শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে? রেল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা, দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলি ঝড়ের দাপটে কোনো কারণে নিজের অবস্থান থেকে সরে গেলে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা হিসাবে ট্রেনের চাকাগুলি বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে শুধু null
null
nullঝড়ের ক্ষেত্রেই নয়, ট্রেন কোনো কারণে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হলে তার চাকা এ ভাবেই বেঁধে রাখা হয় বলেই জানিয়েছেন রেলের কর্মকর্তারা। লকডাউনের মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে ‘শ্রমিক স্পেশাল’ চালানোর উদ্যোগ নিয়েছিল রেল। চালানো হচ্ছিল এসই স্পেশাল এক্সপ্রেসও। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা পেয়ে ওই ট্রেনগুলি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। এ দিন হাওড়া থেকে নয়া-দিল্লিগামী আপ এসই স্পেশাল এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে। স্থগিত করা null
null
nullহয়েছে বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লী থেকে হাওড়া ডাউন এসই স্পেশাল এক্সপ্রেসের যাত্রাও। মঙ্গলবারও দু’টি ট্রেন বাতিল করা হয়। সূত্র: আনন্দবাজার
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লুকিয়ে দোকান খুলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা গুণতে হয়েছে এক ব্যবসায়ীকে। দোকানটির শাটার বন্ধ থাকলেও ভেতরে থাকা এক শিশুর কান্নার আওয়াজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা জাহান উপমার হাতে ধরা পড়েন দোকান মালিক। গতকাল null
null
nullসোমবার দুপুরে পটিয়া পৌর শহরের ছবুর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, পটিয়া পৌর শহরের ওই এলাকায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু ব্যবসায়ী দোকানপাট খুলেছেন বলে ইউএনও ফারহানা জাহানের কাছে খবর আসে। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানপাট বন্ধ দেখতে পান। তবে একটি দোকানের ভেতরে শিশুর কান্নার আওয়াজ পেয়ে ইউএনও এগিয়ে যান। নিজেই শাটার টেনে তোলেন। এ সময় তিনি দোকানের ভেতরে মায়ের কোলে এক শিশুসহ পাঁচ থেকে ছয়জন null
null
nullক্রেতাকে দেখতে পান। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অন্ধকারে কোনোরকম স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই ক্রেতাকে ভেতরে রেখে লোক দেখানো বন্ধ দোকানে বেঁচাকেনা করছিলেন দোকান মালিক। পরে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে দোকান খোলা রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দোকান মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে ইউএনও ফারহানা জাহান উপমা ওই নারীকে শিশু সন্তানসহ দোকানে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, মোবাইলের এয়ারফোন কিনতে এসেছেন তিনি। পরেnull
null
null স্বাস্থ্য বিধি না মেনে বিনা প্রয়োজনে বাইরে ঘুরে বেড়ানোর দায়ে ওই নারীকেও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ বিষয়ে ইউএনও ফারহানা বলেন, ‘শাটার বন্ধ করা দোকানটির ভেতরে বাচ্চাটি গরমে কান্না করছিল। তাদের একটু অসচেতনতার কারণে বাচ্চাটি স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে