ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১০:৩০:৫৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১০:৩০:৫৭

সিলেটে যাওয়ার পথে নরসিংদীর রায়পুরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রীর পাজেরো গাড়ির সঙ্গে একটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কেউ হতাহত না হলেও মন্ত্রীর গাড়ির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রায়পুরা উপজেলাধীন নীলকুঠি বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরিকল্পনামন্ত্রীর গাড়িচালক মো. নেসার জানান, প্রটোকলের গাড়িটি সামনেই ছিল। পরিকল্পনামন্ত্রী ত্রাণ দেয়ার উদ্দেশে সিলেট যাচ্ছিলেন। মন্ত্রীর গাড়ি রায়পুরা উপজেলার null
null
nullনীলকুঠি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে ভৈরব থেকে নারায়ণগঞ্জগামী প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মন্ত্রীর গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় মন্ত্রী অক্ষত অবস্থায় গাড়ি পরিবর্তন করে প্রটোকল নিয়ে পুনরায় সিলেট রওনা হন। এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রায়পুরা থানার এসআই শাহীন বলেন, এ দুর্ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। মন্ত্রী সুস্থ আছেন এবং তিনি অন্য একটি গাড়িতে করে প্রটোকলসহ সিলেট সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে পুনরায় রওনা হয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রাইভেটকারচালককেnull
null
null আটক করা হয়েছে।
সুপার সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবলীলা চলছে। সন্ধ্যার দিকে সুন্দরবনে আঘাত হানে। এ সময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। প্রবল বেগের এই ঝড় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকা লণ্ডভণ্ড করে দেয়। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানা গেছে, এ মুহূর্তে আম্পান আছে ঝিনাইদহে। এটি ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করে বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে দুর্বল হয়ে পড়বে। রাত পৌনে ৩টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় আম্পানnull
null
null ঝিনাইদহে অবস্থান করছে। এদিকে রাত দুইটায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গাছ ও দেয়ালচাপায় এবং নৌকাডুবিতে বিভিন্ন স্থানে ১০ জনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২০ মে) দিনগত রাত দেড়টায় ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি মধ্যরাতে দুর্বল হয়ে উত্তরের দিকে অগ্রসর হয়ে ঝিনাইদহ জেলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ঘূর্ণিঝড় null
null
nullকেন্দ্রের ৭৫ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৬০ কিলোমিটার, যা আরো দমকার বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। আম্পান সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে সাতক্ষীরায়। উপকূলীয় এ জেলায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১৪৮ কিলোমিটার। আম্পানের মূল কেন্দ্র দিঘা, উড়িশার পর পশ্চিমবঙ্গ হয়ে অতিক্রম করতে শুরু করে। এ সময় সাতক্ষীরা, খুলনাসহ পশ্চিম উপকূলে ৫ থেকে ৭ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস বয়েnull
null
null যায়। রাত ১০টার দিকে জোয়ার শুরু হলে ১৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়। এতে প্লাবিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রবল ঝড়ে যশোরে ঘুমন্ত অবস্থায় মা-মেয়ে, গাছচাপায় সাতক্ষীরা শহরে গৃহবধূ, পটুয়াখালীতে শিশুসহ দু’জন, কলাপাড়ায় নৌকাডুবিতে একজন, ভোলার চরফ্যাসনে গাছচাপায় একজন, পিরোজপুরে দেয়ালচাপায় একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং বরগুনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বরাবরের মতো এবারো দেবদূত সুন্দরবন। ঢাল হয়ে দাঁড়ানোয় উপকূলীয় জনপদে জীবন ও সম্পদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ১৪ টি জেলা। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়া, গাছপালা উপড়ে যাওয়াসহ null
null
nullবিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। উপকূলের ৫১ লাখের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে তাণ্ডব চালানো আম্পানে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রবল গতিমুখ বর্তমানে পুরোপুরি পশ্চিমবঙ্গের দীঘা ও সাগরদ্বীপ বরাবর। এই দুই অঞ্চলের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে। আর বাংলাদেশ উপকূল থেকে রয়েছে ২৫০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের null
null
nullঅনেক গতি ঘর-বাড়ি উপরে ফেলেছে। গাছপালারসহ বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। আর দীঘা ও সাগরদ্বীপ থেকে রয়েছে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে। এক্ষেত্রে যে কোনো সময় ঝড়টির মুখ উঠে আসবে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে।এমন পরিস্থিতিতে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তৎপর রেলও। দুর্ঘটনা রুখতে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের কামরাগুলির চাকা শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনাটি দেখা গেছে ভারতের বিভিন্ন রেল স্টেশনে। দেশটিতে লকডাউনের জেরে গত ২৫ মার্চ থেকেই পুরোপুরি স্তব্ধ ভারতের স্বাভাবিক রেল পরিষেবা। কিন্তু বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক ট্রেন। এর মধ্যেই বিপুল গতিnull
null
null নিয়ে ওড়িশা ও এ রাজ্যের উপকূলবর্তী সীমানায় হাজির ঘূর্ণিঝড় আম্পান। সেই ঝড়ে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলি যাতে কোনো বিপদ না ঘটায় সে জন্য আগেভাগেই সতর্ক রেল। সে কারণেই দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলির চাকা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের হাওড়া, শিয়ালদহ ডিভিশনের বহু স্টেশনেই দেখা গিয়েছে এমন ছবি। কেনো ট্রেনের চাকা শিকল দিয়ে বাঁধা হয়েছে? রেল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা, দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনগুলি ঝড়েরnull
null
null দাপটে কোনো কারণে নিজের অবস্থান থেকে সরে গেলে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা হিসাবে ট্রেনের চাকাগুলি বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে শুধু ঝড়ের ক্ষেত্রেই নয়, ট্রেন কোনো কারণে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হলে তার চাকা এ ভাবেই বেঁধে রাখা হয় বলেই জানিয়েছেন রেলের কর্মকর্তারা। লকডাউনের মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে ‘শ্রমিক স্পেশাল’ চালানোর উদ্যোগ নিয়েছিল রেল। চালানো হচ্ছিল এসই স্পেশাল এক্সপ্রেসও। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা পেয়ে ওই ট্রেনগুলি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। এ দিন হাওড়া থেকে নয়া-দিল্লিগামী আপ এসই স্পেশাল এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লী থেকে হাওড়া ডাউন এসই স্পেশাল এক্সপ্রেসের যাত্রাও। মঙ্গলবারও দু’টি ট্রেন বাতিল করা হয়। সূত্র: আনন্দবাজার