ঢাকা, আজ শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

শুরুতেই ৫০০০ বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল আম্পান

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১০:২৩:১০ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১০:২৩:১০

সুপার সাইক্লোন আম্পান শুরুতেই উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৫০০০ কাঁচা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কলকাতায় ১১০ কিলোমিটার বেগে কলকাতায় আছড়ে পড়েছে ভয়ংকর আম্পান। মিনিটে মিনিট ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ এর খবরে বলা হয়েছে, মারাত্মক জোরে হাওয়া, বৃষ্টিতে নাজেহাল কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুর। ইতোমধ্যেই শহরের বহু রাস্তায় গাছপালা ভেঙে পড়েছে। তুফান হাওয়ায় তটস্থ ঘরবন্দি মানুষ৷ স্থানীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতায় ঝড়ের বেগ থাকবে ১২০ থেকে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টায়।
null
null
null
ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এ ঘূর্ণিঝড়ে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সবচেয়ে ভয়ংকর হতে চলেছে আম্পান। ঘণ্টায় এর গতিবেগ থাকতে পারে ১৬০ কিমি । এদিকে সুন্দরবনের একাংশ, মোংলা ও সাতক্ষীরা হয়ে বাংলাদেশের উপকূলে পার হয়েছে আম্পান। আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানায়, দিক পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের দিকেই বেশি শক্তি নিয়ে আঘাত হেনেছে আম্পান।ঈদের ধাক্কায় করোনা সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, ঘরে ফেরার ঢল রুখতে হবে উৎসমুখেই, আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে ঈদের জামাতে। সেক্ষেত্রে লকডাউন বাস্তবায়নে প্রয়োজনে কারফিউয়ের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে মত তাদের।
null
null
null এদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে এই চাপ নিয়ন্ত্রণে ছক কষছেন তারা। সংখ্যাটা হাজার ছাড়িয়েছে ১১ মে। এরপর ক্রমে বেড়েই চলেছে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা। গত পাঁচদিনে গড়ে প্রতিদিন শনাক্ত প্রায় তেরো’শ। এরই মধ্যে মহাসড়কে বাড়ছে ভিড়, বাড়ছে বাড়ি ফেরার চাপ। এমন বাস্তবতায় আসছে দুই সপ্তাহে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা জনস্বাস্থ্যবিদের মনে। তারা বলছেন, সামাল দিতে হবে ঘরমুখো মানুষের চাপ। আর নজর রাখতে হবে ঈদ কেন্দ্রিক সমাগমের দিকে নয়তো এই null
null
nullচাপে আক্রান্তের সংখ্যা হতে পারে কয়েক লাখ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বে-নজীর বলেন, এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে যেন উৎস মুখেই মানুষদের যাতায়াত বন্ধ করা যায়। ন্যূনতম এক লাখ মানুষের জামাত হতে পারে, উপসর্গহীন রোগী আছে, তারা যদি থাকেও বোঝা যাবে না। এদের মাধ্যমে দুজন করে ছড়ালেও দুই লাখ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে। এই অবস্থায় আর ঢিলেমি নয়, কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন তারা। অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানুর রহমান null
null
nullবলেন, সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বমুখী দেখা যাচ্ছে, চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশব্যাপী এটাকে যদি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তাহলে কঠোর লকডাউনে যেতে হবে। লকডাউন কঠোরভাবে না দিলে প্রয়োজনে কারফিউ দেয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও বলছে, ঈদের ধাক্কা সামলে নিতে কঠোর সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলেন, সরকার যেখানে বলে দিয়েছে যে কর্মস্থলে সব চাকরিজীবী থাকতে হবে। সরকার তো বল প্রয়োগ করতে চায় না। তারপরও যদি মানুষnull
null
null মানতে না চায় পদক্ষেপ তো নিতে হবে। পাশাপাশি টেস্টের পরিসর আরো বাড়ানোর কথাও ভাবছে সরকার।সুপার সাইক্লোন আম্পানের তাণ্ডবে ভারতের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেই বুধবার রাত ৯টায় সরকারি বাসভবন নবান্নে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। খবর আনন্দবাজার। মমতা বলেন, দুই ২৪ পরগনা ধ্বংস হয়ে গেছে…বাড়িঘর, নদী বাঁধ ভেঙে গেছে, ক্ষেত ভেসে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আম্পানের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১২ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। সারাদিনই নবান্নের কন্ট্রোলnull
null
null রুম থেকে ঝড়ের গতিপ্রকৃতি খোঁজখবর রাখছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, পাথরপ্রতিমা, নামখানা, বাসন্তী, কুলতলি, বারুইপুর, সোনারপুর, ভাঙড় থেকে যা খবর এসেছে তা ভয়াবহ। খারাপ খবর উত্তর ২৪ পরগনা থেকেও। তবে ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে ৩-৪দিন লেগে যাবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এলাকার পর এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সাহায্যে ৫ লাখ মানুষকে সরাতে পেরেছি। নন্দীগ্রাম ও রামনগরসহ একাধিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম, রামনগর প্রভৃতি এলাকায় বড়null
null
null ক্ষতি। দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা প্রায় ধ্বংস ঝড়ের দাপটে। গাছ পড়ে মানুষ মারা গেছেন। মোট ক্ষতি এখনও গণনা করা যায়নি। অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই। পাথরপ্রতিমা, নামখানা, কাকদ্বীপ, কুলতলি, বারুইপুর, সোনারপুর সব জায়গায় ধ্বংসের ছবি। রাজারহাট, হাসনাবাদ, সন্দেশখালি, গোসাবা, হাবড়া সব জায়গাই বিপর্যস্ত।