ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

করোনা: ঈদে আক্রান্ত হতে পারে ২ লাখ, কারফিউয়ে মত বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১০:০৯:৪৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১০:০৯:৪৬

ঈদের ধাক্কায় করোনা সংক্রমণ কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, ঘরে ফেরার ঢল রুখতে হবে উৎসমুখেই, আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে ঈদের জামাতে। সেক্ষেত্রে লকডাউন বাস্তবায়নে প্রয়োজনে কারফিউয়ের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে মত তাদের। এদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে এই চাপ নিয়ন্ত্রণে ছক কষছেন তারা। সংখ্যাটা হাজার ছাড়িয়েছে ১১ মে। এরপর ক্রমে বেড়েই চলেছে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা। গত পাঁচদিনে গড়ে প্রতিদিন শনাক্ত প্রায় তেরো’শ। এরই মধ্যে মহাসড়কে বাড়ছে ভিড়, বাড়ছে বাড়ি ফেরার চাপ।
null
null
null এমন বাস্তবতায় আসছে দুই সপ্তাহে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা জনস্বাস্থ্যবিদের মনে। তারা বলছেন, সামাল দিতে হবে ঘরমুখো মানুষের চাপ। আর নজর রাখতে হবে ঈদ কেন্দ্রিক সমাগমের দিকে নয়তো এই চাপে আক্রান্তের সংখ্যা হতে পারে কয়েক লাখ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বে-নজীর বলেন, এমনভাবে পরিকল্পনা করতে হবে যেন উৎস মুখেই মানুষদের যাতায়াত বন্ধ করা যায়। ন্যূনতম এক লাখ মানুষের জামাত হতে পারে, উপসর্গহীন রোগী আছে, তারা যদি থাকেও বোঝা
null
null
nullযাবে না। এদের মাধ্যমে দুজন করে ছড়ালেও দুই লাখ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে। এই অবস্থায় আর ঢিলেমি নয়, কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন তারা। অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানুর রহমান বলেন, সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বমুখী দেখা যাচ্ছে, চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশব্যাপী এটাকে যদি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তাহলে কঠোর লকডাউনে যেতে হবে। লকডাউন কঠোরভাবে না দিলে প্রয়োজনে কারফিউ দেয়া যেতে পারে।সুপার সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবলীলা null
null
nullচলছে। সন্ধ্যার দিকে সুন্দরবনে আঘাত হানে। এ সময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। প্রবল বেগের এই ঝড় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকা লণ্ডভণ্ড করে দেয়। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানা গেছে, এ মুহূর্তে আম্পান আছে ঝিনাইদহে। এটি ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করে বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে দুর্বল হয়ে পড়বে। রাত পৌনে ৩টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় আম্পান ঝিনাইদহে অবস্থান করছে। এদিকে রাত দুইটায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গাছ ও null
null
nullদেয়ালচাপায় এবং নৌকাডুবিতে বিভিন্ন স্থানে ১০ জনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২০ মে) দিনগত রাত দেড়টায় ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি মধ্যরাতে দুর্বল হয়ে উত্তরের দিকে অগ্রসর হয়ে ঝিনাইদহ জেলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৫ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৬০ null
null
nullকিলোমিটার, যা আরো দমকার বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। আম্পান সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে সাতক্ষীরায়। উপকূলীয় এ জেলায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১৪৮ কিলোমিটার। আম্পানের মূল কেন্দ্র দিঘা, উড়িশার পর পশ্চিমবঙ্গ হয়ে অতিক্রম করতে শুরু করে। এ সময় সাতক্ষীরা, খুলনাসহ পশ্চিম উপকূলে ৫ থেকে ৭ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস বয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে জোয়ার শুরু হলে ১৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়।null
null
null এতে প্লাবিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রবল ঝড়ে যশোরে ঘুমন্ত অবস্থায় মা-মেয়ে, গাছচাপায় সাতক্ষীরা শহরে গৃহবধূ, পটুয়াখালীতে শিশুসহ দু’জন, কলাপাড়ায় নৌকাডুবিতে একজন, ভোলার চরফ্যাসনে গাছচাপায় একজন, পিরোজপুরে দেয়ালচাপায় একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং বরগুনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বরাবরের মতো এবারো দেবদূত সুন্দরবন। ঢাল হয়ে দাঁড়ানোয় উপকূলীয় জনপদে জীবন ও সম্পদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ১৪ টি জেলা। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়া, গাছপালা উপড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।null
null
null উপকূলের ৫১ লাখের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে তাণ্ডব চালানো আম্পানে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।ঈদকে সামনে রেখে লকডাউন ভঙ্গ করে কেউ পায়ে হেঁটেও গ্রামের বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ঈদ পর্যন্ত রাস্তাতেই রাখা হবে এবং কোথাও যেতে দেয়া হবে না বলে হুশিয়ার করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, null
null
nullবেঁচে থাকলে আগামী ঈদ আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে করবো। পুলিশ আপনাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে, আরও আসবে। রোজার আগে আমরা ৭ হাজার মানুষের জন্য দৈনিক খাবারের ব্যবস্থা করতাম। রমজানের পর এটি আরও বৃদ্ধি করা যায় কিনা আমরা চেষ্টা করছি। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ null
null
nullসম্পাদক ও জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আপনাদের জন্য কাজ করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা আক্রান্ত হচ্ছেন, মারাও গেছেন। আপনাদের জন্যই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। আপনারা সহযোগিতা করলেই করোনামুক্ত null
null
nullবাংলাদেশ সম্ভব হবে। মাওয়া ঘাটে হাজার হাজার মানুষ বাড়ি ফেরার জন্য ভিড় করেছিল, আমরা ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি। যারা যেখানে ছিল, সেখানেই আমরা অবস্থান করতে বলেছি। এখন থেকে যদি কাউকে গ্রামের বাড়ির দিকে যেতে দেখা যাবে, তাকে সেখানেই বসিয়ে রাখা হবে, সেখানেই আপনাদের ঈদ হতে পারে। আপনারা যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন, তা না হলে আমরা যেমন কঠোর আছি- তেমন কঠোর থাকবো। এসময় সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এক হাজার দু:স্থ পরিবারের হাতে ওই ঈদ সামগ্রী তুলে দেন অতিথিরা।