ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

কলাপাড়া উপকূলের জনমনে আতংক, সুপার সাইক্লোনে পরিনত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ।।

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৮ ১৭:৩৩:৩৯ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৮ ১৮:৫৪:৪৭

নয়না ভিরাম গাইন নয়ন কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:সরাসরি বাংলাদেশর দিকে অতি প্রবল রূপে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সুপার সাইক্লোন আম্ফান।যার গতিবেগ বর্তমানে নির্ধারিত আছে সর্বোচ্চ ২২০ কিঃমিঃ। তবে এই গতি আরও বাড়তে পারে বলে আবহাওয়া বিদরা জানিয়েছে।
null
null
null
সোমবার সকালে কলাপাড়া পৌরশহর সহ পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন গুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। এর পর থেকে উপকূলীয় জনগনের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে সুপার সাইক্লোন আম্ফান বাংলাদেশের খুলনা ও চট্রগ্রামের মধ্যবর্তি অঞ্চল দিয়ে আগামী মঙ্গল বার (১৯ শে মে)শেষ রাত থেকে (২০ মে) বুধবার বিকেল অথবা সন্ধার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে। বেড়ি বাদ
null
null
null
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া সহ ১১টি গ্রামের প্রায় দুই হাজার পাঁচ শত পরিবার জলোচ্ছ্বাস এর আতঙ্কে ভিত সন্ত্রস্ত রয়েছে। কারন বিগত ঘূর্ণিঝড় ও অতিপ্রবল জোয়ারের কারনে এরকম ঘটনা বহুবার ঘটেছে। যেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ায় পরিলক্ষিত হয়েছে। এছাড়া কলাপাড়া উপজেলা নদী বেস্টিত হওয়ার কারনে চতুর্দিক বেড়িবাদ দ্বারা আবদ্ধ। এই বেড়িবাদ গুলো বিভিন্ন
null
null
null
সময় ঘূর্ণিঝড়ের কারনে জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে। যেগুলো এখনও অনেক জায়গায় সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। একারনে, উপকূলীয় জনপদে জলোচ্ছ্বাসের আতংক বিরাজ করছে। তবে আবহাওয়া বুলেটিনে এখনও পর্যন্ত কোন জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতা না থাকার কারনে জনমনে কিছুটা স্বস্তি পরিলক্ষিত হয়েছে। এদিকে কলাপাড়া উপজেলা দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কমিটির এক জরুরী সভা উপজেলা মিলনায়তনে
null
null
null
অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কলাপাড়া ঘূর্ণিঝড় প্রস্ততি কমিটির সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান খান বলেন, উপজেলার ১৫৭ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত রাখার জন্য প্রস্ততি নেয়া হচ্ছে। উপজেলার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ২৩৭০ জন স্বেচ্ছাসেবককে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলার জন্য প্রস্ততি নিতে বলা হয়েছে। তিনি উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নের দূর্যোগ ব্যাবস্থপনা কমিটির
null
null
null
সদস্যদের সর্বদা সজাগ থেকে সমস্ত বিরূপ প্রতিক্রিয়া মোকাবেলা করে উপজেলার সকল জনগনকে নিরাপদ রাখার জন্য জোর আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের জন্য পায়রা ও মংলা সমুদ্র বন্দর এ ৭ নম্বর মহা বিপদ সংকেত চট্রগ্রাম ও কক্সবাজা সমুদ্র বন্দর এ ৬ নম্বর মহা বিপদ সংকেত থাকার পরেও জনগনের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এর কারন হিসেবে তারা রোদ্রজ্জ্বল আকাশ, প্রচন্ড গরম ও বাতাসের কোন জোরালো গতিবেগ না থাকাকে দায়ী করছে। তবে রোজাদারদের প্রচন্ড গরমে অস্বস্তিকর অবস্থা পরিলক্ষিত হয়েছে।
null
null
null
.
null
null
null