ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন দেবে কানাডা সরকার

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৭ ১০:১৭:৪৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৭ ১০:১৭:৪৬

মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই চলছে লকডাউন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। যানবাহন চলাচল ও ঘর থেকে বের হওয়ায় রয়েছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। এমনই অবস্থায় করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে কানাডার সরকার।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সহায়তায় জরুরি বেতন ভর্তুকি প্রকল্পের সময়সীমা আগামী আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার এক ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী জানান, বেতন ভর্তুকি প্রকল্পের আওতায় যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের ৭৫ শতাংশ মজুরির দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। প্রতিজনকে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৮৪৭ ডলার সহায়তার এ প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল জুনের প্রথম সপ্তাহে। তবে সংকট পুরোপুরি না কাটায় আগস্ট পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

১৫ মার্চ থেকে ১২ সপ্তাহের এই কর্মসূচি চালু করে কানাডা সরকার। জরুরি বেতন ভর্তুকি প্রকল্পে ৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে কানাডা।

দেশটির অর্থমন্ত্রী বিল মর্নো জানিয়েছেন, এখন থেকে নিবন্ধিত সংবাদ সংস্থা, অ্যাথলেটিক সমিতি, সরকারি মালিকানাধীন আদিবাসী সংস্থা, আর্টস, ড্রাইভিং, ভাষা, ফ্লাইট স্কুলসহ বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলোও বেতন-ভর্তুকি সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের আয় মার্চে ১৫ শতাংশ এবং এপ্রিল-মে মাসে অন্তত ৩০ শতাংশ কমে গেছে তারাই এ প্রকল্পের আওতায় সহায়তার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

৬০ বছর বয়সী রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ পৌর মেয়রের এসএসসি পাশ নাতনিকে বিয়ে!

দূর সম্পর্কের নাতনিকে বিয়ে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলেন কুমিল্লার রিকশাচলক সামশুল হক। ১৩ বছরের মেয়েকে বিয়ে করায় গ্রেফতারও হয়েছেন তিনি।

তার মতো রাজশাহীর একজন পৌর মেয়রও প্রতিবেশী নাতনিকে বিয়ে করেছেন। বছরখানেক আগে বিয়ে করলেও রিকশাচালক সামশুল ভাইরাল হওয়ার পর জানাজানি হয়েছে রাজশাহীর মেয়রের এ বিয়ের খবর। আর এরপর থেকে শুরু হয়েছে তোলপাড়।

এই মেয়রের নাম আবদুল মালেক। তিনি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র। এ ছাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিও তিনি। তার এই স্ত্রীর বয়স এখন ১৮ বছর। প্রায় ৬০ বছর বয়সী এই নেতার অসম বিয়েতে বিব্রত দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তবে প্রভাবশালী হওয়ায় তারা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি।

তবে রিকশাচালক সামশুল ভাইরাল হওয়ার পর মেয়র আবদুল মালেক ও তার স্ত্রী শারমিন খাতুনের একটি ছবি এসেছে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে। জানিয়েছেন বিয়ের আদ্যপ্রান্তও।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতার দেয়া তথ্যমতে, মেয়র আবদুল মালেকের বাড়ি পৌরসভার সূর্যপাড়া মহল্লায়। তার স্ত্রী শারমিনের বাবার নাম ফজলুর রহমান। মেয়র এবং তার বাড়ি সামনাসামনি। মেয়রের বাড়িতেই কাজ করতেন ফজলুর। তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শারমিন বিয়ের আগে মেয়রকে নানা বলেই ডাকত। প্রায় দু’বছর আগে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন মেয়র।

এ নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। মেয়রের দুই ছেলে ফজলুর রহমানের বাড়িতে হামলাও চালিয়েছেন। কিন্তু বছরখানেক আগে কোর্টে গিয়ে চুপিসারে বিয়ের কাজটি সেরে ফেলেন মেয়র।

তখন বাগমারার চাঁনপাড়া আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে কেবল এসএসসি পাস করেছে মেয়েটি। বিয়ের পর মেয়র ভবানীগঞ্জ বাজারে একটি বাড়ি ভাড়া করে তাকে রাখেন। এতদিন মেয়র মালেকের বিয়ের খবর অনেকটা চাপা ছিল।

তবে এতে ঘি ঢেলে দিয়েছে কুমিল্লার রিকশাচালক সামশুল হকের বিয়ে। এখন বাগমারায় আবারও আলোচনা চলছে মেয়র মালেকের বিয়ে নিয়ে।

চাঁনপাড়া আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম বলেন, মেয়েটি তার স্কুলের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। এসএসসি পাসের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পরই শুনতে পান মেয়রের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তখন মেয়েটির বয়স ১৬ বা ১৭ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, আগে তিনি মেয়রের বিয়ের খবরটি শোনেননি। তবে এখন শুনেছেন। এ নিয়ে কোনো অভিযোগ পাননি বলেও জানান তিনি।

জানতে চাইলে শারমিনকে বিয়ের কথা স্বীকার করেন মেয়র আবদুল মালেক। তবে শারমিন এখন তার সঙ্গে থাকতে চাইছে না বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ছোট মেয়ে। তাই সংসার করতে পারবে না। সে জন্য সে তার বাবার বাড়িতেই আছে। তবে বিয়ের সময় শারমিনের বয়স ১৮ ছিল বলেও দাবি করেন মেয়র।

কথা বলতে শুক্রবার বিকালে শারমিনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। তবে কোনো কথা বলতে চাননি তিনি। বন্ধ পাওয়া গেছে শারমিনের বাবা ফজলুর রহমানের মোবাইল নম্বর।

২৫শ টাকার সরকারি সহায়তার তালিকায় মেম্বারের মোবাইল নং ২০০ বার!

করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্নমধ্যবিত্ত ও হতদরিদ্রদের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত আর্থিক সহায়তা দিতে তালিকা হচ্ছে।

যেহেতু, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থ প্রদান করা হবে, তাই এই সুযোগে এক ইউপি সদস্য তার নিজের মোবাইল নম্বরটি জুড়ে দিয়েছে ৪০ জন সুবিধাভোগীর নামের পাশে।

এ ছাড়া, তালিকায় চৌকিদার, সরকারি বিভিন্ন সুবিধাভোগকারী ও স্বচ্ছল ব্যক্তির নাম রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বাগেরহাটের শরণখোলায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এসব অনিয়ম ধরা পড়ার পর তা সংশোধনে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, ইউনিয়নে পরিষদের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত চূড়ান্ত তালিকা উপজেলা পরিষদে জমা দেয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে অনিয়ম ধরা পড়ে।

উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে খোন্তাকাটা ইউনিয়নে অনিয়মের মাত্রা একটু বেশি বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

সুফলভোগীদের নামের পাশে তাদের প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করার কথা থাকলেও কিছু ইউপি সদস্য অসৎ উদ্দেশ্যে সেখানে তাদের নিজেদের মোবাইল নম্বর দিয়ে রেখেছে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করায় তারা এই অপকৌশলের আশ্রয় নেয়। তা ছাড়া, তালিকায় অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ও সরকারি অন্যান্য সুবিধাভোগীদের নামও দেয়া হয়।

এসব অনিয়ম ধরা পড়ার পর সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত তালিকায় সুবিধাভোগীদের নামের পাশে বেশ কয়েকজন ইউপি সদস্যদের ফোন নম্বর ছিল।

এক মেম্বরের ফোন নম্বর ছিল ৪০ জনের নামের পাশে। এ ছাড়া, স্বচ্ছল ও সরকারের অন্যান্য সুবিধা ভোগ করছে এমন ব্যক্তিদের নামও ছিল তালিকাতে।

এসব অনিয়ম নজরে আসার পর সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে সঠিক তালিকা করা হয়েছে। আগামী ১৭ মে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তা পাঠানো হবে।

অনিয়মকারী ইউপি সদস্যদের ব্যাপারে ইউএনও বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইসলাম ডেস্ক : সবচেয়ে বেশি তাসবিহ পড়ার মাধ্যমে যে নামাজ পড়া হয়, তাই সালাতুত তাসবিহ।

নামাজের বিভিন্ন রোকনে ধাপে ধাপে প্রত্যেক রাকাআতে ৭৫ বার তাসবিহ আদায় করতে হয়। এভাবে রাকআত নামাজে ৩০০ বার তাসবিহ পড়ার মাধ্যমে এ নামাজ আদায় করতে হয়। এটি সালাতুত তাসবিহ নামে পরিচিত।

সালাতুতু তাসবিহর অন্যতম ফজিলত হলো- মানুষের বিগত জীবনের গোনাহ মাফ এবং অনেক সাওয়াব লাভ হয়। রমজানে এ নামাজ পড়ার ফজিলত অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। রমজানের জুমআর দিনে এ নামাজে পাওয়া যায় অতিরিক্ত সাওয়াব। এ নামাজে سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ তাসবিহটি ৩০০ বার পড়তে হয়।

সালাতুত তাসবিহ পড়ার নিয়ম
প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পড়া। প্রতি রাকাআতেই একটি সুরা মেলানো। প্রত্যেক রাকাআতে سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ অর্থাৎ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার-এ তাসবিহটি ৭৫ বার পড়তে হবে। প্রতি রাকাআতে নিচে উল্লেখিত নিয়ে ৪ রাকাআত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে সাতালাতুত তাসবিহ আদায় করতে হয়। নিয়ম হলো-

– নামাজের নিয়ত বেঁধে তাকবিরে তাহরিমার পর সুরা ফাতেহা পড়ার আগে এ তাসবিহ- سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১৫ বার পড়া।

– সুরা ফাতেহা ও অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার আগে এ তাসবিহ سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১০ বার পড়া।
– রুকুতে গিয়ে- سُبْحَانَ رَبِّىَ الْعَظِيْم পড়ার পর এ তাসবিহ- سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১০ বার পড়া।
– রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে رَبَّنَا وَ لَكَ الْحَمْد পড়ার পর এ সাতবিহ- سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১০ বার পড়া।
– সেজদায় গিয়ে- سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى পড়ার পর সেজদাতেই এ তাসবিহ- سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১০ বার পড়া।
– দুই সেজদার মাঝে বসে اَللّهُمَّ اغْفِرْلِيْ وَارْحَمْنِي وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ (পারলে) পড়ার পর বসা অবস্থায় এ তাসবিহ- سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১০ বার পড়া।
– দ্বিতীয় সেজদায় গিয়ে- سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى পড়ার পর সেজদাতেই এ তাসবিহ- سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – ১০ বার পড়া।

একই নিয়মে দ্বিতীয় রাকাআতেও নির্ধারিত তাসবিহ ৭৫ বার পড়া। দুই রাকাআত পড়ার পর তাশাহহুদ পড়ে দাঁড়িয়ে বাকি দুই রাকাআত একই নিয়মে বাকি নামাজ সম্পন্ন করা।

মনে রাখতে হবে
তাসবিহ পড়ার সময় যদি কোনো স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম তাসবিহ পড়া হয় তবে, পরবর্তী যে রোকনে তা স্মরণ হবে সেখানেই তা পড়ে নিলেই হবে। আর কোনো কারণে যদি এ নামাজে সাহু সেজদার প্রয়োজন হয় তবে ওই সাহু সেজদায় এবং সাহু সেজদার মাঝে বসার সময়ও এ তাসহিব পড়তে হবে না। তাসবিহ পড়ার ক্ষেত্রে স্মরণ রাখার জন্য আঙুলের কর গণনা করা যাবে না তবে আঙুল চেপে তাসবিহ এর সংখ্যা স্মরণ রাখা যাবে।

সালাতুত তাসবিহ-এর ফজিলত সম্পর্কে হাদিসের বর্ণনায় এসেছে-
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমার পিতা) হজরত আব্বাসকে বললেন, ‘হে আব্বাস! হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সঙ্গে ১০টি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ ১০টি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না) যখন আপনি তা (আমল) করবেন-
তখন আল্লাহ আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সবধরনের গোনাহ মাফ করে দেবেন। ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত গোনাহ মাফ করে দেবেন। সগিরা ও কবিরা (ছোট ও বড়) গোনাহ মাফ করে দেবেন। গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহ মাফ করে দেবেন।

(হে চাচা!) আপনি ৪ রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন। (অর্থাৎ প্রত্যেক রাকাআতে এ তাসবিহটি ৭৫ বার করে আদায় করতে হবে।)

(অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে চাচা!) এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে। তাও যদি না পারেন, তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাস এবং জুমআর দিনে সর্বাধিক তাসবিহ সম্বলিত নামাজ পড়ে উল্লেখিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।