ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনেকবার ভেবেছি আত্মহ’ত্যা করব: আশরাফুল

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৬ ১৪:২৩:২৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৬ ১৪:২৩:২৭

বাংলাদেশের যে ক্রিকেটার প্রথম বিশ্ব ক্রিকেটে আলোচনায় আসতে পেরেছিলেন তিনি মোহাম্মদ আশরাফুল। ক্যারিয়ারের শুরুতেই বেশকিছু আন্তর্জাতিক রেকর্ড গড়ে জাগিয়েছিলেন অন্য ধরনের এক সম্ভাবনা।

তবে ফিক্সিংয়ের মতো গর্হিত অপ’রাধে জড়িয়ে কলঙ্কিত হয় তার ক্যারিয়ার। ২০১৩ সালে বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সে খেলা আশরাফুল স্পট ফিক্সিংয়ের অপ’রাধে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন ৫ বছরের জন্য।

তবে শাস্তি কাটিয়ে ক্রিকেটেও ফিরেছেন তিনি। কিন্তু তারপর আর সুযোগ ঘটেনি জাতীয় দলে খেলার।

নিষেধাজ্ঞার প্রথম বছরটি খুবই কঠিন ছিল আশরাফুলের জন্য। এ সময় লজ্জায়-অপ’রোধবোধে ভুগে আত্মহ’ত্যাও করতে চেয়েছিলেন সর্বকালের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান! গত বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুক লাইভে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের এই লিটল মাস্টার।

আশরাফুল বলেন, ‘এমনও আমার মাথার মধ্যে এসেছিল যে আমি বেঁচে থাকব কি না, সুইসাইড করব কি না। এই ধরনের চিন্তাও আমার মধ্যে এসেছে। আমি কীভাবে মানুষের কাছে মুখ দেখাব, পরিবার কীভাবে থাকবে। আমি এটা নিয়ে খুব আপসেট ছিলাম। প্রথম ছয়টা মাস রুটিন ছিল রাত ৩টা-৪টা পর্যন্ত টিভি দেখতাম। তারপর ঘুমাতাম, ঘুম থেকে ২টায় উঠতাম।’

চলমান করোনাকালে গৃহবন্দী থাকার দিনগুলো তাই খুব কঠিন লাগছে না আশরাফুলের কাছে। কারণ এর চেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতার তার জীবনের ভান্ডারেই রয়েছে।

তবে আশরাফুল জানান, কঠিন সেই সময়ে নিজের দুলাভাই ও বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনের কাছ থেকে অনেক মানসিক সাপোর্ট পেয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, অপেশাদার ক্রিকেট খেলার অনুমতি পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে দুই বছর ক্রিকেট খেলেছেন ৩৫ বছর বছর বয়সি আশরাফুল। নিজেকে ধরে রাখতে সিলেটে প্রচুর ম্যাচ খেলেছেন। এমনকি টেপ টেনিস ম্যাচও। ঐসব ম্যাচেও দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি।যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক একটি বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রতিষেধক নিয়ে সুখবর দিয়েছে। ‘সোরেন্টো থেরাপিউটিকস’ নামের কোম্পানিটি দাবি করেছে, তারা করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছে। এটা ‘শতভাগ কার্যকর’ এবং রোগীকে চারদিনেই করোনামুক্ত করবে।

ফক্সনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৫ মে) সান দিয়োগোর কোম্পানি সোরেন্টো থেরাপিউটিকস আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবে। তারা জানিয়েছে, করোনার টিকা বা ভ্যাকসিন বাজারে আসার আগেই এই অ্যান্টিবডির মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু হয়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণজনিত রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবডির ব্যবহার শতবছর ধরে চলে আসছে। যদিও এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।

শঙ্কা-সন্দেহ সত্ত্বেও সোরেন্টো থেরোপিউটিকসের কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, করোনার সফল চিকিৎসার চাবিকাঠি পেয়ে গেছেন তারা।

তাদের দাবি, গবেষণার অংশ হিসেবে তারা গত দশকে শত কোটি অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলোর স্ক্রিনিংও করেছেন। এর মধ্যেই ডজনখানেকের মতো এমন অ্যান্টিবডি রয়েছে, যারা কার্যত করোনাভাইরাসকে মানুষের শরীরে গেঁড়ে বসা থেকে ঠেকিয়ে দিতে পারে।

সোরেন্টো থেরাপিউটিকস’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডা. হেনরি জি বলেন, করোনা থেকে মুক্তির উপায় এসেছে, তা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই। এমন সমাধান এসেছে যা ১০০ ভাগ কার্যকর। এসটিআই-১৪৯৯ নামে এই অ্যান্টিবডি যদি আপনার শরীরে দেয়া হয়, তাহলে সামাজিক দূরত্বও আপনাকে বজায় রাখতে হবে না। আপনি নির্ভয়ে সবার সঙ্গে মিশে যেতে পারবেন।

গত ডিসেম্বরে চীন থেকে ছড়ানো কোভিড-১৯ গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৪৫ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন লাখের বেশি। তবে ১৭ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৪ লাখের বেশি এবং মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮৬ হাজার।কিয়ামতের দিন রোজাদারদের আল্লাহ তায়ালা পানি পান করাবেন
কিয়ামতের দিন রোজাদারদের আল্লাহ তায়ালা পানি পান করাবেন
ইসলাম ডেস্ক: রোজার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মিলে প্রতি’দানের অফুরন্ত সওয়াব। নেকি-পুন্যে ভারি হয় আমলের থলি। প্রতি’টি রোজা পালনের মাঝ দিয়ে আল্লাহর আনুগ’ত্যের পরিচয় দেয় বান্দা।

এর বিনিময়ে দয়া, অনুগ্রহ, রহমত, বরকতে পরিপূর্ণ করে দেয়া হয় আনুগত্যশীল বান্দাকে। রোজা শুধু আল্লাহর জন্য এবং তিনিই এ রোজার আমলের প্রতিদান দান করবেন ম’র্মে এক হাদিসে কুদ’সিতে ইরশাদ করেছেন, মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম তা শুধু আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান দেব। (মুসলিম -২৭৬০)।

এ হাদিস দ্বা’রা আমরা অনুধাবন করতে পারি, যাবতীয় নেক আমলের মাঝে রোজা রাখার গুরুত্ব আল্লাহর কাছে এতো বেশি যে, তিনি নিজেই রোজার প্রতিদান প্রদানের প্রতি’শ্রুতি দিয়েছেন। আর এ জন্যই বি’খ্যাত সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) যখন বলেছিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অতি উত্তম কোনো নেক আমলের নির্দেশ দিন। রাসূল (সা.) বলেছিলেন, তুমি রোজা রাখো। কারণ এর সমমর্যাদার আর কোনো আমল নেই। (নাসায়ি-২৫৩৪)।

এছাড়া রাসূল (সা.) বলেছেন, মানব সন্তানের প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আ’ল্লাহ তায়ালা বলেন, কিন্তু রোজার বিষয়টি ভিন্ন। কেননা, রোজা শুধু আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান দেব। (মুসলিম-১৫৫১)।

রোজা জাহান্নাম থেকে বাঁচার ঢাল স্বরুপ : হাদিসে এসেছে, রোজা হলো ঢাল ও জা’হান্না’মের আগুন থেকে বাঁচার মজবুত দুর্গ।(মুসনাদে আহমদ-৯২১৪)। আরো বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য এক দিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তার থেকে জাহান্নামকে এক খরিফ (৭০ বছরের) দূরত্বে সরি’য়ে দেবেন। (মুসলিম-২৭৬৯)।

জান্নাত লাভের মাধ্যম হলো রোজা : রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, জান্নাতের একটি দরজা রয়েছে। যার নাম রাইয়ান। কিয়া’মতের দিন রোজাদাররাই শুধু সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া অন্য কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সেদিন ঘোষণা করা হবে, রোজাদাররা কোথায়? তখন তারা দাঁড়িয়ে যাবে এবং সে দ’রজা দিয়ে প্রবেশ করবে। যখন তাদের প্রবেশ শেষ হবে, তখন দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। ফলে তারা ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। (বুখারি-১৭৯৭)।

রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়েও উত্তম : নবী করিম (সা.) বলেন, যার হাতে মুহাম্মাদ (সা.) এর জীবন, সে স’ত্তার শপথ, রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহ তায়ালার কাছে মেশকের ঘ্রাণ থেকেও প্রিয়। (বুখারি-১৭৯০)।

কিয়ামতের দিন রোজা সুপারিশ করবে : আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, রোজা ও কোরআন কিয়ামতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সু’পারিশ করবে যে রোজা বলবে, হে প্রতিপালক! আমি দিনের বেলা তাকে পা’নাহার ও সহবাস থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যা’পারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল করো। কোরআন বলবে, হে প্রতিপালক! আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রে’খেছি, তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল করো। তিনি বলেন, ‘এরপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে।(মুসনাদে আহমদ-৬৬২৬)।

রোজার মাধ্যমে গুনাহ মাফ হয় : মানুষ যখন পরি’বার-পরিজন, প্রতিবেশী ও ধন-সম্পদের কারণে গুনাহ করে ফেলে, তখন নামাজ, রোজা, সদকা সে গুনাহগুলোকে মিটিয়ে দেয়। (বুখারি-১৭৯৫)। অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে রমজান মাসে ঈমান ও ইহতিসাবের সঙ্গে রোজা রাখবে, তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (বুখারি-২০১৪)।

কিয়ামতের দিন রোজাদারদের আল্লাহ তায়ালা পানি পান করাবেন : হজরত আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ তায়ালা নিজে’র ওপর অবধারিত করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গ্রীষ্মকালে (রোজা রাখার কারণে) পিপাসার্ত থেকেছে, তিনি তাকে তৃষ্ণার দিন (কিয়ামতের দিন) পানি পান করাবেন।

রোজাদারের দোয়া কবুল হয় : হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (সা.) ইরশাদ করেন, ইফতারের সময় রোজাদার যখন দোয়া করেন তখন তার দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। অর্থাৎ দোয়া কবুল কর হয়। (সুনানে ইবনে মাজাই, ১৭৫৩)।

এমাসে শয়তানকে শিকলবন্দী করা হয় : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘যখন রমজান মাসের আগন ঘটলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমাদের নিকট বরকতময় মাস রমজান এসেছে। আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য এ মাসের রো’জা ফরজ করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজা’সমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জা’হান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানদেরকে শিকলে বন্দী করা হয়। এ মাসে এমন একটি রাত আছে, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যে এর কল্যান থেকে বিরত হলো, সে তো প্রকৃতপক্ষেই বিরত। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস-৭১৪৮ সুনানে নাসায়ী-হাদিস-২৪১৬)।

রমজানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস নেই : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালার কসম! মুসলমানদের জন্য রমজানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমজান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির মাসও আর আসেনি। কেননা, মুমিনগণ এ মাসে (গোটা বছরের জন্য) ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ করে। আর মুনাফিকরা তাতে মানুষের উদাসীনতা ও দোষত্রুটি অন্বেষণ করে। এ মাস মুমিনের জন্য গনীমত আর মুনাফিকের জন্য ক্ষতির কারণ। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস ৮৩৬৮)।

মুহাদ্দিসীনে কেরাম বলেন, মুমিন বান্দারা যাতে রমজান মা’সের অতি মূল্যবান ও বরকতপূর্ণ সময় নেক কাজে ব্যয় করতে পারে এবং মুনা’ফিকদের মতো খায়ের ও বরকত থেকে বিরত না থাকে, তাই আল্লাহ তায়ালা এ মাসের শুরু থেকেই সৃষ্টিজগতে এমন আবহ সৃষ্টি করেন, যা পুরো পরিবেশকেই রহমত-বরকত দ্বারা আচ্ছাদিত করে দেয় এবং মুমিনদের ইবাদত-বন্দেগি ও নেক আমলের উৎসাহ-উদ্দীপনা জোগাবে।

তাদের পূণ্য ও প্রতিদানের সুসংবাদ দিতে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং পাপাচার ও খারাপ কাজ হতে বিরত রাখতে জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। সব ধরনের ফিতনা-ফাসাদ ও অনিষ্ট হতে রক্ষা করতে কুমন্ত্রণাদাতা দুষ্টু জিন ও শয়তানদেরকে শিকল লাগিয়ে আবদ্ধ করা হয়। তারপর কল্যাণের পথে অগ্রগামী হওয়ার ও অন্যায় থেকে নিবৃত্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় একদিন রোজা রাখা : হজরত হুযায়ফা (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার বু’কের সঙ্গে মিলিয়ে নিলাম, তারপর তিনি বললেন, যে ব্য’ক্তি লাইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, যে ব্য’ক্তি আল্লা’হর সন্তুষ্টি কামনায় একদিন রোজা রাখবে, মৃত্যু পরে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর স’ন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো দান-সদকা করে; মৃ’ত্যু পর সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২৩৩২৪)।