ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

কুমিল্লার আলোচিত ৬৫ বছর বয়সী সামসু মরিয়মের বিয়ে ভুয়া কাজী আটক

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৬ ০৫:২৭:১০ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৬ ০৫:২৭:১০

স্টাফ রিপোর্টঃ সামসু মরিয়মের বিয়ের ভুয়া কাজী সরওয়ার কে আটক করেছে কুমিল্লা কোতয়ালী থানা পুলিশ। কুমিল্লা মহানগরীর ৭ নং ওয়াডের কাজী মজিবুর রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।জানাযায় আটক সরওয়ার কাজী মজিবুর রহমানের স্বাক্ষর সিল নকল করে সামসু মরিয়মের বিয়ে পড়ায়।

৬৫ বছরের প্রেমিক খ্যাত কুমিল্লার সেই শামসুল গ্রেপ্তার!

মোঃনাছির আহাম্মেদ (লালমাই) -কুমিল্লার লালমাইয়ের চাঞ্চল্যকর বিয়ের রহস্যময় ঘটনার ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া মরিয়মের আলোচিত স্বামী ৬৫ বছরের শামু খ্যাত শামসুল হক লালমাই থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার।১৪ই মে বিকালে মরিয়মের মা তাসলিমা আকতারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৪ মে বিকালে কিশোরীর মা তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে সামছল হকের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২/৩জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধন ২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় লালমাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অসম পরিণয় ৬৫ বছরের বৃদ্ধের সাথে ১৩ বছরের কিশোরীর বিয়ের ঘটনায়

পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের পেরুল গ্রামের সামছল হক সামুর কথিত কিশোরী স্ত্রীকে আজ বিকাল ৫.৩০ তাদের হরিশ্চর বাজার স্কুল সংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে মরিয়ম আক্তারকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বর সামুকে তার নিজ গ্রাম পূর্ব পেরুল থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, মরিয়ম আক্তারের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বৃদ্ধ সামছল হক কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার হেফাজত থেকে অপহৃত মরিয়মকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। ধৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

মরিয়মের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়,লালমাই উপজেলার পেরুল গ্রামের ইমাম হোসেনের মেয়ে মেয়ে মরিয়ম আক্তার কে একই উপজেলার পূর্ব পেরুল দিঘীরপাড় উত্তরপাড়ার রিকশাচালক রিকশাচালক শামসুল হক সহ এলাকার আরো কয়েকজন ব্যক্তি সহ বিগত ১০-৫-২০২০ ভোর ৫ টার সময় রিক্সাযোগে রিকশাচালকসহ তুলে তুলে নিয়ে যায় এরপর তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তার মা মা তাসলিমা আক্তার।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’