ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

ভোলায় শত শত হাঙ্গর নিধন করে তৈরি করা ২১ ব্যারেল তেল জব্দ

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৬ ০৫:০১:২৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৬ ০৫:০৪:৫০

ভোলার চরফ্যাশনের সাগার মোহানায় শত শত হাঙ্গরপোনা নিধন করে তা দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে তেল ও শুঁটকি।

বৃহস্পতিবার বিকালে চরফ্যাশন বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে বন স্টাফরা উপজেলার আহমদপুর ইউনিয়নের মায়াব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার হাঙ্গরপোনা ও ২১ ব্যারেল তেল জব্ধ করেন।

তবে অভিযানের আভাস পেয়েই চক্রের হোতারা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ এলাকার আনোয়ার হোসেন, ইয়াছিন ও আলমগীর এ চক্রের সঙ্গে জড়িত।

রেঞ্জ অফিসার মো. আলাউদ্দিন জানান, গোপন সংবাদেও ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব হাঙ্গরপোনা ও তেল উদ্ধার করা হয়। পরে বন বিভাগের কর্মীরা জব্দকৃত হাঙ্গরপোনা মাটিতে পুঁতে দিয়ে নষ্ট করেন।

বন বিভাগ স্টাফ সুমন দাস জানান, ঝুঁকি নিয়েই ওই এলাকায় অভিযান চালাই। এসব হাঙ্গর শুঁটকি ও তেল বিদেশে পাচার করা হয় বলে মনে করছে স্থানীয়রা ।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’