ঢাকা, আজ রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

যে কারণে এশিয়া জুড়ে আঞ্চলিক বিরোধে জড়াচ্ছে চীন

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৬ ০৫:০২:১১ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৬ ০৫:০৬:২৭

ভারতীয় সীমান্তে চীনা আগ্রাসন বৃদ্ধি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না। একটি ধারণা তৈরি হয়ে গেছে যে এশিয়াজুড়ে চীন ভূখণ্ডগত বিতর্ক ব্যাপকভাবে উসকে দিচ্ছে। মূলত কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে চীনে বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলো যাতে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যেতে না পারে তা নিশ্চিত করতেই দেশটি এমন ঝুঁকি নিতে যাচ্ছে। খবর-দ্য ইকোনোমিকস টাইমস

ভারত থেকে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান এবং মালায়েশিয়া সীমান্তে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আগ্রাসনের হাওয়া বইছে মনে হচ্ছে। গবেষণা বলছে, এশিয়ার অন্যান্য বাজারগুলো পর্যাপ্ত স্থিতিশীল নয় বিনিয়োগ সরানো হতে পারে এমন পরামর্শের পরই পিপলস লিবারেশন আর্মিকে (পিএলএ) এভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গালওয়ান নদীর দুইপাশে চীন সেনা জড়ো করে ভারতীয় সীমান্ত লাদাখ ও সিকিমে তিন সপ্তাহ ধরে পরিষ্কারভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে।

খবরে বলা হচ্ছে, অমীমাংসিত সীমান্তে মাঝে মাঝে সেনা অবস্থান করে, তবে সেখানে দুটি দেশের একযোগে পদক্ষেপ বিরল। এ ছাড়া, আশংকা করা হচ্ছে, বিতর্কিত লিপুলেখ পাসের রাস্তা নিয়ে নেপালের সঙ্গে বর্তমান সীমান্ত সংঘাতও বেইজিংয়ের নীরব সমর্থন পেতে পারে।

দক্ষিণ চীন সাগরে পিএলএ নৌবাহিনী আক্রমণাত্মক নৌ-মহড়া চালাচ্ছে। ভিয়েতনাম গত মাসে চীনা নৌবাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার পরে একটি মাছ ধরার নৌকা হারিয়েছে।

নয়া দিল্লির একটি মূল্যায়নে দেখা গেছে, সবগুলো সীমান্তে আগ্রাসনের কারণ হচ্ছে ১ হাজারের বেশি ফার্ম কোভিড পরবর্তী বিশ্বে চীন থেকে ভারত ও অন্যান্য দেশে স্থানান্তরের জন্য আলোচনা করছে।

ভারত ছাড়াও, আকৃষ্ট কাজের চেষ্টা করা কিছু দেশ চীন থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভিয়েতনাম হল আরেকটি সম্ভাব্য গন্তব্য যা অতীতে বাজার দখল করতে সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্দোনেশিয়া একটি জি-২০ অর্থনীতি। এটি ব্যবসায়ের জন্য চীনের বাইরে বিকল্প খুঁজছে।

ইন্দোনেশিয়ার অনন্ত তিন জেলেকে হত্যার নেতৃত্ব ও ভার্চুয়াল দাসত্বের জন্য অভিযোগ এনে চীনা মৎস্য কোম্পানির বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার সরকার।এটিকে অমানবিক চিকিৎসা বলেও আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এছাড়া চীনা মাছ ধরার নৌকা ইন্দোনেশিয়া একচেটিয়া মৎস্য শিকার অঞ্চলে ঢোকার অভিযোগ এনেছে জার্কাতা। এতে চীন ও ইন্দোনেশিয়ার উত্তেজনার হুমকি রয়েছে।

সূত্র বলছে, চীন বিভিন্ন দেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে চাপ সৃষ্টি করছে।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’