ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

টেঁটাবিদ্ধ করে মেয়েকে হ’ত্যায় আ’লীগ নেতার বিচার চাইলেন মা

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৫ ১৬:৪১:৫৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৬ ০৮:০৪:৫০

নরসিংদীর রায়পুরায় ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী সোনিয়া হ’ত্যার বিচার দাবিতে ভেলানগরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার মা ও পরিবার।

বৃহস্পতিবার এ সংবাদ সম্মেলনে আসামিদের গ্রে’ফতারের দাবি জানিয়ে বিচার চাইলেন তারা।

নি’হত স্কুলছাত্রী সোনিয়া আক্তারের মা জ্যোৎস্না বলেন, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে চাঁনপুর ইউনিয়নের আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া আমাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তারা দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে হাম’লা চালায়।

ওই সময় বাবুল মিয়া আমার স্বামীকে মা’রধর করতে থাকলে বাবাকে বাঁচাতে মেয়ে সোনিয়া এগিয়ে যায়। এ সময় ঘা’তক বাবুল মিয়া ও তার সন্ত্রা’সী দল আমার কোমলমতি মেয়েকে টেঁ’টা বিধিয়ে হ’ত্যা করে। আমি এর বিচার চাই।

সংবাদ সম্মলনে অভি’যোগ করে জ্যোৎস্না আরও বলেন, হ’ত্যা মা’মলা প্র’ত্যাহার না করলে জীবননাশের হু’মকি দিচ্ছে আসামিরা। আমরা নিরাপত্তাহী’নতায় ভুগছি।

এদিকে পৃথক একটি মাম’লায় স্কুলছাত্রী হ’ত্যা মাম’লার প্রধান আসামি বাবুল মিয়াকে গ্রে’ফতার করেছে নবীনগর থানা পু’লিশ।

চাঁনপুর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. শুক্কুর আলী বলেন, গ্রে’ফতার বাবুল মিয়া পুরো গ্রামের মানুষের ওপর অ’ত্যাচার করে আসছেন। এর আগে তিনি মুক্তিযো’দ্ধা অফিস, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভা’ঙচুর করেছেন। কিন্তু তার কোনো বিচার হয়নি। তার ওপর দুটি হ’ত্যাকাণ্ডের মাম’লাও চলছে। আমরা তার ফাঁ’সি চাই।

উল্লেখ্য, নিহত সোনিয়া আক্তার (১৩) রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের জালাল মিয়ার মেয়ে ও সদাকরকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে জেলার রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া ও ইউনিয়ন যুব’লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির মিয়ার মধ্যে দ্ব’ন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে বাবুল সমর্থক’রা টেঁটা-বল্ল’মসহ দেশীয় অ’স্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজনের বাড়িঘর ভা’ঙচুর করে। ঘর বাঁচাতে জালাল মিয়া নামে এক গ্রামবাসীকে মা’রধর করতে থাকলে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সোনিয়া আক্তার এগিয়ে আসে। এ সময় প্রতিপক্ষরা সোনিয়াকে টেঁ’টাবিদ্ধ করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা’রা যায় সোনিয়া।

এ ঘটনায় বাবুল মিয়াকে প্রধান আ’সামি করে রায়পুরা থা’নায় হ’ত্যা মামলা করা হয়।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’