ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

করোনা সময়ে কোরআন পড়ে সময় কাটাচ্ছেন এরদোগান

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৫ ১৬:০৬:২৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৫ ১৬:০৬:২৭

করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে পুরো বিশ্ব। ভাইরাসটি আঘাত হেনেছে তুরস্কেও। ভাইরাস মোকাবেলা করতে ব্যস্তময় সময় পার করার মধ্যেও সুললিত কন্ঠে কোরআন তেলাওয়াত করছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।

গতকাল বুধবার (১৩ মে) আল জাজিরা ) তুর্কি প্রেসিডেন্টের এই ভিডিও নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যাচ্ছে, বিশুদ্ধ উচ্চারণে এরদোগান কোরআন শরীফের ২৫তম পারা থেকে তেলাওয়াত করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে সম্প্রতি দেখা গেছে, কোরআন শরীফ খতম করতে অফিসের চেয়ারে বসেই তিলাওয়াত করছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান।
ধর্মানুরাগী হিসেবে ব্যাপক সুনাম রয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের।

বিভিন্ন সভা-সেমিনারে তার ধর্মীয় আলোচনা ও পবিত্র কোরআনের মনোমুগ্ধকর তিলাওয়াত বিশ্বের অসংখ্য মানুষের মন ছুঁয়েছে।
ভিডিওতে একজন মন্তব্য করেছেন, প্রেসিডেন্টের কোরআন খতমে আমি সীমাহীন আনন্দ অনুভব করছি, আসলে মুসলিম উম্মাহর জন্য এমন একজন মানুষেরই নেতৃত্ব প্রয়োজন।

আরেকজন লিখেছেন, আগে অনেক সরকারপ্রধানকে রমজানে দিনের বেলায় পানাহার করতে দেখতাম, সেখানে এরদোগান রোজা রেখে অফিস করছেন এবং সেখানেই কোরআন খতম করছেন- এরচেয়ে খুশির খবর আর কি আছে।

তবে কোরআন তিলাওয়াতের ভিডিও প্রকাশ করায় এরদোগানের ওপর চটেছেন অনেকেই। কেউ কেউ মন্তব্য করে বলেছেন, এটা দেখানোর জিনিস নয়। সমালোচনা কিছু থাকলেও তার ভক্ত ও ইসলামপ্রিয় মানুষের মধ্যে তা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আর বিশ্বব্যাপি আলোড়নও সৃষ্টি করেছে।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’