ঢাকা, আজ রোববার, ১ নভেম্বর ২০২০

কুরআনের অলৌকিকতা : ভেন্টিলেশন থেকে ফিরেই নাস্তিক থেকে মুসলিম হলেন এক সাংবাদিক

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৫ ১০:১৩:৩২ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৫ ১০:১৩:৩২

ইসলাম ডেস্ক : সাংবাদিক তাসের মাহমুদ। একজন অবিশ্বাসী ছিলেন।অসুস্থ হয়ে ছিলেন ভেন্টিলেশনে। সেখান থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে আনলেন নিজ জীবনে আমূল পরিবর্তন। হলেন পাক্কা মুসলিম। কিন্তু কেন? কি এমন ঘটনা ঘটেছিলো ভেন্টিলেশনে? কি সেই রহস্য ?

নিউইয়র্কে টাইম টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক তাসের তার আমূল পরিবর্তন হওয়ার কাহিনী অকপটে স্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে ভেন্টিলেশনে থাকার সময় ঘোরের মধ্যে জোরে জোরে আল-কোরআনের কিছু আয়াত পড়ছিলাম। আমি যখন সুস্থ্য হয়ে উঠি, তখন সেখানকার এক নার্স আমাকে একথা বলে।ভারতীয় নাগরিকদের নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে ভারতে ইহুদীবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের মত সাধারণ নাগরিকদের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, দেশটির সেনাবাহিনীতে তিন বছরের জন্য কাজের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন সাধারণ নাগরিকেরা। ‘ট্যুর অফ ডিউটি’ পরিকল্পনার আওতায় সাধারণ নাগরিকদের এই সুযোগ দিচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

এমন সিদ্ধান্তের ফলে এবার ভারতের সাধারণ মানুষও চাইলে তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। অফিসার-সহ বিভিন্ন পদমর্যাদায় কাজ করার সুযোগ পাবেন তারা। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষ নন, আধাসেনা ও কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকেও কর্মীদের ভারতীয় সেনায় যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। সাত বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করার পরে ফের নিজের নিজের জায়গায় ফিরে যাবেন তারা। তবে এ সিদ্ধান্ত ইজরাইয়েলের মত বাধ্যতামূলক নয়।

জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে আলোচনা করছেন ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধানরা। একবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেলেই তা ঘোষণা করা হবে। এই সিদ্ধান্তের প্রধান উদ্দেশ্য হল মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেম আরো জাগিয়ে তোলা। সেইসঙ্গে ১৩ লাখ সেনা জওয়ানদের জীবন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আরো বেশি ওয়াকিবহাল করে তোলা।

বৃহস্পতিবার( ১৪ মে) ভারতীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল অমন আনন্দ জানান, ‘সাধারণ মানুষকে সেনাবাহিনীতে যোগদান করানোর এই পদক্ষেপ সত্যিই নজিরবিহীন। প্রাথমিকভাবে ১০০ অফিসার ও ১০০০ কর্মীকে নিয়োগ করার কথা ভাবা হচ্ছে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্যুর অফ ডিউটি’ বা ‘থ্রি ইয়ার্স শর্ট সার্ভিস’। ভারতের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই এমন আছেন, যারা সেনা জওয়ান হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার না গড়তে চাইলেও আর্মির জীবন উপভোগ করে দেখতে চান। তাদের জন্য এটা দূরন্ত এক সুযোগ।’

সেনা সূত্রে খবর, এই পদক্ষেপ নেওয়া হলে ভারতীয় সেনাবাহিনী আর্থিকভাবেও লাভবান হবে। কারণ বর্তমানে ১০ থেকে ১৪ বছরের জন্য জওয়ানদের সেনায় নিয়োগ করা হয়। কিন্তু তিন বছরের জন্য কাউকে নিয়োগ করা মানে তার কাজের সময় অনেকটা কম। ফলে গ্রাচুইটি, পেনশন ও অন্যান্য প্যাকেজ তিনি পাবেন না। তার জন্য অনেক কম খরচ হবে সেনাবাহিনীর।

খরচ কতটা কম হতে পারে, তা নিয়ে একটা তুলনামূলক আলোচনা করেও দেখা হয়েছে। এই মুহূর্তে একজন জওয়ান প্রশিক্ষণ নিয়ে সেনাবাহিনীতে ভর্তি হওয়ার পর ১৪ বছর পরে তার অবসরের মাঝে ভারতীয় মুদ্রায় ৫ কোটি ১২ লাখ টাকা খরচ হয় তার পিছনে। যদি কোনো অফিসার র‍্যাঙ্কের জওয়ান হন, তাহলে খরচ হয় ৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

কিন্তু সেখানে একজন তিন বছরের জন্য যুক্ত হলে তার পেছনে মাত্র ৮০ থেকে ৮৫ লাখ টাকা খরচ হবে। এই প্রকল্পের আওতায় যদি প্রথমে ১০০০ জওয়ান নেওয়া হয়, তাহলে সেখানেই সেনাবাহিনীর ১১ হাজার কোটি টাকার খরচ বাঁচে।ঈদ সামনে রেখে দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এভাবে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রের প্রতিটি মানুষই যেন কোনো না কোনোভাবে সহায়তা পান, সেটি নিশ্চিত করতে চান তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের কাছে সরকার সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারই অংশ হিসেবে আজ ৫০ লাখ পরিবারের কাছে নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর আগে দেশের ৬ হাজার ৯৫৯টি কওমি মাদরাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের জন্যও সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যে আমাদের মসজিদগুলো স্বাভাবিকভাবে চলছে না। এই রোজার মাসে আমাদের মসজিদগুলোতে অনেক মানুষ আসে। অনেক টাকা-পয়সা ওঠে। কিন্তু এবার তেমন সুযোগ হচ্ছে না। আমি খবর নিয়েছি, মসজিদ কমিটিতে যারা আছেন, বিত্তশালী যারা আছেন, তারা সহায়তা করছেন। তারপরও আমি ভেবেছি, আমার পক্ষ থেকে কিছু করা দরকার।

শেখ হসিনা বলেন, আমাদের কাছে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের তালিকা আছে। এই রমজানে মসজিদ-মাদরাসা বন্ধ থাকায় তারা অসুবিধায় রয়েছে। ঈদের আগে তাদের আমরা সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব। ঈদকে সামনে রেখে আমরা এই সহায়তা পৌঁছে দেবো।