ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

এইবার ধেয়ে আসেতে পারে ৮০ কিমি বেগের ঝড়!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৫ ১০:১১:১৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৫ ১০:১১:১৫

নিউজ ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্যত্র ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আভাস রয়েছে। তাই সব নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টা পর্যন্ত দেওয়া এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁ’শিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ১৫ মে নাগাদ এটি নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ১৬ মে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি সঞ্চয় করবে। তাই সব মাছ ধরা নৌকাকে গভীর সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে যারা গভীর সমুদ্রে রয়েছে তাদের দ্রুত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। এটি আগামী ১৯ মে নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে গতিমুখ ফেরাতে পারে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়, আসাম, বরাক উপতক্যা ও ত্রিপুরা উল্লেখ্যযোগ্য বৃষ্টিপাতের আভাস নেই। তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানির সমতল হ্রাস পেতে পারে।

পাউবোর নিয়ন্ত্রণাধীন ৩৯টি পয়েন্টের মধ্যে বিভিন্ন নদ-নদীর ২৪টি পয়েন্টে পানির সমতল হ্রাস পেয়েছে। সারিগোয়াইন ও মনু নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর ১৪টি পয়েন্টে পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরিবর্তিত আছে একটি পয়েন্টের পানির সমতল।ভারতীয় নাগরিকদের নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে ভারতে ইহুদীবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের মত সাধারণ নাগরিকদের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, দেশটির সেনাবাহিনীতে তিন বছরের জন্য কাজের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন সাধারণ নাগরিকেরা। ‘ট্যুর অফ ডিউটি’ পরিকল্পনার আওতায় সাধারণ নাগরিকদের এই সুযোগ দিচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

এমন সিদ্ধান্তের ফলে এবার ভারতের সাধারণ মানুষও চাইলে তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। অফিসার-সহ বিভিন্ন পদমর্যাদায় কাজ করার সুযোগ পাবেন তারা। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষ নন, আধাসেনা ও কেন্দ্রীয় বাহিনী থেকেও কর্মীদের ভারতীয় সেনায় যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। সাত বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করার পরে ফের নিজের নিজের জায়গায় ফিরে যাবেন তারা। তবে এ সিদ্ধান্ত ইজরাইয়েলের মত বাধ্যতামূলক নয়।

জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে আলোচনা করছেন ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধানরা। একবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেলেই তা ঘোষণা করা হবে। এই সিদ্ধান্তের প্রধান উদ্দেশ্য হল মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেম আরো জাগিয়ে তোলা। সেইসঙ্গে ১৩ লাখ সেনা জওয়ানদের জীবন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আরো বেশি ওয়াকিবহাল করে তোলা।

বৃহস্পতিবার( ১৪ মে) ভারতীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল অমন আনন্দ জানান, ‘সাধারণ মানুষকে সেনাবাহিনীতে যোগদান করানোর এই পদক্ষেপ সত্যিই নজিরবিহীন। প্রাথমিকভাবে ১০০ অফিসার ও ১০০০ কর্মীকে নিয়োগ করার কথা ভাবা হচ্ছে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্যুর অফ ডিউটি’ বা ‘থ্রি ইয়ার্স শর্ট সার্ভিস’। ভারতের যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই এমন আছেন, যারা সেনা জওয়ান হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার না গড়তে চাইলেও আর্মির জীবন উপভোগ করে দেখতে চান। তাদের জন্য এটা দূরন্ত এক সুযোগ।’

সেনা সূত্রে খবর, এই পদক্ষেপ নেওয়া হলে ভারতীয় সেনাবাহিনী আর্থিকভাবেও লাভবান হবে। কারণ বর্তমানে ১০ থেকে ১৪ বছরের জন্য জওয়ানদের সেনায় নিয়োগ করা হয়। কিন্তু তিন বছরের জন্য কাউকে নিয়োগ করা মানে তার কাজের সময় অনেকটা কম। ফলে গ্রাচুইটি, পেনশন ও অন্যান্য প্যাকেজ তিনি পাবেন না। তার জন্য অনেক কম খরচ হবে সেনাবাহিনীর।

খরচ কতটা কম হতে পারে, তা নিয়ে একটা তুলনামূলক আলোচনা করেও দেখা হয়েছে। এই মুহূর্তে একজন জওয়ান প্রশিক্ষণ নিয়ে সেনাবাহিনীতে ভর্তি হওয়ার পর ১৪ বছর পরে তার অবসরের মাঝে ভারতীয় মুদ্রায় ৫ কোটি ১২ লাখ টাকা খরচ হয় তার পিছনে। যদি কোনো অফিসার র‍্যাঙ্কের জওয়ান হন, তাহলে খরচ হয় ৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

কিন্তু সেখানে একজন তিন বছরের জন্য যুক্ত হলে তার পেছনে মাত্র ৮০ থেকে ৮৫ লাখ টাকা খরচ হবে। এই প্রকল্পের আওতায় যদি প্রথমে ১০০০ জওয়ান নেওয়া হয়, তাহলে সেখানেই সেনাবাহিনীর ১১ হাজার কোটি টাকার খরচ বাঁচে।ঈদ সামনে রেখে দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের ‘ঈদ উপহার’ হিসেবে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এভাবে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রের প্রতিটি মানুষই যেন কোনো না কোনোভাবে সহায়তা পান, সেটি নিশ্চিত করতে চান তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের কাছে সরকার সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারই অংশ হিসেবে আজ ৫০ লাখ পরিবারের কাছে নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর আগে দেশের ৬ হাজার ৯৫৯টি কওমি মাদরাসাকে ৮ কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের জন্যও সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যে আমাদের মসজিদগুলো স্বাভাবিকভাবে চলছে না। এই রোজার মাসে আমাদের মসজিদগুলোতে অনেক মানুষ আসে। অনেক টাকা-পয়সা ওঠে। কিন্তু এবার তেমন সুযোগ হচ্ছে না। আমি খবর নিয়েছি, মসজিদ কমিটিতে যারা আছেন, বিত্তশালী যারা আছেন, তারা সহায়তা করছেন। তারপরও আমি ভেবেছি, আমার পক্ষ থেকে কিছু করা দরকার।

শেখ হসিনা বলেন, আমাদের কাছে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের তালিকা আছে। এই রমজানে মসজিদ-মাদরাসা বন্ধ থাকায় তারা অসুবিধায় রয়েছে। ঈদের আগে তাদের আমরা সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব। ঈদকে সামনে রেখে আমরা এই সহায়তা পৌঁছে দেবো।