ঢাকা, আজ শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাবা-ছেলে মিলে পি’টিয়েই ‘মে’রে ফেলল’ সবুরকে

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৫ ০৪:৪৬:২৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৫ ১০:২৪:৫৩

পারিবারিক কলহের জেরে দুলাভাই ও ভাগ্নের লা’টির আ’ঘাতে সবুর শিকদার (৫০) নামে এক ব্যক্তি নি’হত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের বাধাল গ্রামের রাধালক্ষী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এ হ’তাহ’তের ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সবুরের মরদেহ উ’দ্ধার করে।

নি’হত সবুর শিকদার বাধাল গ্রামের সামছু শিকদারের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আলতাফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে সবুর শিকদার ও তার স্ত্রীর মধ্যে ঝ’গড়া হয়। তখন সবুরের প্রতিবেশী দুলাভাই আলতাফ শেখ (৪৫) সবুরের বাড়িতে এসে ঝগড়া করছ কেন এই বলে সবুরকে চড় থাপ্পড় মারে। সবুরও পাল্টা ধাক্কা দেয় আলতাফকে। এক পর্যায়ে আলতাফ শেখ তার ছেলেকে ফোন করে বলে সবুর আমাকে মে’রেছে। আলতাফের ছেলে প্রিন্স ওরফে রনি (২২) মোরেলগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসেন।

বিকেলে রনি ও তার বাবা আবার সবুরের বাড়িতে যায়। বাব-বেটা দুজনে মিলে সবুরকে গাবের লা’টি দিয়ে মা’রপিট ও কি”লঘুষি মারে। এতে ঘটনাস্থলে সবুর মা’রা যায়।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল সাঈদ বলেন, আলতাফ ও আলতাফের ছেলের মা’রপিটে সবুরের নি’হতের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকেই আলতাফ ও তার ছেলে রনি পলাতক রয়েছে। মা’মলা দা’য়েরের প্রস্তুতি চলছে।ইসলাম ডেস্ক : সিরিয়ার এক ক্যালিগ্রাফিক একনিষ্ঠ পরিশ্রম করে সোনালী রঙ্গের সোনার সুতো দিয়ে পবিত্র কোরআনের আয়াত সেলাই করে এক খণ্ড কোরআন লেখার কাজ সম্পন্ন করেছেন। স্বর্ণের এই কোরআন শরিফের পাণ্ডুলিপিটি ক্রয় করার জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার প্রস্তাব দিলে সিরিয়ার এই ক্যালিগ্রাফিক সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

সিরিয়ার ক্যালিগ্রাফিক মাহের আল-হাজারি সিরিয়ার আলেপ্পা থেকে হিজরত করে তুরস্কের ব্রসা শহরে জীবনযাপন করছেন। তিনি আশাবাদী, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তিনি যে কোরআন শরিফটি সম্পন্ন করেছেন দর্শনার্থীদের পরিদর্শনের জন্য সেটি জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকুক।

রাশিয়ার আল-ইয়াউম সংবাদপত্র জানিয়েছে, সিরিয়ার এই ক্যালিগ্রাফিক সোনার সুতো দিয়ে লিখে যে পবিত্র কোরআনটি সম্পন্ন করেছে, সেটি ইস্তাম্বুলে ইন্টারন্যাশনাল আরবি গ্রন্থ মেলায় উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সেখানে অনেক গ্রাহকই এই অনন্য ও অসাধারণ কোরআনটি ক্রয় করার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ সম্পর্কে ক্যালিগ্রাফিক মাহের আল-হাজারি বলেন, আমি এই কোরআন শরিফটি বিক্রয় করতে প্রস্তুত নয়। কারণ, আর্থিক সুবিধা ভোগ করার জন্য আমি কোরআন শরিফের পিছনে সময় ব্যয় করিনি।

তিনি বলেন, এই কোরআন শরিফের কাজ কারার জন্য আমি অনেক মনোযোগ সহকারে এর কাজ শেষ করেছি। কোরআন শরিফের প্রতি পৃষ্ঠার শুরুতে নতুন আয়াত শুরু হয়েছে এবং প্রতি পৃষ্ঠার শেষে আয়াত শেষ হয়েছে। সোনার সুতো দিয়ে এই কোরআন শরিফের পাণ্ডুলিপিটি লিখতে ৪ বছর সময় লেগেছে এবং এটি বিন্যাসে ৪ বছর সময় লেগেছে।

মাহের আল-হাজারি বলেন, পবিত্র কোরআনের ৩০ পারাকে মোট ১২টি খণ্ডে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি খণ্ডে আড়াই পারা করে আনা হয়েছে। প্রতি খণ্ডের ওজন ১৫ কিলোগ্রাম এবং মোড়ক সহকারে সকল খণ্ডের ওজন ২০০ কিলোগ্রাম। তিনি বলেন, এই কোরআন শরিফের কাজ করার সময় অনেক আলেম এর নজরদারি করেছেন।

সিরিয়ার এই ক্যালিগ্রাফিক বর্তমানে দর্জির কাজ করছে। দর্জি কাজের পাশাপাশি তিনি এই অসাধারণ কাজ করেন। কোরআন শরিফ ছাড়াও তিনি সেলাই করে অনেক ধর্মীয় গ্রন্থও লিখেছেন এবং পবিত্র কোরআনের আয়াতের সমন্বয়ে অনেক বোর্ডর কাজও করেছেন।-ইকনাআন্তর্জাতিক ডেস্ক : তার নাম ফিরোজা ইউনুস ওমর। এতিম ২০ জন নবজাতককে বুকের দুধ পান করাচ্ছেন তিনি। আফগানিস্তানের কাবুলের একটি হাসপাতালে সন্ত্রাসী হামলায় ওই ২০ শিশু এতিম হয়ে গেছে। ফিরোজা বলেন, আফগানিস্তানে যারা মানবিকতা ধ্বং’স করে দিতে চাই, তাদের দ্বারা বহু ক্ষতি হয়েছে। আমি ক্ষতিগ্রস্থদের একজন।

কাবুলের প্রসূতি হাসপাতালে গত মঙ্গলবার বন্দুকধারী তিনজন হা’মলা চা’লায়। ওই সময় অন্তত ২২ জনকে তারা হ’ত্যা করে। নিহতদের মধ্যে প্রসূতি, নবজাতক ও চিকিৎসক রয়েছে।
এখন পর্যন্ত কেউ সেই হা’মলার দায় স্বীকার করেনি। এ ঘটনার পর অন্তত ১২ জন শিশুর কোনো ধরনের অভিভাবক খুঁ’জে পাওয়া যায়নি।

তারা সবাই আতাতুর্ক হাসপাতালে আছে। তাদের মধ্যে একজনকে চিকিৎসার জন্য সেন্ট্রাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এতিম শিশুদের পালাক্রমে দুধ পান করাচ্ছেন ফিরোজা। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে তাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন বুহ মানুষ। সত্যিকারের সুপারহিরোর তকমাও পাচ্ছেন তিনি। সূত্র : আল আরাবিয়্যাহনিউজ ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। এছাড়া অন্যত্র ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আভাস রয়েছে। তাই সব নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টা পর্যন্ত দেওয়া এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁ’শিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ১৫ মে নাগাদ এটি নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ১৬ মে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি সঞ্চয় করবে। তাই সব মাছ ধরা নৌকাকে গভীর সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে যারা গভীর সমুদ্রে রয়েছে তাদের দ্রুত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। এটি আগামী ১৯ মে নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে গতিমুখ ফেরাতে পারে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়, আসাম, বরাক উপতক্যা ও ত্রিপুরা উল্লেখ্যযোগ্য বৃষ্টিপাতের আভাস নেই। তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টা দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানির সমতল হ্রাস পেতে পারে।

পাউবোর নিয়ন্ত্রণাধীন ৩৯টি পয়েন্টের মধ্যে বিভিন্ন নদ-নদীর ২৪টি পয়েন্টে পানির সমতল হ্রাস পেয়েছে। সারিগোয়াইন ও মনু নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর ১৪টি পয়েন্টে পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরিবর্তিত আছে একটি পয়েন্টের পানির সমতল।