ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

৬৫ বছরের প্রেমিক খ্যাত কুমিল্লার সেই শামসুল কে গ্রে.প্তার করেছে পু.লিশ।

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৫ ০৪:৪৪:২৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৫ ০৪:৪৯:২৪

মোঃনাছির আহাম্মেদ (লালমাই)-কুমিল্লার লালমাইয়ের চাঞ্চল্যকর বিয়ের রহস্যময় ঘটনার ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া মরিয়মের আলোচিত স্বামী ৬৫ বছরের শামু খ্যাত শামসুল হক লালমাই থা.না পু.লিশের হাতে গ্রে.ফতার।১৪ই মে বিকালে মরিয়মের মা তাসলিমা আকতারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৪ মে বিকালে কিশোরীর মা তাছলিমা বেগম বাদী হয়ে সামছল হকের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২/৩জনের বি.রুদ্ধে নারী ও শিশু নি.র্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধন ২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় লালমাই থা.নায় একটি অ.ভিযোগ দায়ের করেন। অ.ভিযোগের প্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অসম পরিণয় ৬৫ বছরের বৃ.দ্ধের সাথে ১৩ বছরের কিশোরীর বিয়ের ঘটনায়

পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের পেরুল গ্রামের সামছল হক সামুর কথিত কিশোরী স্ত্রীকে আজ বিকাল ৫.৩০ তাদের হরিশ্চর বাজার স্কুল সংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে মরিয়ম আক্তারকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বর সামুকে তার নিজ গ্রাম পূর্ব পেরুল থেকে গ্রে..ফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে লালমাই থানার অফিসার ই.নচার্জ মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, মরিয়ম আক্তারের মায়ের অ.ভিযোগের ভিত্তিতে বৃদ্ধ সামছল হক কে গ্রে.ফতার করা হয়েছে। তার হেফাজত থেকে অপ.হৃত মরিয়মকে উ.দ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ভি.কটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য কুমিল্লার বি.জ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। ধৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

মরিয়মের মায়ের অ.ভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়,লালমাই উপজেলার পেরুল গ্রামের ইমাম হোসেনের মেয়ে মেয়ে মরিয়ম আক্তার কে একই উপজেলার পূর্ব পেরুল দিঘীরপাড় উত্তরপাড়ার রিকশাচালক রিকশাচালক শামসুল হক সহ এলাকার আরো কয়েকজন ব্যক্তি সহ বিগত ১০-৫-২০২০ ভোর ৫ টার সময় রিক্সাযোগে রিকশাচালকসহ তুলে নিয়ে যায় এরপর তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তার মা মা তাসলিমা আক্তার।

পবিত্র কাবায় নামাজরত একজন মুসল্লি, তিনিই ক্লিনার

করোনার আতঙ্ক এখন গোটা বিশ্ব জুড়ে। বিশ্বর বেশিরভাগ দেশেই চলছে লকডাউন। এরই মধ্যে মক্কার ঐতিহাসিক মসজিদুল হারামের পবিত্র কাবা শরিফে চত্বরে চলাচলে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবার এই কাবা শরিফে নামাজরত একজন ক্লিনারের চিত্রকর্ম ভাইরাল হয়েছে।

কাবা শরিফে হাটু গেড়ে বসে আছে ওই পরিষ্কার কর্মী। চারিদিকে শূন্যতা ও স্থবিরতা। এমন একটি চিত্রকর্ম করোনার সময়ে মসজিদের পরিবেশকে তুলে ধরেছে। এই চিত্রটি করোনার সংক্রমণ থেকে মানুষকে দূরে রাখার জন্য মসজিদ বন্ধ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে প্রতিফলিত করে।

সৌদি চিত্রশিল্পী নাবিল আবুলযাদায়েল ছবিটি তৈরি করেছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে ইসজদ ওয়া ইকতারেব। এ ছবি বাস্তব চিত্রকে তুলে ধরেছে বলে দাবি করেছেন চিত্রশিল্পী। তিনি বলেন এই ছবিটি আমার জন্য অনুপ্রেরণা, এ এক অভূতূপুর্ব সৃষ্টি।

আমার সৌভাগ্য হয়নি মসজিদ আল হারামে যাওয়ার। গেল মাসে বন্ধ করা হয় মসজিদের সকল কার্যক্রম। তবে পরিষ্কারকর্মী যারা আছে তারা দিনরাত আল্লাহর সেবা করছে । এই ছবি এবং ছবির পিছনের ঘটনার প্রশংসা করেছেন মুসলিম জাতি।

কোরআন ও হাদিসের মাঝেই আল্লাহ পাক ও তার মাহবুব (সা.) সুসংবাদ দিয়েছেন ওই মানুষের ব্যাপারে যারা প্রতিকূল মুহূর্তে, বৈরী পরিবেশে মোটকথা সর্বাবস্থায় ধৈর্য ধারণ করে।ধৈর্যকে নিজ জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডে অলংকার হিসেবে ব্যবহার করে। এরা আল্লাহতায়ালার কাছে শ্রেষ্ঠ মানুষের মর্যাদা পায়। শ্রেষ্ঠত্বের মানদ’ণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে মাথায় পরে নানাবিধ সুসংবাদের মুকুট।

আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরষ্কার : আল্লাহতায়ালা ধৈর্যশীলদের জন্য আল কোরআনে সুসংবাদের ডালি সাজিয়েছেন।

১. হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজ দ্বারা সাহায্য প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৩) ২. এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভ’য়, ক্ষু’ধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরিক্ষা করব; এবং ওইসব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর। যাদের ওপর কোন বি’পদ নিপ’তিত হলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং অবশ্যই আমরা তার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। এদের ওপর তাদের রবের পক্ষ হতে শান্তি ও করুনা বর্ষিত হবে এবং এরাই সুপথগামী। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৫-৫৭)

ধৈর্যের আলোচনা আসলেই হযরত আইয়ুব (আ.) এর ঘ’টনা সামনে চলে আসে। রাজকীয় জীবন ছিল হযরত আইয়ুব (আ.) এর। আর আল্লাহ পাক যখন তার পরীক্ষা নিলেন তখন তার অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে উপনীত হল যে, জীবন উৎসর্গকারিনী এক গুণবতী, ধৈর্যশীলা স্ত্রী বিবি রহিমা ছাড়া আর কেউ তার স’ঙ্গ দিল না।

লোকা’লয়ের আ’শ্রয় হা’রিয়ে বনে হল তার ঠিকানা। দীর্ঘ আঠারো বছর যাবত পোকা মাকড় তাকে কু’রে করে খেতে থাকল। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, লম্বা এ সময়ে এক সেকেন্ডের জন্য অভি’যোগ তো দুরের কথা অনুযোগের সুর পর্যন্ত আনার কল্পনা করেননি; অথচ তখনও তিনি নবি এবং জিবরাঈল আলাইহিসসালাম তার কাছে নিয়মত যাতায়াত করেন। ধৈর্যের এমন কোন পথ নেই যে পথে তিনি হাটেননি! কঠিন এ পরীক্ষায় আল্লাহর রহমতে ধৈর্যের মাধ্যমে তিনি উত্তীর্ণ হলেন।

পবিত্র কোরআনে একাধিকবার আল্লাহ তাকে উল্লেখ করে কেয়ামত পর্যন্ত জীব’ন্ত রাখলেন। ধৈর্য কেমন ধ’রতে হয়, ধৈর্যের রূ’প কেমন হয় তার সবটাই দেখালেন হযরত আইয়ুব (আ.)।তাঁর সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, আমি তাকে পেলাম ধৈর্যশীল। কত উত্তম বান্দা সে! সে ছিল আমার অভিমুখী। (সুরা সোয়াদ, আয়াত নং ৪৪)

সুবহানাল্লাহ! ধৈর্যের জন্য কি বিষ্ময়কর স্বীকৃতি!