ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

দুই বোনকে পালাক্রমে গণধ’র্ষণ,পাঁচ ধ’র্ষক গ্রে’ফতার!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১৪ ১০:২৬:০৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৪ ১০:২৬:০৩

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলায় মহলবাড়ি গ্রামে আপন দুই বোনকে পালাক্রমে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে ৫ জনকে আ’টক করেছে রানীশংকৈল থানা পুলিশ।ধ’র্ষিতা আপন সহোদর দুই বোন হলেন দক্ষিন সন্ধারই গ্রামের বাসিন্দা।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার দুপুরে দুই বোন একসাথে মহালবাড়ির (সিডি অফেসের) রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে ধ’র্ষণের শি’কার হয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ক্ষুদ্র বাঁশবাড়ি গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে জহিরুল কৌশলে ওপেন দেবের বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে দুই বোনের হাত পা ওড়না দিয়ে বেঁধে সাথে থাকা কয়েকজনকে নিয়ে পালাক্রমে ধ’র্ষণ করে। এ ঘটনায় ভি’কটিম নিজেরাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করে।

বুধবার (১৩ মে) পাঁচজন আসামিকে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আসামিরা হলেন একই উপজেলার ক্ষুদ্র বাঁশবাড়ি গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে জহিরুল ইসলাম(২৮),বাবুল মিস্ত্রির ছেলে রুবেল (২৬), জ্যোতিষ চন্দ্র রায়ের ছেলে উপেনদেব (২৮), মহলবাড়ি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ফয়জুল আক্তার ফজলু (৩৫), ও দক্ষিণ সন্ধারই গ্রামের শহিদুলের ছেলে মিলনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

মামলার তদন্তকারী অফিসার ( পুলিশ পরিদর্শক,(তদন্ত) খাইরুল আলাম ডন বলেন, ধ’র্ষণ মাম’লার অ’ভিযোগে আসামীদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন আইন (সংশোধনী)২০০৩ এর ৯(৩)/৩০ ধারায় মামলা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক : অনেক মানুষ আছেন, যারা নিজের জীবন বাজি রেখে নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করেন মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়াতে। এ মুহূর্তেও আমাদের সমাজের অনেক মানুষ তাদের সাধ্যমত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য। খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ-পথ্য নিয়ে হাসিমুখে হাজির হচ্ছেন সাধারণ মানুষের দরজায়। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সজল কুমার কানুর একটি ঘটনা সত্যি আমাদের জন্য মানবতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।

৮ এপ্রিল, রাত তখন ১০টা পেরিয়ে গেছে। হঠাৎ সজল কুমার কানুর মোবাইলে একটি ফোন আসে। না, কোথাও কোনো খু’ন, হ’ত্যা, ডা’কাতি বা ধ’র্ষণ হয়নি। তারই থানার একেবারেই দুর্গম এলাকা কেচুটিলা গ্রাম। সেখানে এক অসহায় মা তার তিন সন্তান নিয়ে সারাদিন না খেয়ে আছেন। এ কথা শুনে ওসি কানুর ঘরে যা রান্না করা ছিল, তার সথে মেসের রান্না করা খাবার দুটি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে সাথে এসআই রাজীব, এএসআই সিরাজ ও মাহফুজকে নিয়ে মোটরবাইকে করে ছুটলেন প্রত্যন্ত এলাকা কেচুটিলার দিকে।

দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যখন কেচুটিলায় সেই মায়ের দরজার সামনে তারা দাঁড়ালেন, তখন ঘড়ির কাটা বারোটা ছুঁইছুঁই। মাটির ঘরের টিনের দরজায় কড়া নাড়তেই ভেতর থেকে পরিচয় জানতে চেয়ে পুলিশ শুনে ভ’ড়কে যান। তারপরও ভ’য়-ভী’তি নিয়ে দরজা খুলে দেখেন, দুই হাতে দুই টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন সজল কুমার কানু। ঘরে ঢুকে ওসি সজল কুমার কানু ক্ষু’ধার য’ন্ত্রণায় কাতর হয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া সন্তানদের ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলেন। এরপর নিজ হাতে খাইয়ে মায়ের হাতে নগদ পাঁচশ টাকা দিয়ে ভোর রাতের দিকে ঘরে ফেরেন।

তাই মনে হয়, আজও আমাদের এ সমাজ তথা রাষ্ট্রে যেমন গরিব মানুষের মুখের অন্ন চুরি করে নিজের পকেট ভারি করার মতো অনেক মানুষ আছে। তেমনই আছেন সজল কুমার কানুদের মতো অনেক মানবদরদী কর্মকর্তা, নেতা ও জনপ্রতিনিধি। আজও আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র তথা বিশ্ব দাঁড়িয়ে আছে মানবতার ওপর ভর করেই। মানবতা আজও ম’রে যায়নি। দা’ফন হয়ে যায়নি। চিতার আ’গু’নেও পু’ড়ে যায়নি আমাদের মানবতা।