ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু, বাস থেকে মরদেহ নামিয়ে দিলেন যাত্রীরা

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১২ ১৬:৩০:১২ || আপডেট: ২০২০-০৫-১২ ১৬:৩০:১২

করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া এক যুবকে মরদেহ বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছেন যাত্রীরা। মঙ্গলবার (১২ মে) ভোরে জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিচমী বাজারে বাস থেকে ও যুবকের মরদেহ নামিয়ে দেন তারা।

ঢাকা থেকে হিলিগামী আহাদ পরিবহনের যাত্রী ছিলেন ওই যুবক মিজানুর রহমান এবং তার মা। নিহতের বাড়ি নওঁগার ধামুইরহাট উপজেলার মঙ্গলবাড়িতে।

জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহরিয়ার খান জানান, সকালে খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের বাড়ি সদরের মঙ্গলবাড়ি। ওই যুবকের শ্বাসকষ্ট ও জ্বর ছিল। মৃতদেহের নমুনা সংগ্রহ করেছে চিকিৎসক দল।

কুমিল্লায় ৬৫ বছরের পুরুষের সাথে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীর প্রেম! অতপর বিয়ে!

মোঃ নাছির আহাম্মেদঃকুমিল্লা লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড পেরুল গ্রামের দীঘির পাড় বাড়ির শামছল হক শামু পশ্চিম পেরুল গ্রামের ইমান আলীর মেয়ে মোসা: মরিয়ম আক্তার কে দীর্ঘদিন যাবৎ প্ররোচনা দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত ভুলিয়ে কুমিল্লা নিয়ে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ও ১ লক্ষ টাকা উসুল দিয়ে গত ১০ শে মে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৭ নং ওয়ার্ড কাজী মুজিবুর রহমানের অফিসে বিয়ে করেন। জানাযায়, মরিয়ম আক্তার পেরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রোল নং :৩২ স্কুলে যাওয়া আসার সময় মরিয়ম প্রায় শামছল হক শামুর রিক্সায় করে যাতায়াত করতেন তাছাড়া, বর শামছল হক শামুর ছোট মেয়ে বর্তমান স্ত্রী মরিয়ম আক্তার একই ক্লাসের ছাত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, শামছল হক শামুর মেয়ের বয়সী মেয়েকে বিয়ে করায় এলাকায় অনেক চাঞ্চল্যকর অবস্থা বিরাজ করছে, জনমনে নানা কথা উঠছে এলাকা জুড়ে, তাছাড়া অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া মরিয়ম আক্তার আজও সাবালিকা কিনা প্রশ্ন সবার মনে।

পবিত্র কাবায় নামাজরত একজন মুসল্লি, তিনিই ক্লিনার

করোনার আতঙ্ক এখন গোটা বিশ্ব জুড়ে। বিশ্বর বেশিরভাগ দেশেই চলছে লকডাউন। এরই মধ্যে মক্কার ঐতিহাসিক মসজিদুল হারামের পবিত্র কাবা শরিফে চত্বরে চলাচলে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবার এই কাবা শরিফে নামাজরত একজন ক্লিনারের চিত্রকর্ম ভাইরাল হয়েছে।

কাবা শরিফে হাটু গেড়ে বসে আছে ওই পরিষ্কার কর্মী। চারিদিকে শূন্যতা ও স্থবিরতা। এমন একটি চিত্রকর্ম করোনার সময়ে মসজিদের পরিবেশকে তুলে ধরেছে। এই চিত্রটি করোনার সংক্রমণ থেকে মানুষকে দূরে রাখার জন্য মসজিদ বন্ধ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে প্রতিফলিত করে।

সৌদি চিত্রশিল্পী নাবিল আবুলযাদায়েল ছবিটি তৈরি করেছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে ইসজদ ওয়া ইকতারেব। এ ছবি বাস্তব চিত্রকে তুলে ধরেছে বলে দাবি করেছেন চিত্রশিল্পী। তিনি বলেন এই ছবিটি আমার জন্য অনুপ্রেরণা, এ এক অভূতূপুর্ব সৃষ্টি।

আমার সৌভাগ্য হয়নি মসজিদ আল হারামে যাওয়ার। গেল মাসে বন্ধ করা হয় মসজিদের সকল কার্যক্রম। তবে পরিষ্কারকর্মী যারা আছে তারা দিনরাত আল্লাহর সেবা করছে । এই ছবি এবং ছবির পিছনের ঘটনার প্রশংসা করেছেন মুসলিম জাতি।

কোরআন ও হাদিসের মাঝেই আল্লাহ পাক ও তার মাহবুব (সা.) সুসংবাদ দিয়েছেন ওই মানুষের ব্যাপারে যারা প্রতিকূল মুহূর্তে, বৈরী পরিবেশে মোটকথা সর্বাবস্থায় ধৈর্য ধারণ করে।ধৈর্যকে নিজ জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডে অলংকার হিসেবে ব্যবহার করে। এরা আল্লাহতায়ালার কাছে শ্রেষ্ঠ মানুষের মর্যাদা পায়। শ্রেষ্ঠত্বের মানদ’ণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে মাথায় পরে নানাবিধ সুসংবাদের মুকুট।

আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরষ্কার : আল্লাহতায়ালা ধৈর্যশীলদের জন্য আল কোরআনে সুসংবাদের ডালি সাজিয়েছেন।

১. হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজ দ্বারা সাহায্য প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৩) ২. এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভ’য়, ক্ষু’ধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরিক্ষা করব; এবং ওইসব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর। যাদের ওপর কোন বি’পদ নিপ’তিত হলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং অবশ্যই আমরা তার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। এদের ওপর তাদের রবের পক্ষ হতে শান্তি ও করুনা বর্ষিত হবে এবং এরাই সুপথগামী। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৫-৫৭)

ধৈর্যের আলোচনা আসলেই হযরত আইয়ুব (আ.) এর ঘ’টনা সামনে চলে আসে। রাজকীয় জীবন ছিল হযরত আইয়ুব (আ.) এর। আর আল্লাহ পাক যখন তার পরীক্ষা নিলেন তখন তার অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে উপনীত হল যে, জীবন উৎসর্গকারিনী এক গুণবতী, ধৈর্যশীলা স্ত্রী বিবি রহিমা ছাড়া আর কেউ তার স’ঙ্গ দিল না।

লোকা’লয়ের আ’শ্রয় হা’রিয়ে বনে হল তার ঠিকানা। দীর্ঘ আঠারো বছর যাবত পোকা মাকড় তাকে কু’রে করে খেতে থাকল। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, লম্বা এ সময়ে এক সেকেন্ডের জন্য অভি’যোগ তো দুরের কথা অনুযোগের সুর পর্যন্ত আনার কল্পনা করেননি; অথচ তখনও তিনি নবি এবং জিবরাঈল আলাইহিসসালাম তার কাছে নিয়মত যাতায়াত করেন। ধৈর্যের এমন কোন পথ নেই যে পথে তিনি হাটেননি! কঠিন এ পরীক্ষায় আল্লাহর রহমতে ধৈর্যের মাধ্যমে তিনি উত্তীর্ণ হলেন।

পবিত্র কোরআনে একাধিকবার আল্লাহ তাকে উল্লেখ করে কেয়ামত পর্যন্ত জীব’ন্ত রাখলেন। ধৈর্য কেমন ধ’রতে হয়, ধৈর্যের রূ’প কেমন হয় তার সবটাই দেখালেন হযরত আইয়ুব (আ.)।তাঁর সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, আমি তাকে পেলাম ধৈর্যশীল। কত উত্তম বান্দা সে! সে ছিল আমার অভিমুখী। (সুরা সোয়াদ, আয়াত নং ৪৪)

সুবহানাল্লাহ! ধৈর্যের জন্য কি বিষ্ময়কর স্বীকৃতি!