ঢাকা, আজ রোববার, ১ নভেম্বর ২০২০

কক্সবাজারে ধ.র্ষণ মামলার আ.সামি ‘বন্দু.কযু.দ্ধে’ নি.হত

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১২ ১৬:১৬:০৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-১২ ১৬:১৬:০৫

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দু.কযু.দ্ধে’ ধ.র্ষণ মামলার এক আসা.মি নি.হত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছে পুলিশের তিন সদস্য। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) ভোরে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান।

নিহ.ত সাজ্জাদ হোসেন পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কিল্লাঘোনা এলাকার আবুল হোসেন ওরফে পুতুর ছেলে। তিনি একজন অটোরিকশা চালক।

গত ৬ মে রাতে কক্সবাজারে বাড়িতে ফেরার জন্য চট্টগ্রাম থেকে এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে পেকুয়া বাজারে পৌঁছান চম্পা বেগম (১৯) নামে এক তরুণী। পরে সেখান থেকে গাড়ি বদল করে চকরিয়ার উদ্দেশে এক অটোরিকশায় ওঠেন ওই তরুণী। পরে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এলাকায় পৌঁছালে চলন্ত গাড়ি থেকে তাকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে হ,ত্যা করা হয়। ওইদিন রাত ১২টার দিকে খবর পেয়ে সড়কের পাশে জখম অবস্থায় চম্পা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার পরদিন নি.হত তরুণীর বাবা বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় অজ্ঞা,তনামা আ,সামিদের বিরুদ্ধে হ,ত্যা মা,মলা দায়ের করে। পরে গত ৭ মে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে র‍্যাব-১৫ কক্সবাজারের একটি দল জয়নাল আবেদীন নামের পেকুয়ার কিল্লঘোনা এলাকার বাসিন্দা আরেক অটোরিকশা চালককে গ্রেফতার করে। তাকে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িতদের নাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ওসি হাবিবুর বলেন, সোমবার সকালে পেকুয়ার স্থানীয় তরুণীকে ধ.র্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পেকুয়া থানার পুলিশ পরে তাকে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করে।

ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ পুলিশের কাছে ঘটনায় জড়িত থাকার সবিস্তার বর্ণনা দেয়। পরে তার স্বীকারোক্তি মতে মঙ্গলবার ভোরে তাকে নিয়ে চকরিয়ার কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনা এলাকায় অ.স্ত্র উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় তার সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অতর্কিত গু.লি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গু.লি ছুড়ে। এতে সহযোগীদের গুলিতে সাজ্জাদসহ ৩ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে দেশীয় তৈরি ২টি বন্দু.ক, ৬টি গু.লি ও কয়েক রাউন্ড গুলির খালি খোসা।ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

v