ঢাকা, আজ বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর নথি জালিয়াতি: ছাত্রলীগ সহসভাপতি মুমিন রিমান্ডে

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১০ ১১:২১:০৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-১০ ১১:২১:০৭

গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করায় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম মুমিনকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নথি বের করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বদলে দেয়ার অভিযোগের মামলায় মুমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।শুক্রবার থেকে তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে রয়েছে তরিকুল ইসলাম মুমিন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম বাদী হয়ে ৫ মে তরিকুল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমা ও ফরহাদ নামে তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় তরিকুলকে ভোলা থেকে গ্রেফতার করা হয়।সৌদি আরবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা মক্কা মুকাররমায় শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার করোনা বিষয়ক বুলেটিনে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় নতুন করে এক হাজার ৭০৪ জন আক্রান্ত হয়েছে। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে মক্কায় সর্বোচ্চ ৪১৭ জন। এছাড়া রাজধানী রিয়াদে ৩১৬ জন, জেদ্দায় ২৬৫ জন, মদিনা মুনাওয়ারায় ১১২ জন, দাম্মামে ১১১ জন, জুবাইলে ৬৭ জন ও আল খোবারে ৫৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারে দেয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত সৌদি আরবে ৩৭ হাজার ১৩৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ১০ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু সংখ্যা ২৩৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ১৪৪ জন। হাসপাতালে ও হোম কেয়ারে চিকিৎসাধীন ২৬ হাজার ৭৫৩ জন। এদের মধ্যে ১৪০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ পর্যন্ত দেশটিতে ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টি নমুনা পরীক্ষায় এসব তথ্য মিলেছে।

এমন পরিস্থিতিতেও মক্কা ও ২৪ লকডাউন থাকা এলাকাগুলো ছাড়া বাকি সব জায়গায় সকাল ৯টা বিকেল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ প্রত্যাহার করেছে সৌদি সরকার। শপিংমল খোলার অনুমতি দিয়েছে।
তবে দেশটিতে করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় জনসাধারণের এক জায়গায় পাঁচজনের বেশি জড়ো হওয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জরিমানা করা হবে।মুহাম্মাদ আইয়ুব: আপনার একটি মহৎ গুণের কারণে যখন আল্লাহ এবং তার রাসুলের পক্ষ থেকে একের পর এক সুসংবাদ আসতে থাকবে তখন আপনার অনুভূতি কেমন হবে? অনেকে বলবেন আল্লাহ ও রাসুলের পক্ষ থেকে সুসংবাদ আসা সম্ভব? এখন কি নবীর যুগ যে, আসমান থেকে ওহি পাঠিয়ে আল্লাহ সুসংবাদ দিবেন! এমনটি যারা ভাবছেন তারা সম্ভবত ভুলে গেছেন যে, আমাদের মাঝে আছে আল্লাহর কোরআন ও রাসুলের হাদিস।

কোরআন ও হাদিসের মাঝেই আল্লাহ পাক ও তার মাহবুব (সা.) সুসংবাদ দিয়েছেন ওই মানুষের ব্যাপারে যারা প্রতিকূল মুহূর্তে, বৈরী পরিবেশে মোটকথা সর্বাবস্থায় ধৈর্য ধারণ করে।ধৈর্যকে নিজ জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডে অলংকার হিসেবে ব্যবহার করে। এরা আল্লাহতায়ালার কাছে শ্রেষ্ঠ মানুষের মর্যাদা পায়। শ্রেষ্ঠত্বের মানদ’ণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে মাথায় পরে নানাবিধ সুসংবাদের মুকুট।

আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরষ্কার : আল্লাহতায়ালা ধৈর্যশীলদের জন্য আল কোরআনে সুসংবাদের ডালি সাজিয়েছেন।

১. হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজ দ্বারা সাহায্য প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৩) ২. এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভ’য়, ক্ষু’ধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরিক্ষা করব; এবং ওইসব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর। যাদের ওপর কোন বি’পদ নিপ’তিত হলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং অবশ্যই আমরা তার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। এদের ওপর তাদের রবের পক্ষ হতে শান্তি ও করুনা বর্ষিত হবে এবং এরাই সুপথগামী। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৫-৫৭)

ধৈর্যের আলোচনা আসলেই হযরত আইয়ুব (আ.) এর ঘ’টনা সামনে চলে আসে। রাজকীয় জীবন ছিল হযরত আইয়ুব (আ.) এর। আর আল্লাহ পাক যখন তার পরীক্ষা নিলেন তখন তার অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে উপনীত হল যে, জীবন উৎসর্গকারিনী এক গুণবতী, ধৈর্যশীলা স্ত্রী বিবি রহিমা ছাড়া আর কেউ তার স’ঙ্গ দিল না।

লোকা’লয়ের আ’শ্রয় হা’রিয়ে বনে হল তার ঠিকানা। দীর্ঘ আঠারো বছর যাবত পোকা মাকড় তাকে কু’রে করে খেতে থাকল। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, লম্বা এ সময়ে এক সেকেন্ডের জন্য অভি’যোগ তো দুরের কথা অনুযোগের সুর পর্যন্ত আনার কল্পনা করেননি; অথচ তখনও তিনি নবি এবং জিবরাঈল আলাইহিসসালাম তার কাছে নিয়মত যাতায়াত করেন। ধৈর্যের এমন কোন পথ নেই যে পথে তিনি হাটেননি! কঠিন এ পরীক্ষায় আল্লাহর রহমতে ধৈর্যের মাধ্যমে তিনি উত্তীর্ণ হলেন।

পবিত্র কোরআনে একাধিকবার আল্লাহ তাকে উল্লেখ করে কেয়ামত পর্যন্ত জীব’ন্ত রাখলেন। ধৈর্য কেমন ধ’রতে হয়, ধৈর্যের রূ’প কেমন হয় তার সবটাই দেখালেন হযরত আইয়ুব (আ.)।তাঁর সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, আমি তাকে পেলাম ধৈর্যশীল। কত উত্তম বান্দা সে! সে ছিল আমার অভিমুখী। (সুরা সোয়াদ, আয়াত নং ৪৪)

সুবহানাল্লাহ! ধৈর্যের জন্য কি বিষ্ময়কর স্বীকৃতি!