ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০

মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় ফুটবলারকে গু’লি করে হ’ত্যা

প্রকাশ: ২০২০-০৫-১০ ১১:১৩:০৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-১১ ১৩:০৪:০০

স্পোর্টস ডেস্ক : করোনা ভাইরাসের এই সং’কটের মুহূর্তে দুঃসংবাদ সোমালিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে। দেশটির জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আব্দিওয়ালি ওলাদ কনইয়ারেকে মসজিদের ভেতর গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় আব্দিওয়ালি মসজিদে তারাবির নামাজ পড়ছিলেন।

সোমালিয়ার ফুটবল ফেডারেশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী মোগাদিসু থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে আফগুয়ে শহরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় আব্দিওয়ালি মসজিদে তারাবির নামাজ পড়ছিলেন। ঘটনার দ্রুত তদ’ন্ত করে দো’ষীদের দৃষ্টা’ন্তমূলক শা’স্তি দাবি করেছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

আব্দিওয়ালি ওলাদ ২০১৫ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেন। তারপর শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার। ৩৯ বছর বয়সী আব্দিওয়ালি বর্তমানে সোমালিয়া যুব দলের গোলকিপার কোচ হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি সিএএফ ‘বি’ কোচিংয়ের লাইসেন্সও পেয়েছিলেন।নিউজ ডেস্ক : দেশে যখন লকডাউন ছিল না তখন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শিশু জন্ম হতো সি’জারে। আর ক্লিনিকগুলোতে ৯৫ শতাংশ ইনকাম ছিল সি’জার থেকে। করোনার মধ্যে বাংলাদেশে সি’জারের সংখ্যা কমে গেছে। কিন্তু প্রসূতি মায়ের মৃ’ত্যুর হার বাড়েনি। এ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

তিনি বলেন, বিদেশে চার শতাংশ শিশুর জন্ম হয় সি’জারে। আর বাংলাদেশে সিজারে জন্ম হয় ৯৬ শতাংশ শিশু। নরমাল ডেলিভারি হয় চার শতাংশ। অথচ লকডাউনে ৯৬ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে নরমাল ডেলিভারিতে।

শুক্রবার (৮মে) ফেসবুকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। লাইভের শুরুতে ফেসবুকে অসমর্থিত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, করোনার সময় লকডাউনে দেশে এক লাখ ৭৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে, এর মধ্যে মাত্র চার শতাংশ শিশুর জন্ম সি’জার অপারেশন হয়েছে। আর বাদ বাকি ৯৬ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে নরমালে।

তিনি আরও বলেন, যখন লকডাউন ছিল না তখন ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শিশুর জন্ম হতো সিজারে। প্রসূতি নারীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার এমনভাবে বোঝাতেন সি’জার না করলে বাচ্চা বা মাকে বাঁ’চানো সম্ভব না। করোনাভাইরাস আমাদেরকে কতকিছু শেখাচ্ছে?

প্রসূতির অপ্রয়োজনীয় সি’জার বন্ধে হাইকোর্টে একটি রিট করেছিলাম ব্যারিস্টার সুমন। এ প্রসঙ্গকে টেনে তিনি বলেন, তখন হাইকোর্ট একটি রুল দিয়েছিল অপ্রয়োজনীয় সি’জার বন্ধে সরকার কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না। এখন আমি জানি না সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছেন। কিন্তু দেখুন, প্রকৃতি এমন ব্যবস্থা নিয়েছে যে ক্লিনিকগুলো খোলাই রাখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ক্লিনিকগুলোতে ডেকে নিয়ে যেভাবে ব্যবসা করত এখন সেগুলো বন্ধ রয়েছে। এখন আর ব্যবসা করার সুযোগ নাই। দেশে শিশুর জন্ম কিন্তু বন্ধ থাকছে না লকডাউনে। নির্দিষ্ট তারিখে শিশু জন্ম হচ্ছে। সিজার না হওয়ার একমাত্র কারণ এখন ক্লিনিকগুলো বন্ধ। আপনারা জানেন কি-না আমি তখন (রিট আবেদনে) বলেছিলাম যে, ক্লিনিকগুলোর ৯৫ শতাংশ ইনকাম হয় এই অপ্রয়োজনীয় সি’জার থেকে।

‘ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকার কারণে এবং আজকের দুঃসময় আসার কারণে আপনারা কী দেখলেন? স্বার্থপরতা দেখলেন। ক্লিনিক বন্ধ থাকার কারণে অপ্রয়োজনীয় সি’জারও বন্ধ হয়ে গেছে। আমি জানি না, কোভিড নাইনটিন পরবর্তীতে আমরা বাঁচব কি না। তবে যারা বাঁচবে তাদের জন্যেই এই ভি’ডিও বার্তাটি রেখে যেতে চাই’-যোগ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সি’জার বন্ধ হওয়ার কারণে যে প্রসূতি মায়ের মৃ’ত্যুর হার বেড়ে গেছে তাও কিন্তু না। এর মানে হচ্ছে প্রোপার রেস্ট নিলে বাড়ি ঘরে থাকলে আমাদের মা বোনদের নরমাল ডেলিভারি সম্ভব।

‘আপনারা এমন একটা বাস্তবতা দেখবেন যে ডাক্তাররা একটা কমন কথা বলেই, আমার বাচ্চার জন্মের সময় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর একই কথা শুনেছিলাম ডাক্তারের কাছ থেকে। তারা বলেন, গর্ভের শিশু শুকনাতে পড়ে গেছে পানি ভে’ঙে গেছে। এই দু-একটা কথা বললেই যারা নতুন বাবা হন তাদের মাথা ঠিক থাকে না, তাদের হু’শ নষ্ট হয়ে যায়। এই অবস্থায় বলেন, যা ইচ্ছা করেন কিন্তু তো আমার বাচ্চাটাকে বাঁ’চিয়ে রাখেন।’

তিনি বলেন, এই সুযোগ নিয়ে কিছু কিছু গাইনি ডাক্তার, সুস্থ প্রসূতির সি’জার করতেও দ্বিধাবোধ করেন না। আমি এই ভি’ডিওটা রেখে যাচ্ছি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। আপনারা এটা থেকে যদি কিছু শিক্ষা দিতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চার শতাংশ সি’জার প্রয়োজন হয়, বাকি ৯৬ শতাংশ সি’জার প্রয়োজন পড়ে না। বিদেশে আত্মীয়-স্বজনের কাছে শুনবেন না কখনও প্রসূতির সি’জারের প্রয়োজন হয়।

‘প্রকৃতির বিচারেই আমরা এখন কিছুটা মানুষ হতে শিখছি। করোনাভাইরাস হয়তো থাকবে না, আমরাই মানুষ হওয়াটা যেন জারি রাখি। আপনারা ভবিষ্যতে যারা বাবা এবং মা হবেন তাদেরকে আহ্বান জানিয়ে বলছি, আপনারা এসব অনৈতিক সি’জার থেকে দূরে থাকবেন। এই ক্লিনিকগুলো থেকে দূরে থাকবেন। সাথে সাথে সরকারকেও বলছি, এটা (করোনাকালীন সময়) থেকে শিক্ষাগ্রহণ করেন, করোনা-পরবর্তী বাংলাদেশে যেন সি’জারে কম শিশু জন্ম নেয়।’ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে করা একটি টুইটে দেশটির সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই পড়ে গেছে। এই করোনাকালে রাজনীতির মাঠও গরম হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি একটি টুইটার হ্যান্ডেলে দাবি করা হয়, বোন ক্যান্সারে ভুগছেন ভারতের এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার আরোগ্য লাভের জন্য এই রমজাম মাসে ভারতীয় মুসলিমদের প্রার্থনা করতে অনুরোধ করা হয় ওই টুইটে।

অমিত শাহের ছবি সম্বলিত নীল টিক চিহ্নের ওই টুইটে অনেকটাই বিচলিত হয়ে পড়েন বিজেপি সমর্থিত নেটিজেনরা।

তবে ওই টুইটের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো খবর প্রকাশ করে টুইটারের ওই পোস্টটি ভুয়া দাবি করে।

আজ শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে এ বিষয়ে একটি টুইট করে বিষয়টি ভুয়া বলে জানানো হয়।

অমিত শাহ সুস্থ আছেন জানিয়ে সেখানে বলা হয় এমন কোনো টুইট তার অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়নি। সম্পূর্ণ বিষয়টি ভুয়া।

টুইট পোস্টে অমিত শাহ বলেন, আমি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং কোনো রোগে আক্রান্ত নই। গত কয়েক দিন ধরে আমার নজরে পড়েছে কিছু মানুষ আমার স্বাস্থ্য নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছেন। অনেকে আমার মৃত্যুও কামনা করেছেন। আমি বলতে চাই কারও খারাপ স্বাস্থ্য নিয়ে গুজব রটলে তার আয়ু আরো দীর্ঘায়িত হয়।

সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া