ঢাকা, আজ রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

নারী কনস্টেবল’র গাড়িতে মা’দক পা’চার করতেন স্বামী!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৯ ১০:৩৭:১২ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৯ ১০:৩৭:১২

দামি ব্র্যান্ডের বিলাসবহুল জিপ গাড়ি। সামনের গ্লাসে ‘পুলিশ’ লেখা স্টিকার লাগানো। ভেতরে পুলিশ সদস্য না থাকলেও একটি আইডি কার্ড সব সময় থাকে গাড়িতে। সম্প্রতি সেই বিলাসবহুল গাড়িসহ নারী পুলিশ সদস্যের স্বামীকে ৪০ কেজি গাঁ’জাসহ র‌্যাব আ’টক হওয়ার পরই গাড়ি ব্যবহার করে মা’দক ব্যবসার বিষয়টি প্রকাশ হয়।

বুধবার (৬ মে) বেলা ১১ টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গাউছিয়া-কুড়িল সড়কের কাঞ্চন পৌরসভার পশ্চিম কালাদি জামে মসজিদ এলাক থেকে র‌্যাব-১ এর সিপিসি-৩, পূর্বাচল ক্যা¤প সদস্যরা কালো রঙের একটি বিলাসবহুল জিপসহ দুইজনকে আ’টক করে। তাদের কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁ’জা উ’দ্ধার করা হয়। ওই জিপ গাড়িতে পুলিশ লেখা স্টিকার ছিল। ভেতরে এক নারী পুলিশ সদস্যের আইডি কার্ডও পাওয়া যায়।

ঘ’টনার পরদিন গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) র‌্যাব-১ এর সিপিসি-৩, পূর্বাচল ক্যা¤প কমান্ডার মেজর আব্দুল্লাহ আল মেহেদী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, আ’টককৃতরা মা’দক ব্যবসার সাথে জ’ড়িত বলে জিজ্ঞাসাবাদের স্বীকার করেছে। তাদের বি’রুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মা’মলা প্র’ক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাঁ’জাসহ আ’টক দুজনের একজন হলেন- সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধিন হরিহরপাড়া আমতলা এলাকার বাসিন্দা বাহাউদ্দিন বাবুল (৩০)। তার সাথে ছিলেন গাড়ি চালক জামালপুরের ইলামপুর পশ্চিম কুলকান্দি জোদ্দারপাড়া এলাকার কোরবান আলীর ছেলে মো. মনির হোসাইন (২০)।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জিপ গাড়িটির মালিক আ’টককৃত বাহাউদ্দিন বাবুল একজন ফার্নিচার ব্যবসায়ী। তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার মিতু ফতুল্লার হরিহরপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। ২০১১ সালে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন মিতু। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আইসিটি বিভাগে কর্মরত আছেন বলে রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র মতে, ফার্ণিচারের ব্যবসার আড়ালে মা’দকের ব্যবসার সাথে জ’ড়িয়ে পড়েন বাহাউদ্দিন বাবুল। স্ত্রী পুলিশ অফিসার হওয়ার সুবাদের এই প্রভাবটাও এক্ষেত্রে প্রয়োগ করেন তিনি। নিজস্ব গাড়িতে পুলিশ স্টিকার ব্যবহার করে মা’দক পাচার করে থাকেন, যা ৬ মে র‌্যাব-১ এর হাতে বিষয়টি ধরা পড়ে ৪০ কেজি গাঁ’জাসহ আ’টকের পর। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে বাবুল মাদক ব্যবসার সাথে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন, সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছেন র‌্যাব-১ এর সিপিসি-৩, পূর্বাচল ক্যা¤প কমান্ডার মেজর আব্দুল্লাহ আল মেহেদী।

এদিকে বিপুল পরিমাণের গাঁ’জাসহ আ’টকের পর স্বামীকে ছাড়ানোর জন্য ওই নারী পুলিশ সদস্য বিলকিস আক্তার মিতু সম্ভাব্য সব জায়গাতেই দৌঁড়ঝাঁপ করছেন বলে সূত্রে জানা গেছে । একদিকে নিজের চাকরি অন্যদিকে স্বামী, সম্মান ও সংসার উভয়দিক রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। পাশাপাশি পুরো বিষয়টিকেই ধা’মা’চা’পা দিতে তৎপরতা চালাচ্ছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সদস্য বিলকিস আক্তার মিতু র‌্যাবের অ’ভিযানে জব্দকৃত জিপ গাড়িটি তার ব্যক্তিগত গাড়ি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করলেও তিনি দাবি করেন, তার স্বামী বাহাউদ্দিন বাবুল মা’দক ব্যবসায়ী নন। তিনি ফার্নিচারের ব্যবসা করেন। কিন্তু কীভাবে তিনি মা’দক মা’মলায় জড়ালেন তা নিজেও জানেন না।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান সময় নিউজকে বলেন, এ ঘ’টনায় র‌্যাব বাদি হয়ে থানায় মা’মলা করেছে। গ্রে’ফতারকৃতদের কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁ’জা পাওয়া গেছে। মা’মলায় গ্রে’ফতারকৃত দুইজনকে আসামী করা হয়েছে। ‘ব্যাপারে আসামী বাহাউদ্দিন বাবুলকে আমার জিজ্ঞাবাবাদ করেছি। জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন তিনি।

বাবুলের স্ত্রী পুলিশ সদস্য কিনা জানতে চাইলে ওসি মাহমুদুল হাসান সময়নিউজকে আরো বলেন, তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার মিতু ডিএমপিতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত আছেন। বাবুলের মা’দক ব্যবসার বিষয়টি তার স্ত্রী মিতু অবগত আছেন কিনা সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

স্বামী অ’পরাধের সাথে জ’ড়িত থাকার বিষয় যদি স্ত্রী না জেনে থাকেন তাহলে স্ত্রী অ’পরাধী হবেন না। তবে যদি স্ত্রী বিষয়টি জেনে থাকেন বা স্বামীকে অ’পরাধমূলক কাজে সহায়তা করে থাকেন বলে প্রমান পাওয়া যায় তার বি’রুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই বিষয়টি নিশ্চিত হতে আমরা তাদের ব্যাপারে বিভিন্নভাবে খোঁজ খবর নেয়াসহ তদন্ত করে যাচ্ছি।

somoynews

ব্রেকিং নিউজ ঃ অবশেষে করোনার ওষুধ পাওয়া গেছে!

পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের মনে সম্ভবত এখন একটাই প্রশ্ন, করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার ওষুধ পাওয়া যাবে কবে? আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান বিষয়ক সংবাদদাতা জেমস গ্যালাহার লিখছেন, ওষুধটি হয়তো পাওয়া গেছে! আমেরিকান সরকারের সংক্রামক ব্যাধি বিষয়ক শীর্ষ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি বলছেন, করোনা ভাইরাসের পরীক্ষমূলক চিকিৎসায় ট্রায়াল রান অর্থাৎ রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে প্রাথমিক যে ফলাফল পাওয়া গেছে তাতে তিনি আশাবাদী।

জিলেড নামের একটি আমেরিকান ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি তাদের উৎপাদিত ওষুধ রেমডিসিভির নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে, তবে কোনো তথ্য-প্রমাণ দেয়নি। বিবৃতিতে তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস এর চালানো এক পরীক্ষা থেকে ইতিবাচক উপাত্ত পাওয়া গেছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছেন তারা। রেমডিসিভির হচ্ছে এমন একটি অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ যা ইবোলা রোগের চিকিৎসার জন্য তৈরি হয়েছিল।

জেমস গ্যালাহার জিলেডের এই বিবৃতি ব্যাখ্যা করে বলছেন, কঠিন মেডিকেল শব্দ বাদ দিয়ে সোজা কথায় বলা যায়, জিলেড জানাচ্ছে যে রেমডিসিভিরে কাজ হয়। তবে আমরা যা জানি না, তা হলো কতটা ভালোভাবে এটা কাজ করে, এবং তাদের তথ্যপ্রমাণ কতটা জোরালো।
জিলেড জানিয়েছে, ‍শুরুতেই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এমন শতকরা ৬২ ভাগ রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে। আর যেসব রোগীকে দেরিতে দেয়া হয়েছে তাদের শতকরা ৪৯ ভাগ হাসপাতাল ত্যাগ করেছে।

আমেরিকার করোনা ভাইরাস টাস্ক ফোর্সের ডাক্তার এ্যান্থনি ফাউচি বলেন, প্রাথমিক ফল খুবই আশাব্যঞ্জক। সূত্র: বিবিসি

অবশেষে করোনার ওষুধের কার্যকারিতা প্রমাণিত!

অবশেষে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছে ডা. অ্যান্থনি ফাউচি। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. অ্যান্থনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ’-এর পরিচালক এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশেষজ্ঞ।

ভিন্নি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ডা. অ্যান্থনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে রেমডেসিভিরের কার্যকারিতার ‘সুস্পষ্ট প্রমাণ’ পাওয়া গেছে।

এ স্বনামধন্য বিজ্ঞানী একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সূত্রে জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে রেমডেসিভির গ্রহণকারীরা অন্যদের তুলনায় কম সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে এই ওষুধ মৃত্যুহার কমাতে ভূমিকা রাখে কিনা, তা এখনও প্রমাণিত নয়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ-এর তত্ত্বাবধানে হোয়াইট হাউসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১০৬৩ মানুষের ওপর পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন ফাউচি। সেখানে এ তথ্য তুলে ধরেন।

ফাউচি বলেন, করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার সময়সীমাকে কমিয়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে রেমিডেসিভির সুস্পষ্ট, গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে তা প্রাপ্ত তথ্য থেকে প্রমাণিত হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি।

অবশেষে খোঁজ মিলল তার, যার শরীর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে করোনা

মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৯৯টি দেশ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৭ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৬ হাজার ২২৬ জন মানুষ। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। এক্ষেত্রে তারা হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন সেই রোগীকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীকে। তারা মনে করেন ‘পেশেন্ট জিরো’ রোগীকে ভালভাবে পরীক্ষা করলে প্রতিরোধের উপায় এবং ভ্যাকসিন বের করা সহজ হবে। অবশেষে মিলেছে সেই পেশেন্ট জিরো রোগী।

ইন্ডিয়া টাইমস জানায়, প্রথম করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে ৬৭ বছর বয়সী এক চীনা মহিলা। নাম ওয়েই গুইশিয়ান। তিনি চীনের উহান শহরের বাজারে চিংড়ি মাছ বিক্রি করতেন।

এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ওয়েই গুইশিয়ান গত বছরে ১০ ডিসেম্বর হুনান সি ফুড মার্কেটে চিংড়ি বিক্রির সময় অসুস্থ হয়েছে পরেন। প্রথমে ফ্লুয়ের মতো উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে যান ওয়েই। প্রথমে তাঁকে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু দিনের পর দিন ক্রমশ দুর্বল হতে থাকেন গুইশিয়ান। দিন দুয়েক পরই উহানের ইলেভন্থ হাসপাতালে যান। সেখানেও ধরা পড়েনি এই মারণ-ভাইরাস। ১৬ ডিসেম্বর ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় উহান ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান গুইশিয়ান। আর সেই হাসপাতালেই তাঁকে বলা হয় যে, শরীরে কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে।

এরপরই ওই হাসপাতালে বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা, যাদের সবার শরীরেই একই ধরনের উপসর্গ। গুইশিয়ানের দেখাদেখি ওই হাসপাতালে ছোটেন হুনান মার্কেটের আরও অনেক মানুষ। এমনকি অনেক ক্রেতাও আক্রান্ত হয়ে পড়েন ওই রোগে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে ওয়েই গুইশিয়ানকে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়। তাঁর শরীরে মেলে COVID-19 ভাইরাসের উপস্থিতি মেলে। সে সময় ডাক্তারদের ধারণা, উহানের ওই সামুদ্রিক খাবার বিক্রির মার্কেট থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

চীনের চিকিৎসকরা মনে করেন, উহানের ওই মার্কেটের টয়লেট ব্যবহার করাতেই তাঁর শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।

উহান মিউনিসিপ্যাল হেলথ কমিশনের তরফে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন যে ২৭ জন রোগী তাঁদের মধ্যে প্রথমেই ছিলেন ওয়েই গুইশিয়ান।