ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

সন্তানদের কাছে বোঝা ইশারন নেছা, চান একটু আশ্রয়

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৮ ১২:০৬:১৯ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৮ ১২:০৬:১৯

পঞ্চগড়: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বৃদ্ধা ইশারন নেছা। বয়স প্রায় ৯৫ বছর। বয়সের ভাড়ে হাঁটতে পারেন না। নিজের চার মেয়ে ও সৎ ছেলেদের সবার কাছেই এখন বোঝা হয়ে উঠেছে ওই বৃদ্ধা। কেউ তাকে আর রাখতে চায় না। নিরুপায় বৃদ্ধা মির্জাপুর উত্তরা বাজারের এক দোকানের সামনে বসে বসে কাঁ’দছেন। করোনার প’রিস্থিতির মধ্যেই সন্তানরা তাকে বের করে দিয়েছেন বাড়ি থেকে। কোনো সন্তানই তাকে দেখভালের দায়িত্ব নিতে রাজি না হওয়ায় বে’কায়দায় পড়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও।

জানা যায়, ইশারন নেছার স্বামী মজত আলী মা’রা যায় মুক্তিযুদ্ধের পরপরই। ৫ মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে মা’রা গেছেন। বাকি ৪ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। ৩ মেয়ে স্বামীর বাড়ি মির্জাপুর ইউনিয়নেই। স্বামী মা’রা যাওয়ার পর বৃদ্ধা তার স্বামীর ভিটায় থাকতেন। সৎ ছেলেদের একজন তাকে দেখভাল করতেন। কিন্তু সেই সন্তানও মা’রা গেলে। সবকিছু বিক্রি করে একই ইউনিয়নের পাখোরতলা এলাকায় সেজ মেয়ে আজিমা বেগমের বাড়িতে গিয়ে উঠেন ওই বৃদ্ধা। ১৫/১৬ বছর ধ’রে সেখানেই রয়েছেন। ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত এক মাস আগে এক মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পিছলে পড়ে পায়ে আঘা’ত পান ইশারন। তারপর থেকে হাঁ’টতে পারেন না। এই অবস্থায় মাকে টানতে না পেরে তার মেয়ে আজিমা তাকে রেখে আসে সৎ ভাই জাহিরুলের বাড়িতে। জাহিরুল ও তার ছেলে সলেমান তাকে ১ মাস দেখাশুনার করার পর তাকে আবার রেখে আসে আজিমার বাড়ি।

কয়েকদিন পর আজিমা আবার রেখে আসে জাহিরুলের বাড়ি। এভাবে এক পর্যায়ে তারা বুধবার সন্ধ্যায় তাদের মাকে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রেখে চলে যায়। রাত হলেও তাকে কেউ বাড়িতে নেয়ার উদ্যোগ নেয়নি। রাতে স্থানীয় কয়েকজন যুবক বৃদ্ধার খাবারের ব্যবস্থা করেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা তার মেয়ে আজিমার বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরে আজিমা আবারও তার মাকে মির্জাপুর উত্তরা বাজারের একটি দোকানের সামনে রেখে চলে যায়। সেখানে বসে বসে কাঁ’দছেন ওই বৃদ্ধা। সন্ধ্যায় ঝড় বৃষ্টি শুরু হলেও কোনো সন্তানই তাকে ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়নি।

বৃদ্ধা ইশারন নেছা কাঁ’দতে কাঁ’দতে বলেন, আমার কেউ নেই। প্রয়োজনে আপনারা আমার স্বামীর ভিটায় একটা ঘর তুলে দিন। আমি সেখানেই যেন ম’রতে পারি। মেয়ে ও সৎ ছেলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। কাল সবাই মিলে আমাকে মেয়ে আজিমার বাড়িতে রেখে আসে। আজ আবার আমাকে বাজারে রেখে চলে গেছে। বৃদ্ধার কাছে যেই আসছে তার কাছেই একটু আশ্রয়ের দাবি জানাচ্ছেন।

তার সৎ ছেলে জাহিরুল ইসলাম বলেন, আমি অত্যন্ত দরিদ্র একজন মানুষ। তারপরও ১ মাস আমার বাড়িতে রেখেছিলাম। কিন্তু তিনি বিছানাতেই প্রস্রাব পায়খানা করেন। আমার স্ত্রীও অসুস্থ। তাই তাকে দেখভাল করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আজিমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। এখন তার আপন মেয়েই তাকে আর রাখতে চাইছে না।

বৃদ্ধার মেয়ে আজিমা বেগম বলেন, আমি নিজেই অসুস্থ। তাই মাকে পরিচর্যা করবো কিভাবে। এ ছাড়া আমার মাকে রাখার মতো কোনো ঘর নাই। হাঁটতে পারে না তাই ঘরেই প্রস্রাব পায়খানা করে। আমি খুব কষ্ট করে জীবন যাপন করছি। তাই সৎ ভাইয়ের কাছে রেখে এসেছিলাম।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, এই বয়সে বৃদ্ধাকে তার সন্তানরা বের করে দিয়েছেন এটা অমানবিক। তিনি চলাফেরা করতে পারেন না। এই অবস্থায় তার সন্তানরাই পারেন তাকে কাছে রাখতে। বিশেষ করে তার যেই মেয়ের কাছে দীর্ঘদিন ছিলো সেই মেয়ের একটু সদয় হওয়া উচিত। প্রয়োজনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আমরা এলাকাবাসীও সহযোগিতা করবো। কিন্তু তার সেবাযত্নের দায়িত্ব তার সন্তানদেরকেই নিতে হবে।

মির্জাপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই বৃদ্ধাকে নিয়ে আমরা বি’পাকে পড়ে গেছি। তার নিজের মেয়ে ও সৎ ছেলে কেউ তাকে নিতে রাজি হচ্ছে না। চাল ডাল দিয়ে আমরা গতকাল তার মেয়ে আজিমার বাড়িতে তাকে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আজ দেখি আবার তাকে বাজারে রেখে গেছে।

মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর আলী বলেন, ওই বৃদ্ধা তার সবকিছু বিক্রি করে সব টাকা পয়সা নিয়ে মেয়ে আজিমার বাড়িতে উঠেন। ভিক্ষা করে যা পেতেন সব মেয়েকে দিয়ে দিতেন। পায়ে আঘা’ত পেয়ে এখন ভিক্ষা করতে পারেন না তাই তাকে তার মেয়ে আর রাখতে চাইছে না। আমরা প্রয়োজনে সহযোগিতা করতে পারি কিন্তু দেখভালের দায়িত্ব কিন্তু তো তাদেরই নিতে হবে। ওই বৃদ্ধার সন্তানদের ডেকে বিষয়টির সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।-কালের কণ্ঠরোনাভাইরাসের চিকিৎসায় কার্যকারিতার নিরিখে এখন পর্যন্ত যে ওষুধটিকে সবচেয়ে বেশী সম্ভাবনাময় বলে মনে করা হচ্ছে, সেই ‘রেমডেসিভির’-এর উৎপাদন শুরু হয়েছে বাংলাদেশে।

বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেশটির বেশ কয়েকটি ওষুধ কোম্পানিকে রেমডেসিভির তৈরির অনুমোদন দিয়েছে।

তবে বাংলাদেশে উৎপাদিত এই ঔষধের দাম সম্পর্কে যা ধারণা পাওয়া যাচ্ছে, তাতে করে রেমডেসিভির কতটা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ঔষধ প্রশাসন অবশ্য বলছে যে তারা রেমডেসিভিরের দাম নিয়ন্ত্রণে কোন হস্তক্ষেপ করবে না।

এই সংস্থার মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান জানান, বাংলাদেশের আটটি ফার্মাসিউটিকাল প্রতিষ্ঠানকে ‘রেমডেসিভির’ উৎপাদন করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই কোম্পানিগুলো হলো বেক্সিমকো, এসকায়েফ, ইনসেপ্টা, স্কয়ার, বিকন, হেলথকেয়ার, অ্যাকমি ও পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস। “এর মধ্যে বেক্সিমকো আর এসকায়েফের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। এই মাসের মধ্যেই হয়তো তারা তাদের পণ্য বাজারে ছাড়বে।”

এসকায়েফ ফার্মাসিউটিকালসের মার্কেটিং ও সেলস বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন যে চলতি মাসের মধ্যেই তাদের প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত রেমডেসিভির বাজারে ছাড়া হবে।

‘রেমডেসিভির’ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর?
রেমডেসিভির ওষুধটির পেটেন্ট যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক বায়োফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি গিলিয়াড সায়ন্সেস-এর।

ওষুধটি প্রথমে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, নভেল করোনাভাইরাস সহ আরো কিছু ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে যেভাবে বংশবৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, সেই প্রক্রিয়াটি কিছুটা হলেও থামানোর সক্ষমতা রয়েছে এই ওষুধের।

কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় এই ওষুধ কার্যকর হতে পারে, এমন গবেষণার তথ্য গিলিয়াড সায়ন্সেস প্রকাশ করার পর গত সপ্তাহে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের জরুরি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এই ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

বলা হচ্ছে, এই ওষুধের প্রয়োগ বেশী অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে থাকার সময়কাল চার দিন পর্যন্ত কমাতে পারে।

রেমডেসিভিরের পেটেন্টের মালিকানা গিলিয়াড সায়ন্সেস-এর, অর্থাৎ শুধুমাত্র তাদেরই এই ওষুধ তৈরির অধিকার রয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় নাম থাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি অনুযায়ী এই ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে ওই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের ওপর প্রযোজ্য হবে না।

ওষুধের দাম কত হবে?
এসকায়েফের মার্কেটিং ও সেলস বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম জানান, এই ওষুধটি ইনজেকশন প্রক্রিয়ায়, অর্থাৎ রোগীর শরীরে সুঁইয়ের মাধ্যমে প্রবেশ করাতে হয়।

“যেসব রোগীদের অবস্থা গুরুতর, তাদের ব্যবহারের জন্য মূলত এই ওষুধ। পাঁচ দিন ও দশ দিন – এই দুই ধরণের মেয়াদে বা কোর্সে ওষুধটি প্রয়োগ করার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ কর্তৃপক্ষ।”

মুজাহিদুল ইসলাম জানান, পাঁচ দিনের মধ্যে যাদের রোগ সারবে না, তাদের ক্ষেত্রে দশ দিনের কোর্সের পরামর্শ দেয়া হবে।

যারা পাঁচ দিন ধরে চিকিৎসা নেবেন তাদের জন্য রেমডেসিভিরের ৬টি ভায়াল, আর দশ দিনের চিকিৎসা নেয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ১১টি ভায়াল প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।

মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “প্রতিটি ভায়ালের দাম হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে।”

অর্থাৎ যারা পাঁচদিন চিকিৎসা নেবেন তাদের রেমডেসিভির ওষুধ কিনতে খরচ হবে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। আর যারা দশ দিন চিকিৎসা নেবেন তাদের খরচ পড়বে ৬০ হাজার টাকার মতো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজাও জানিয়েছিলেন যে তাদের প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা রেমডেসিভিরের প্রতিটি ভায়ালের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হবে।

অর্থাৎ কোভিড-১৯ চিকিৎসায় রেমডেসিভির ব্যবহার করতে হলে বেশ বড় অংকের অর্থ খরচ করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কোথায় পাওয়া যাবে এই ওষুধ?
বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, শুরুর দিকে শুধু সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই ওষুধ সরবরাহ করার পরিকল্পনা থাকলেও পরে বেসরকারি পর্যায়ে বাজারজাতকরণের অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

“যেহেতু বিভিন্ন জায়গায় এই ওষুধের প্রয়োজন হবে, তাই সীমিত পরিসরে এর যোগান দিলে হয়তো অনেক মানুষই ওষুধ পাবেন না। তাই আমরা এটি বাজারজাতকরণের অনুমোদন দিচ্ছি।”

তবে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধ যেন বিক্রি করা না হয়, এই শর্তে ওষুধ বাজারজাত করা হবে বলে জানান তিনি।

“সরকারিভাবে যেন এই ওষুধের বিপণন করা হয়, আমরা সেই পরামর্শ দিয়েছি। তবে তার মানে এই নয় যে এটি বেসরকারিভাবে দেয়া যাবে না। একমাত্র শর্ত হলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা যাবে না।”

মাহবুবুর রহমান বলেন, “নিয়ন্ত্রিতভাবে এই ওষুধ বাজারে ছাড়া হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এটি সরবরাহ করতে পারবে। তবে ফার্মেসিতে খুচরো কেনার জন্য সেভাবে পাওয়া যাবে না এই ওষুধ।”

তিনি এমন ধারণা দিয়েছেন যে মূলত সেসব হাসপাতাল এ ওষুধ পাওয়া যাবে, যেগুলো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়।

ওষুধ প্রশাসন বেসরকারি পর্যায়ে এই ওষুধ বাজারজাত করার কথা বললেও এসকায়েফের মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম অবশ্য জানিয়েছেন যে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা দেয়া সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই ওষুধ সরবরাহ করার শর্তে এটি তৈরির অনুমোদন দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ওষুধের দাম নিয়ে কী চিন্তা করছে সরকার?
যেহেতু রেমডেসিভির বেশ উচ্চ মূল্যের ওষুধ হবে, তাই বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে তা থাকবে কি-না, সেটি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

বাংলাদেশে রেমডেসিভিরের দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সরকার কোনো পদক্ষেপ না নিলেও সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই ওষুধের দাম কিছুটা কম হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

মাহবুবুর রহমান বলেন, “সরকারি হাসপাতালে ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠানগুলো ওষুধ বিক্রি করার সময় প্রস্তাবিত মূল্য ঘোষণা করে। সে সময় কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কম মূল্য চায়, তখন ওষুধের দাম কমে আসবে।”

তবে এর বাইরে ওষুধের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসন কোনো ধরণের হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানান তিনি।