ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

আশুলিয়ায় মসজিদে হামলা-ভাংচুর

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৭:৫৩:৪১ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৬ ০৭:৫৩:৪১

মোঃমনির মন্ডল,নিজস্ব প্রতিবেদক,সাভারঃ আশুলিয়ায় জমির বিরোধের জের ধরে একটি মসজিদে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার রাত ১০টার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউপির বড়নগর (তেলিপাড়া) বায়তুস সালাত জামে মসজিদে হামলার এ ঘটনা ঘটে। মসজিদের খতিব আল-আমিন জানান, রাতে তারাবির নামাজ শেষ করে সকলেই চলে যায়। পরে তিনি ও তার সাথে থাকা মোসলিম হোসেন মসজিদের একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ মসজিদের টিনের বেড়ার কুপানোর শব্দ শুনে উঠে যান এবং বিষয়টি মোবাইল ফোনে মসজিদের ক্যাশিয়ার আনিছুর রহমানকে বিষয়টি জানান। এসময় হামলাকারীরা দ্রুত চলে যায়। হামলা চালিয়ে মসজিদের একটি মাইক এবং বেড়া কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে হামলাকারীরা।

মসজিদের সভাপতি মোঃ সাঈদ বেপারী জানান, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের জমি নিয়ে পার্শ্ববর্তী ধামরাই থানাধীন পূর্ব পাইকপাড়া এলাকার ইউসুফ আলী সিকদারের ছেলে জালাল সিকদার, হেলাল সিকদার ওরফে হেলু এবং হালিম সিকদারের সাথে বিরোধ রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মসজিদের কাজ করতে গেলে তারা বাধা দিয়েছিল। পরে মসজিদের কোন কাজ করতে পারিনি। এছাড়া গতকাল (বুধবার) রাতে জালাল গংরাই মসজিদে এই হামলা চালিয়েছে।

তিনি আরো জানান, মসজিদ যে জায়গায় সেটা হচ্ছে আরএস ১৪০৭ দাগে ৩৩ শতাংশ জমি যা থেকে সারে ১১ শতাংশ জমি মসজিদের নামে ওয়াকফ করা। আর বিবাদীরা যে জমি তাদের বলে দাবী করে সেই জমি আরএস ১৫০৭ দাগে। কিন্তু তারা এলাকার প্রভাব দেখিয়ে মসজিদের জমি জবর দখলের পায়তারা করে আসছে।

মসজিদে হামলা ও ভাংচুরের খবর পেয়ে সকালে শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ সভাপতি সজিব ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

এব্যাপারে আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারজানা জানান, ঘটনায় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ করেছে৷ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’