ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

ফেসবুকে পরিচয় অত:পর হিন্দু মেয়ে মুসলিম হয়ে বিয়ে করলো মুসলিম ছেলেকে

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৭:০৮:৫৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৬ ০৭:০৮:৫৭

মেয়েটি হিন্দু, আর ছেলেটি মুসলিম! ফেসবুকে দুজনের পরিচয়! রাতজেগে চ্যাটিং করা, আর সারাদিন, একজন আরেক জনের গায়ে পরে ঝগড়া করা! মাঝে, মধ্যে একটু একটু অভিমানের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব! বেশিরভাগ সময় অভিমান গুলো ভেঙ্গে যেত, ছোট্ট করে সরি লিখা একটা এস’এম’এস এর মাধ্যমে! অভিমানের পরিমাণটা একটু বেশী হলে, অভিমান ভাঙ্গানোর প্রধান হাতিয়ার ছিল পিকচার পাঠানো। কোন এক সন্ধায়!
-আজান হইছে নামাজে যা!

(সুপ্তি)-না আজকে যাবনা! (আকাশ)-নামাজ না পরলে তুই আমার সাথে একদম কথা বলবিনা-ইদানীং নামাজ পরা হয়না, কাধে শয়তান উঠছে-কি তুই পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করিস না? আগে জানলে হয়তো তোর সাথে কথাই বলা হতনা।-আগে পরতাম ইদানীং হয়না!(আকাশ কিছুটা অবাক হয়ে গেল, কি করে হিন্দু একটি মেয়ে নামাজের জন্য এতটা তাগিদ দিতে পারে)-প্লিজ এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরবি, আমায় কথা দে!-ওকে কথা দিলাম এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব-এভাবে না আমার কছম খেয়ে বল এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবি-ওকে বান্দন্নি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরব।কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় আসছেনা!-কি ব্যাপার?-তুই হিন্দু হয়ে নামাজের জন্য এতটা তাগিদ দিচ্ছিস ক্যান?-ভাল কাজের জন্য সবাই তাগিদ দিতে পারে! তাছাড়া আমি হিন্দু পরিবারে জন্মেছি এটাকি আমার অপরাধ বল?

-একদম না(মেসেজের রিপ্লাই কি দিবে বুঝতে পারছিলনা ছেলেটা)মেয়েটি প্রতিদিন ছেলেটার খোঁজ খবর রাখে। সাথে নামাজ পরেছে কিনা সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর রাখতো। কখনো নামাজ মিস হলে অজানা এক অভিমানে হিন্দু মেয়েটি ছেলেটির সাথে কথা বলতোনা।প্রথম রমজানে:-ওই বান্দর (হিন্দু মেয়ে সুপ্তি)– কি ঢংগি ঘুম থেকে উঠছিস কখন? (মুসলিম ছেলে আকাশ)-অনেক আগে তুই?-মাত্র উঠলাম-সকালে খাইছি কিছু?-এক গ্লাস জল পর্যন্ত না, তোর সাথে খাব
-গতকাল তোকে বলছি না, আজকে আমি রোজা থাকব, আচ্ছা তুর কি ভাব আর নেওয়া ছাড়বিনা?-ওই বান্দর আমিও রোজা রাখছি-একদম পাগলামো করবিনা কিছু খেয়ে নে-তুই কষ্ট করবি আর আমি খাব একদম না-দেখ ভাল হচ্ছে না কিন্তু-না খাবনা,তোকে রেখে কোনদিন খাইছি?-আরে পাগলি আমার খেতে লেট হবে-জানি সন্ধায় খাবি-হুম-আমিও সন্ধায় খাব-থাকতে পারবি সারাদিন না খেয়ে?-হাজার বার পারব-তোর বাসায় জানে এইসব-তুই পাগল নাকি? জানবে কি করে।

তাছাড়া বাসায় জানতে পারলে অনেক সমস্যা হবে।এইভাবে তাদের মধ্যে চলতে থাকে অনেক দিন।একদিন সুপ্তি বলে আমাকে তুই বিয়া করবি ”আকাশ চমকে যায় বলে তুই কি পাগল হইচিস? তুই কি পারবি সবকিচু ফেলে আমাকে নিয়ে থাকতে? সুপ্তি হেসে বলল আরে পাগল তুই আমাকে এত দিন এ চিনছিস, আমি তোকে ভালোবাসি যতটুকু তার থেকে তোর ধর্মকে বেশি ভাল ভালোবাসি।অবশেষে আকাশ বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল। সুপ্তি এখন “শাদিয়া আক্তার”
(ঘটনাটা সবাইকে দেখার জন্য অবশ্যই শেয়ার করবেন ”মহান দয়ালু আল্লাহ তায়া’লা এই দম্পতিকে সুখে শান্তিতে রাখুন। আমীন..?

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’