ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০

‘আমার ৯ বছর ফিরিয়ে দাও’: প্রেমিকার বাড়িতে অনশনে প্রেমিক

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:৫০:৪৯ || আপডেট: ২০২০-০৫-১১ ১২:৫৬:৪৭

প্রেমের জন্য মানুষ কী’ই না করতে পারে। আর অনশনে বসা তো মামুলি ব্যাপার। ইতিমধ্যেই প্রেমকে পেতে অনশনে বসানোর রাস্তা বাতলে দিয়েছেন একাধিক প্রেমিক ও প্রেমিকা।ভারতের বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে ঘটেছে এমন ঘটনা। দীর্ঘ নয় বছরের সম্পর্কের পরেও বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকার বাড়ির সামনে অনশনে বসেছেন ঐ তরুণ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বিষ্ণুপুরের কুরবান তলার বাসিন্দা রকি রজক মঙ্গলবার দুপুর থেকে ‘প্রেমিকা’ তনুশ্রী ঘোষের শহরের কাটানধারের বাড়ির দরজার সামনে ‘আমার নয় বছর ফিরিয়ে দাও’ দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ডসহ দু’জনের বেশ কিছু ছবি নিয়ে অনশনে বসেছেন।
‘প্রেমিক’ রকি রজকের দাবি, স্কুলে পড়াশুনার করার সময় থেকে তনুশ্রী ঘোষের সঙ্গে তার সম্পর্ক। হঠাৎ বাবা মারা যাওয়ায় মাঝপথে পড়াশুনা ছাড়তে বাধ্য হয়। বর্তমানে ব্যবসা করে সংসার চালান।এদিকে, দীর্ঘ নয় বছরের সম্পর্কের পর প্রেমিকা তনুশ্রী ঘোষ তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করছেন। গত ২ অক্টোবর তাদের মধ্যে শেষ কথা হয়েছে। এরপর বাড়ির লোকের কথায় কম পড়াশুনা জানা ছেলেকে বিয়ে করতে চায় না বলে স্পষ্টই জানিয়েছেন। যতোক্ষণ না পর্যন্ত প্রেমিকা তাকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে ততোক্ষণ পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

‘প্রেমিক’ রকি রজকের বন্ধু সুমন্ত দাস রজকও দাবি করেন, দু’জনের মধ্যে গত ন’বছর ধরে সম্পর্ক রয়েছে। দু’জন দু’জনের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। এরপর তনুশ্রী ঘোষ তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তিনি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।তবে তনুশ্রী ঘোষের মা মালতী ঘোষের দবি, ওই তরুণ সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছেন। তার মেয়েকে রকি রজক প্রায়ই বিরক্ত করতেন। বিষয়টি নিয়ে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল।
দু’জনের একসঙ্গে ছবি প্রসঙ্গে বলেন, এখন এই সব ছবি তৈরি করা যায়, সবাই সেটা ভালো করেই জানেন। মেয়ের বদনাম করতে ওই তরুণ মিথ্যা কথা বলছেন বলেও তার দাবি।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’