ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০

লকডাউনের ভিতরেই বিধবা শাশুড়ীকে নিয়ে নতুন জামাই উধাও

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:৪৮:২৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-১১ ১২:৫৭:২০

গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১ বছর আগে আকারুলে সাথে ধর্ম জামাই শাশুড়ী সম্পর্ক গড়ে বিধবা আসমার। আসমার স্বামী না থাকার সুবাদে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গভীর হতে থাকে। শাশুড়ী আসমার পরিবার ছেলে সন্তান ও কর্মক্ষম বছর দেড়েক আগে ধর্ম জামাই-শাশুড়ী সম্পর্ক গড়ে ওঠে ববিতা ও আকারুলের সাথে।

সাবালক সন্তানও রয়েছে তাদের। কিন্তু স্ত্রীকে ছেড়ে যে বিধবা ধর্মশাশুড়ির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছেন জামাই আকারুল তা কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। শেষে সুযোগ বুঝে স্ত্রী-সন্তানকে ফে’লে বিধবা ধর্ম শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন আকারুল নামের জামাই।

তারপর থেকে ৩ সন্তানকে নিয়ে অসহায় অবস্থা স্ত্রীর। এমনই ঘটনা ঘটেছে বৃস্পতিবার (২ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজে’লার গোপালপুর গ্রামে।জামাই আকারুল হোসেন (৪০) ওই গ্রামের মৃ’ত মজিবর শেখের ছেলে ও শাশুড়ী আসমা খাতুন (৩৫) একই গ্রামের মৃ’ত ফারুক হোসেন স্ত্রী।

তবে তাদের চলাফেরা গতিবিধি স’ন্দেহজনক হলে গ্রামবাসীদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়। তবে বিধবা শাশুড়ীর নগদ টাকা পয়সা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেন। জামাই আকারুল ইসলাম পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। স্ত্রী-সন্তানকে ফে’লে রেখে বিধবা ধর্ম শাশুড়িকে নিয়ে পালানোর ঘটনায় ইতিমধ্যেই ওই গ্রাম ও আশেপাশের এলাকার সাধারন মানুষের মুখে মুখে সখকখমালোচনা ও মুখরোচক গল্প হয়ে উঠেছে। ব্যক্তি না থাকায় সংসারে সব কাজকর্ম জামাই আকারুলই করতো। যার কারণে তার বাড়িতে রাতে দিনে যাতায়াত ছিল জামাই আকারুলের।

তিনি আরো বলেন, ভাবি শা’রীরিক অ’সুস্থতার কথা বলে তার মায়ের বাড়িতে বেড়াতে যাই। পরে হয়তো আকারুলের সাথে যোগাযোগ করে পালিয়েছে।রাজমিস্ত্রী আকারুলের স্ত্রী জানান, আমার স্বামী রাজমিস্ত্রী কাজে বাহিরে যাচ্ছে বলে জানিয়ে বেরিয়েছি। যাওয়া সময় ঘরে থাকা কিছু নগদ টাকা নিয়ে গেছে। বিধবা আসমার দেবর মিলন হোসেন জানান, ভাই গত দেড় বছর আগে মালেশিয়ায় কর্মরত অবস্থায় মৃ’ত্যুবরণ করে। সেই থেকে ভাবি দুই মেয়েকে নিয়ে নিজের সংসার নিজেই দেখভাল করছে। আমাদের সাথে সাংসারিক বি’ষয় নিয়ে কোন আলাপ আলোচনা করে না বরং ধর্মজামাইকে নিয়ে তার ওঠাবসা।

নিত্যানন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জানান, গত ৩মাস আগে ওদের বি’ষয় নিয়ে পরিষদে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে তাদের সম্পর্ক নিয়ে কথা উঠে। তারা সমাজে সুন্দরভাবে বসবাস করবে এমন মুচলেকায় সালিম বৈঠক মীমাংশা হয়। তবে হুট করে এমন ন্যাক্কারজনক কাজ করবে কেউ ভাবতে পারেনী। ওদের সুষ্ঠু বিচার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন।

বিধবা আসমা আমার সংসার ভাঙার জন্য আমার স্বামীকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে। এখন আমার সন্তানদের নিয়ে সমাজে মুখ দেখাতে পারছি না।ইউপি সদস্য রাশিদুল ইসলাম জানান, আমার গ্রামের এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমি নিজেই বিব্রত। আমি লোকমুখে শুনেছি রাজমিস্ত্রী আকারুল বিধবা ধর্মশাশুড়ী আসমাকে নিয়ে পালিয়েছে। তবে এব্যাপারে দু’পরিবারের কেউ আমাকে কিছু জানাইনি।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’