ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

মন্ত্রী-এমপির দায়িত্ব পালন করেছি কিন্তু চু’রি-চামা`রি করি নাই: সোহেল তাজ

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:৪৭:১৪ || আপডেট: ২০২০-০৫-১১ ১২:৫৭:৫৬

সোহেল তাজ বলেছেন, আমি মন্ত্রী-এমপির দায়িত্ব পালন করেছি সততা নিষ্ঠার সাথে।

আমি চু’রি-চা’মা-রি করি নাই। সবকিছু টাকা-পয়সা দিয়ে হয় না। আমি টাকা-পয়সা দিতে

পারবো না। নিজেকে চলতেই আমার হিমশিম খেতে হয় মাঝে মাঝে।লোক দেখানোর

জন্য এসে কিছু ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার মানুষ নই।

এটা দয়া করে আমার কাছ থেকে আশা করবেন না। কিছু পাওয়ার জন্য আমি লোক

দেখানো কাজ করতে পারি না পারবো না, সরি।আমার যতটা সাধ্য আছে, অন্তর থেকে

যেটা করতে পারবো উপকার করতে পারি সেটা আমি করবো। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে সোহেল তাজ এসব কথা বলেন।তিনি

আরও বলেন, আমার কিছু দরকার নাই। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর সন্তান। আমার

বাবা জীবন দিয়ে গেছেন এ দেশের জন্য। আমার মা এদেশের গণতন্ত্র ও মানুষের জন্য

আন্দোলন করে সারাজীবন দিয়ে গেছেন।আমাদের পরিবার সারাজীবন ত্যাগ করেছে মানুষের জন্য।

ক’রোনাভা’ইরাস প্র’সঙ্গে সোহেল তাজ বলেন, প্রা’ণ’ঘা’তী এই ম’হামা’রী শেষে পরিস্থিতি

স্বাভাবিক হলে সুযোগসন্ধানী দু’র্নী-তিবাজদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।এই

ক’রোনা’ভা’ইরাস আমাদের জন্য অ’ভিশাপ। আমাদের দেশের গরীব মানুষদের ওপর

এর প্রভাব অবশ্যই পড়বে। এখানে দু’র্নী-তি হচ্ছে সবচেয়ে বড় ক্যান্সার।

দু’র্নী-তি যেন না হয়, সে দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। করোনা আ-ক্রা-ন্ত এবং মৃ-ত্যু-র

বিষয়ে তিনি বলেন, টেস্টিং যত বাড়বে, আ’ক্রা-ন্তের নাম্বার তত বাড়তে থাকবে।দেখা

যাবে বাংলাদেশে লাখ লাখ মানুষের করোনা হয়ে গেছে। কিন্তু আপনারা নার্ভাস হবেন

না।ভয় পাবেন না। স্বাস্থ্য ঠিক রাখেন। খাদ্যাভাস ঠিক রাখেন। খাদ্য হয়ত কিছুটা ভেজাল

আছে।নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল। পুষ্টিকর খাবারে কিছু ভেজাল থাকলেও কিছু

পুষ্টি পাবেন। আপনারা অসহায় বোধ করবেন না। আপনারা সাহস হারাবেন না।

যারা বয়স্ক ঝুঁ’কিপূর্ণ তাদেরকে সাবধানে রাখতে হবে।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’