ঢাকা, আজ শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

দাফনে বাধা, বাবার লাশ নিয়ে রাস্তায় ঘুরছেন ছেলে

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:৩২:৪৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:৩২:৪৫

শ্বাসকষ্টে বৃদ্ধ বাবা আবদুল হাইয়ের (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও করোনাভাইরাস সন্দেহে মরদেহ দাফনে বাধা দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় বাবার মরদেহ ভ্যানে নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন ছেলে শাহজাহান মিয়া (২৮)।সোমবার দিবাগত রাতে এমন দৃশ্য দেখা গেল ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ২নং ইউনিয়নের সাতুতী গ্রামে।

জানা যায়, গার্মেন্টকর্মী শাহজাহান মিয়া ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার স্বয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় বাবা আবদুল হাইকে সঙ্গে নিয়ে থাকতেন। দীর্ঘদিন ধরে বাবার শ্বাসকষ্ট।সোমবার সকালে বাবাকে নিয়ে তিনি গৌরীপুর উপজেলার সাতুতী গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরেন। এর পর আবদুল হাইয়ের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।চিকিৎসার জন্য বাবাকে নিয়ে যান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাড়ি ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে মারা যান বাবা।

অ্যাম্বুলেন্সে বাবার মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরলে দাফনে বাধা দেন আবদুল হাইয়ের ভাইয়ের ছেলে ও স্বজনরা। জমিসংক্রান্ত বিরোধ থাকার কারণে বাবার মরদেহ বাড়িতে নামাতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহজাহান মিয়া।ছেলে শাহজাহান মিয়ার অভিযোগ, বাবার মরদেহ নামাতে চাইলে তার চাচাতো ভাই রিপন, সাইফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, ফারুক মিয়া, রফিক মিয়া গং তাকেও মারপিট করেছেন।

মৃত আবদুল হাইয়ের স্ত্রী ফিরুজা খাতুন জানান, ওরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। এ সময় তিনি বলেন ‘আমরা নাকি তাকে (আবদুল হাই) মেরে ফেলেছি। এই কথা বলে আমাদের ওপর হামলা করেছে। এর পর শাহজাহান বাবার মরদেহ নিয়ে চলে যান তাঁতকুড়া এলাকায়।সেখানে একটি ভ্যানে বাবার মরদেহ নিয়ে দাফনের চেষ্টা করেন কোনাপাড়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে। সেখানেও দাফনে জটিলতা সৃষ্টি হয়। করোনাভাইরাসে মারা গেছে এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে যায়। ফলে সেখানেও দাফন সম্ভব হয়নি।

ভ্যানে বাবার মরদেহ নিয়ে সেখান থেকেও চলে আসতে হয়। গৌরীপুর বাজারের রাস্তায় এদিক-সেদিক ছোটাছুটির সময় রাত ২টার দিকে বিষয়টি জানতে পারেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এসো গৌরীপুর গড়ি’ সমন্বয়কারী আবদুল কাউছার চৌধুরী রন্টি।ফেসবুকে লাইফে বিষয়টি নজরে আসে এ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক শেখ বিপ্লবের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেঁজুতি ধর।

গৌরীপুর থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন জানান, পারিবারিক ও জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। সে কারণে দাফন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। পৌর কাউন্সিলর আতাউর রহমান আতার উপস্থিতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে। ফজরের নামাজের পর মঙ্গলবার ভোরে দাফনকাজ সম্পন্ন হয়।এসো গৌরীপুর গড়ি সমন্বয়কারী আবদুল কাউছার চৌধুরী রন্টি জানান, সংগঠনের পক্ষ থেকে দাফনের কাপড় ও অন্যান্য সরঞ্জাম আনা হয়েছে। পৌরসভার পশ্চিম দাপুনিয়ার গোরস্তানে দাফন হয়। যুগান্তর

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’