ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

অবিলম্বে মসজিদ খুলে দেয়ার দাবী জানিয়ে ২০০ আলেমের বিবৃতি

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:০৯:২৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৬ ০৬:০৯:২৫

শীর্ষ ও বিশিষ্ট ২০০ ওলামায়ে কেরাম এক যুক্ত বিবৃতিতে অবিলম্বে মসজিদ উন্মুক্ত করার দাবী জানিয়ে বলেন, শপিংমল-মার্কেট, গার্মেন্টস-ইন্ডাস্ট্রি খুলে দেয়ার পরও সরকার মহিমান্বিত রমজান মাসে মসজিদ উন্মুক্তের ঘোষণা না দেয়ায় দেশবাসী মর্মাহত হয়েছেন। ওলামায়ে কেরাম বলেন, দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম, আল্লামা শাহ আহমদ শফীসহ শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রতি সরকার শ্রদ্ধাশীল হয়ে মসজিদ খুলে দিবেন বলে আমরা আশাবাদী ছিলাম।

কিন্তু দেশের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়, শপিংমল-মার্কেট, গার্মেন্টস, কল-কারখানা চালু করার ঘোষণা আসলেও সরকারের পক্ষ থেকে সুস্থ্য সকল মুসল্লীদের মসজিদে নামাজ আদায়ের ঘোষণা আসেনি। রমজান মাস সত্ত্বেও মুসল্লীরা মসজিদে গিয়ে ৫ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা, তারাবিহ ও ইবাদত-বন্দেগী করতে না পেরে আর্ত চিৎকার করছে। রোযাদারদের হৃদয়ের কান্নায় সরকার বেকায়দায় পড়তে পারে। অবিলম্বে মসজিদ খুলে দিন অন্যথায় ধর্মপ্রাণ জনতা সরকারের ঘোষণার অপেক্ষা না করে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করতে বাধ্য হবে।

ওলামায়ে কেরাম আরো বলেন, মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ওলামায়ে কেরামের পরামর্শ মোতাবেক পরিচালিত হওয়াই যুক্তিসঙ্গত। শর্ত সাপেক্ষে কল-কারখানা, গার্মেন্টস, হাট-বাজার, ব্যাংক ইত্যাদি চালু থাকলে সতর্কতার সাথে রহমতের স্থান মসজিদ খুলে দিতে বাঁধা কোথায়? সরকার কোন টেস্টে নিশ্চিত হলেন যে গার্মেন্টস কর্মী ও শপিংমলে যাতায়াতকারীদের করোনা নেই? মুসল্লীগণ অজু-গোসল করে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মসজিদে এসে থাকেন। তথাপি করোনা ভাইরাস কি শুধু মসজিদকেই চিনে? তাহলে উন্নত রাষ্ট্রসমূহে মসজিদের সংখ্যা খুবই স্বল্প হওয়া সত্ত্বেও সেখানে করোনায় সর্বাধিক আক্রান্ত হচ্ছে কেন? করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা এবং আল্লাহর কাছে খালেস দিলে তাওবা-এস্তেগফার, নামাজ-রোজা, দোয়ায়ে ইউনুস সহ অন্যান্য দোয়া অব্যাহত রেখে সবধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাঁরা সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

বিবৃতিদাতাগণ হলেন, হাটহাজারী মাদরাসার প্রধান মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী, চট্রগ্রাম বাবুনগর মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, বারিধারা মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী, সাবেক মন্ত্রী মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, শায়খুল হাদিস মাওলানা নুরুল ইসলাম (আদীব হুজুর), মহাপরিচালক ওলামা বাজার মাদরাসা ফেনী, মাওলানা নুরুল ইসলাম শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল, মাখজানুল উলূম খিলগাঁও, ঢাকা। শায়খুল হাদিস মাওলানা মুনিরুজ্জামান সিরাজী (বড় হুজুর) ব্রাক্ষণবাড়িয়া। জামিয়া ইউনুসিয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ার প্রিন্সিপাল মুফতি মুবারকুল্লাহ, মাওলানা শাহ মোহাম্মদ তৈয়্যব, মহাপরিচালক, জিরি মাদরাসা চট্রগ্রাম। শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস,

শায়খুল হাদিস মাওলানা আব্দুল হক, খতিব ময়মনসিংহ বড় মসজিদ। শায়খুল হাদীস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বারিধারা। অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, পীর সাহেব কাপাসিয়া, গাজিপুর। শায়খুল হাদিস মুফতি আব্দুল বারী, প্রিন্সিপাল, জামিয়া আশরাফিয়া সাইনবোর্ড, ঢাকা। মাওলানা মাহফুজুল হক প্রিন্সিপাল, জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া ঢাকা। মারকাজুল উলুম খুলনার প্রিন্সিপাল মুফতি গোলাম রহমান, শায়খুল হাদিস মাওলানা সোলায়মান নোমানী, হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর সুযোগ্য খলিফা শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসমাঈল বরিশালী। মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী মহাসচিব, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। শায়খুল হাদিস মাওলানা শেখ আজীমুদ্দীন। শায়খুল হাদিস মুফতি মহিবুল হক, মুহতামিম, দরগাহ মাদরাসা সিলেট। মুফতি জসীমুদ্দীন হাটহাজারী মাদরাসা। জামিয়া নুরিয়ার প্রধান মুফতি মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রহমান, শায়খুল হাদিস উজানী মাদরাসা চাঁদপুর। মুফতি ইয়াহইয়া, প্রধান মুফতি লালবাগ মাদরাসা, ঢাকা। মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক, বরুণা পীর, মৌলভীবাজার। মাওলানা আবুল কালাম প্রিন্সিপাল, জামিয়া মুহাম্মদিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। শায়খুল হাদিস মাওলাানা আব্দুল আউয়াল, খতিব, ডি আই টি মসজিদ, নারায়নগঞ্জ। মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, প্রিন্সিপাল দেওভোগ মাদরাসা, নারায়ানগঞ্জ। মুফতি মুশতাকুন্নবী কাসেমী, মুহতামিম, দারুল ঊলূম সুধন্যপুর, কুমিল্লা। মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, সহসভাপতি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। ড. মাওলানা মোহাম্মদ ঈসা শাহেদী, আমীর ইসলামী ঐক্য আন্দোলন। মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, নায়েবে আমীর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী, নায়েবে আমীর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাযী, ঢাকা। মাওলানা সারোয়ার কামাল আজিজী সভাপতি, নেজামে ইসলাাম পার্টি।

মাওলানা সাখাওয়াত হুসাইন নায়েবে আমীর, খেলাফত মজলিস। মাওলানা হাজী ফারুক আহমাদ, শায়খুল হাদিস ইশাআতুল উলূম লক্ষীপুর। শায়খুল হাদিস শাইখ নাসিরুদ্দিন সিলেট ও মুফতি ওমর ফারুক বিন মুফতি নুরুল্লাহ, বরিশাল। মাওলানা মুফতি কুতুবুদ্দিন, শায়খুল হাদিস নানুপুর মাদরাসা চট্রগ্রাম। মাওলানা শিব্বির আহমাদ, চরমটুয়া, নোয়াখালী। মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, পেশ ইমাম, চকবাজার শাহী মসজিদ ঢাকা। মাওলানা মাসুদুল করিম, প্রিন্সিপাল দারুল উলুম টঙ্গী। মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস, জামিয়াতুল মানহাল, উত্তরা, ঢাকা। মুফতি আবুল হাসান শামসাবাদী, সম্পাদক মাসিক আদর্শ নারী। মুফতি গোলাম রব্বানী, নিলফামারী। মুফতি নুরুল ইসলাম খান, শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল দরগাপুর মাদরাসা, সুনামগঞ্জ। মুফতি ইফতেখারুল ইসলাম, মুহাদ্দিস, তেঘরিয়া মাদরাসা সুনামগঞ্জ। শায়খুল হাদিস মুফতি আবুল হাসান, রংপুর। মুফতি বশিরুল্লাহ মাদানীনগর মাদরাসা। মাওলানা আনোয়ারুল করীম, মুহতামিম, রেল স্টেশন মাদরাসা যশোর। মুফতি রফিকুর রহমান খুলনা। মুফতি গোলামুর রহমান প্রিন্সিপাল ইমদাদুল উলুম খুলনা। মাওলানা আব্দুল হামিদ, সভাপতি বৃহত্তর কুষ্টিয়া ওলামা পরিষদ। মাওলানা আকরাম আলী, বাহিরদিয়া মাদরাসা, ফরিদপুর। মাওলানা ইসমাঈল ইবরাহীম, প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদীস, ভবানীপুর মাদরাসা, গোপালগঞ্জ। মুফতি মুনির হুসাইন, প্রিন্সিপাল রাণীরবাজার মাদরাসা কুমিল্লা। মাওলানা আব্দুল বাসেত আজাদ (বড় হুজুর বানিয়াচং) হবিগঞ্জ।

মুফতি লিহাজ উদ্দিন, মুহতামিম জামিয়া নূরিয়া, গাজিপুর। মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, সভাপতি, সাভার উপজেলা ওলামা পরিষদ। মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, প্রিন্সিপাল জামিয়া মাআরিফুল কোরআন ঢাকা। মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, মুহতামিম, হুসনুল কুরআন মাদরাসা, ঢাকা। মুফতি শেখ মজিবুর রহমান, শায়খুল হাদিস জামিয়া আশরাফিয়া পটুয়াখালী। মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, প্রিন্সিপাল দারুল উলুম নতুনবাগ রামপুরা ঢাকা। মুফতি সাঈদুর রহমান, মুহতামিম আল কাউসার আল ইসলামিয়া, কল্যাণপুর ঢাকা। মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়জী, মেখল মাদরাসা চট্টগ্রাম। মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, মহাসচিব ইত্তিফাকুল মুসলিমীন বাংলাদেশ। জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সেক্রেটারী জেনারেল মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন, মুফতি সাইফুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল মোস্তফাগঞ্জ মাদরাসা মুন্সিগঞ্জ। শায়খুল হাদিস মুফতি হাসান ফারুক মুহতামিম জামিয়া ফারুকিয়া, গজারিয়া মুন্সিগঞ্জ। মাওলানা বশিরুদ্দিন, শায়খুল হাদিস দত্তপাড়া মাদরাসা নরসিংদী। মাওলানা আব্দুল হালিম, মুহতামিম খাজা মঈনুদ্দিন মাদরাসা, বরিশাল। মাওলানা আলী আহমাদ পীরসাহেব চন্ডিবর্দী, মাদারীপুর। মুফতি শফিউল্লাহ খান, সভাপতি, শরীয়তপুর উলামা পরিষদ, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার, প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস, মনুয়া মাদরাসা, শরীয়তপুর, মুফতি রশিদ আহমদ, প্রধান মুফতি বৌয়াকুর মাদরাসা, নরসিংদী। মুফতি রঈসুল ইসলাম, প্রধান মুফতি জামিয়া ফয়জুর রহমান, ময়মনসিংহ, মাওলানা আব্দুর রহমান খান তালুকদার, সভাপতি, সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ ভোলা, মাওলানা আবুল কাসেম, প্রিন্সিপাল, জামিয়া মিফতাহুল উলুম নেত্রকোনা, মাওলানা আব্দুল মতিন, সহকারী প্রিন্সিপাল নেত্রকোনা কামিল মাদরাসা, মুফতি আব্দুল বারী, নেত্রকোনা, মুফতি আবু দাউদ, প্রিন্সিপাল মঙ্গলবাড়ীয়া মাদরাসা কুষ্টিয়া। মুফতি মাসউদুর রহমান, প্রধান মুফতি ভবানীপুর মাদরাসাম গোপালগঞ্জ। মাওলানা আব্দুর রাশেদ ফরিদপুর। মাওলানা আব্দুল মতিন, খলিফা হাফেজ্জী হুজুর রহ.। মুফতি শিহাবুদ্দিন কাসেমী, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ। মুফতি আরিফ বিল্লাহ, সভাপতি ঝিনাইদহ ওলামা পরিষদ।

মাওলানা শফিউল্লাহ, মুহতামিম জামিয়া ইসলামিয়া চৌমুহনী নোয়াখালী। মুফতি আব্দুস সালাম, মুহাদ্দিস ধুলেরচর মাদরাসা টাঙ্গাইল। মাওলানা গাজী ইউসুফ, ফেনী। মাওলানা আব্দুল হাই উত্তরা, ঢাকা। মাওলানা আব্দুল হক, কক্সবাজার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, রামু, কক্সবাজার, মাওলানা আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, টেকনাফ কক্সবাজার। মাওলানা আব্দুল হক কাউসারী পটুয়াখালী। মুফতি আজমল হুসাইন, সভাপতি, ইত্তেহাদুল উলামা, রাজশাহী। মুফতি আব্দুল্লাহ শায়খুল হাদীস ও প্রধান মুফতি, জামিয়া ইশাআতুল উলূম, নেত্রকোনা। মাওলানা ইসমাঈল মাহমূদ, শিক্ষাসচিব, রেলওয়ে মাদরাসা, সিরাজগঞ্জ। মাওলানা শরীফুল ইসলাম, মুহতামিম, নিউটাউন মাদরাসা, দিনাজপুর, মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমী দিনাজপুর। মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সভাপতি, ইশাআতে ইসলাম, দিনাজপুর। মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, সভাপতি বাংলাদেশ আইম্মা পরিষদ। মাওলানা জয়নুল আবেদীন, প্রিন্সিপাল চরিতাবাড়ী মাদরাসা লালমনিরহাট। মুফতি আব্দুল আজীজ, হাটহাজারী। মাওলানা এনামুল হক মুসা, সভাপতি সচেতন ওলামা সমাজ। মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী, সভাপতি ইমাম ও ওলামা পরিষদ। মুফতি ইলিয়াস মাদারীপুরী, সভাপতি জাতীয় ইমাম সমাজ কামরাঙ্গীরচর। মুফতি আবুল কালাম, প্রিন্সিপাল, দারুল উলূম মিরপুর-৬। মাওলানা মীর ইদরীস, প্রিন্সিপাল দারুল হুদা, চট্রগ্রাম। মুফতি সামসুদ্দিন বড়াইলী, মারকাজুল হুদা ঢাকা। মুফতি আখতারুজ্জামান, প্রধান মুফতি দারুল উলুম মাহমুদিয়া ঢাকা। মাওলানা আশরাফুজ্জামান পাহাড়পুরী, পরিচালক, আল মারকাযুল ইলমী বাংলাদেশ। মাওলানা আহসান উল্লাহ, প্রিন্সিপাল মাহফুজুল কোরআন মাদরাসা, ঢাকা। মাওলানা মুফতি রেজাউল করিম, সেক্রটারী বৃহত্তর কুষ্টিয়া ওলামা পরিষদ। মুফতি আব্দুল বারী, প্রধান মুফতি মদিনাতুল উলুম আমীনবাজার ঢাকা। মাওলানা মাসউদুর রহমান বিক্রমপুরী, মুফতী ইলিয়াস মাদারীপুরী, মুফতী আঃ হাফিজ গোপালগঞ্জ, মুফতি আব্দুর রহমান আজাদ বাগেরহাট, মুফতী আব্দুর রহমান বেতাগী পটুয়াখালী, মুফতী রাইহান ফরহাত ঢাকা, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জ, মুফতী আফজাল হুসাইন শরীয়তপুর, মুফতী হাবিবুর রহমান শরীয়তপুর, মুফতি আবু মূসা শরীয়তপুর, মুফতি জাকির বিল্লাহ মাদারীপুর, মুফতি খায়রুজ্জামান ফরিদপুর, মাওলানা বেলাল মাদারীপুর, মাওলানা বেলাল হুসাইন ফরিদপুর, মুফতি শরীফুল ইসলাম চাঁদপুর, মুফতি আল আমিন নরসিংদী, মুফতি মোয়াজ্জম হুসাইন কুমিল্লা, মুফতি হুসাইন আহমাদ কুমিল্লা, মুফতি আমানুল্লাহ বসন্তপুরী কুমিল্লা, মাওলানা মোস্তাকিম সিলেট, মুফতি মাহবূবুর রহমান গোপালগঞ্জ, মাওলানা মাহমূদুল হাসান বরিশাল, মাওলানা আব্দুল্লাহ কাসেমী বি.বাড়িয়া, মুফতি মুফীজুর রহমান নোয়াখালী, মুফতি আবুল কাসেম কুমিল্লা, মাওলানা মামূনুর রশীদ ঢাকা, মাওলানা নজরুল ইসলাম গাজীপুর, মুফতি সাজ্জাদুর রহমান যশোর, মুফতী শাহাদাত হুসাইন ফেনী, মুফতি আবু সুফিয়ান, মুফতি জাকির হুসাইন, মুফতি ইয়াকুব হুসাইন, মুফতি ওমর ফারুক, মুফতি ইসমাঈল চাঁদপুর, মুফতি আমিনুল ইসলাম পিরোজপুর, মুফতি মোশারফ হুসাইন মাদারীপুর, মুফতি জসিমুদ্দীন হবিগঞ্জ, মুফতি নাদিম আহমাদ ঢাকা, মুফতি মোহাম্মাদুল্লাহ নোমানী মোমেনশাহী, মুফতি দেলোয়ার হুসাইন বরিশাল, মুফতি শহীদুল্লাহ বরিশাল, মুফতি আঃ রাজ্জাক বরিশাল, মুফতি মোশারফ হুসাইন, মাওলানা জাবের মাহমূদ নোয়াখালী, মাওলানা সাঈদ আহমদ খুলনা, মাওলানা সোহাইল চাঁদপুর, মাওলানা মহিউদ্দীন চাঁদপুর, মাওলানা শামসুজ্জামান শরীয়তপুর, মাওলানা কামরুজ্জামান রাহমানী চাঁদপুর, মাওলানা মোহাম্মদুল্লাহ চাঁদপুর, মাওলানা আবু সাঈদ চাঁদপুর, মাওলানা মুনীরুল ইসলাম চাঁদপুর, মাওলানা আমানুল্লাহ কুষ্টিয়া, মুফতি জাকির হুসাইন চাঁদপুর, মাওলানা জহিরুল ইসলাম চাঁদপুর, মাওলানা সাইফুল ইসলাম ঝিনাইদহ,

মুফতি জাফর আহমদ গোপালগঞ্জ, মাওলানা শফিকুল ইসলাম গোপালগঞ্জ, মাওলানা মোঃ আজীজুর রহমান গোপালগঞ্জ। মুফতি মাসুম বিল্লাহ গোপালগঞ্জ, মাওলানা তরীকুল ইসলাম গোপালগঞ্জ, মাওলানা বশীর আহমাদ গোপালগঞ্জ, মাওলানা হারুনুর রশীদ গোপালগঞ্জ, মাওলানা আলীআসগর মানিকগঞ্জ, মুফতি ওমর ফারুক মুন্সীগঞ্জ, মুফতি রুহুল আমিন কুড়িগ্রাম, মাওলানা হুসাইন আহামদ নোয়াখালী, মুফতি সিদ্দীকুর রহমান সাইফী বাগেরহাট, মাওলানা ফরিদ আহমাদ বাগেরহাট, মাওলানা ওমর ফারুক বাগেরহাট, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ বি.বাড়িয়া, মাওলানা আবু বকর সিদ্দীক ভোলা, মাওলানা কামাল উদ্দীন নোমানী ভোলা, মুফতি সালিমুল্লাহ খান সালিম নীলফামারী, মুফতি আখতারুজ্জামান রংপুর, মাওলানা আব্দুর রহীম রংপুর, মাওলানা রেজা বিন আনোয়ার রংপুর, মুফতি উসমান গণী নেত্রকোনা, মুফতি আজহারুল ইসলাম ফরিদী মোমেনশাহী, মাওলানা আব্দুর রউফ মোমেনশাহী, মাওলানা ওমর ফারুক কিশোরগঞ্জ, মাওলানা মুহাম্মদ মূসা বি.বাড়ীয়া প্রমুখ।

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আলহামদুলিল্লাহ! মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতেছে: মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ

দেশের প্রখাত আলেম দীন, বিশিষ্টি ফকীহ মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে উলামায়ে কেরামের দাবী অনুযায়ী সুস্থ বেক্তিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা আসছে।

তিনি মঙ্গলবার (৫মে) রাত ১০টার দিকে এই স্টাটাস দেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পোষ্টটিতে ১৩০০ মানুষ লাইক করেছে ও ১৮৮টা কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত পোষ্টটি ২৪১জন মানুষ সেয়ার করেছে।

পোষ্টের কমেন্টে গোলাম মোস্তফা লিখেছেন, কোটি কোটি ইমানদারগণের প্রানের দাবী, অবিলম্বে মসজিদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হউক।

মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ লিখেছেন, কোটি মুমিনের দিলের তামান্না পূরণের পথে ইনশাআল্লাহ।

সাইট সাব্বির আহমেদ লিখেছেন, সীমিত আকারেত খোলা আছে। নতুন সীমিত আকার কেন? আমভাবে মসজিদে জামাত আদায় করার আনুমতি দেওয়া হোক। ইনশাআল্লাহ মহান রাব্বে কারীম আমাদের এই করোনা মহামারী থেকে হেফাজত করবেন।

আবু বকর সিদ্দীক্ব লিখেছেন, রমজানের পর মাদরাসা গুলোও খোলার ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবো।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’