ঢাকা, আজ বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

সদর হাসপাতালে চিকিৎসক না পেয়ে ভ্যানের মধ্যে গৃহবধূর সন্তান প্রসব!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৫ ২০:১৭:২৯ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৫ ২০:১৭:২৯

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাবে হাসপাতালের বাইরেই ভ্যানের উপরেই সন্তান প্রসব হল এক গৃহবধুর। গত পহেলা মে সকালে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের বাইরেই এই ঘটনা ঘটে। এসময় অনেকেই দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করলেও বিয়ষটি নিয়ে কেউ কথা বলেননি।

চিকিৎসকদের না পেয়ে সঙ্গে থাকা লোকজন ভ্যানের উপরেই কাপড় ঘিরে ডেলিভারি করায় ওই বধূর। সদর উপজেলার মাছখোলা ঝুটিতলা ঋষিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ। অবশেষে হাসপাতালের বাইরেই ডেলিভারি হওয়ার পর আর হাসপাতালে ভর্তি না করেই বাড়িতেই চলে গেলেন তারা।এসময় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. অসীম সরকারের সাথে গত দুইদিন তার ব্যক্তিগত সেলফোনে কল করে রিসিভ না হওয়ায় কথা বলা সম্ভব হয়নি বা কেন হাসপাতালের বাইরে সন্তান প্রসব হল তা জানা যায়নি।

তবে রোববার রাতে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুসাইন সাফায়েত ঘটনা শুনে হতবাক হয়ে বলেন, আপনার কাছে ফুটেজ থাকলে আমাকে দেন। ওই ফুটেজ দেখে এবং সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে তারপর কী করা যায় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবেকাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য শপিংমল খুলে দেওয়া হচ্ছে এটা বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকার রমজান ও ঈদের কথা বলে প্রথমে তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরে ১০ মে থেকে দোকান-পাট খোলার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। কিন্তু কাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন?

মঙ্গলবার (৫মে) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শপিংমল খুলে দিচ্ছেন খুব ভালো কথা। ঈদে আপনার মানুষগুলো যারা কাজ করে, কাপড় তৈরি করে, কেনাবেচা করে ছোট-বড় ব্যবসায়ী তাদের জন্য প্রয়োজন আছে। সেটা কি মানুষের জীবনের বিনিময়ে? একটা মাস কি সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যেত না? আসলে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যর্থতার কারণে আজ দেশকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

‘সরকার যে শাটডাউন তুলে নিচ্ছে, এতে যে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে-এটা কেনো করছে? আমাদের কাছে যেটা মনে হয় সেটা হচ্ছে যে, তাদের অজ্ঞতা, উদাসীনতা ও জনগণের কাছে যে জবাবদিহিতা নেই সেজন্য তারা এটা করতে পারছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষের জীবন-জীবিকা দুইটাই ঠিক রাখতে হবে। কিন্তু সংক্রমণ যেহেতু এখনো ঊর্ধ্বমুখী, সেহেতু আরো কিছুদিন ধরে অবরুদ্ধ সমাজিক দূরত্ব নীতিমালা কঠোরভাবে পালন করা উচিত ছিল।

‘আজ শুনলাম এক ভদ্রলোক বলছেন, শপিংমল খুলবে না কেনো? অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডতো চালু রাখতে হবে। আমরাও তো চাই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখতে। সেটা কি জনগণের জীবনের মূল্যে। তাদের বাঁচিয়ে রেখেই তো সবকিছু করবেন। এটাই তো রাষ্ট্র যারা পরিচালনা করেন তাদের দায়িত্ব।

লকডাউনে গার্মেন্ট খোলার বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন সবই খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা টেলিভিশনে যেটা দেখছি সেটা ভয়ংকর পরিস্থিতি একটা। প্রায় বেশিরভাগ কারখানায় নিরাপত্তার যে ন্যূনতম ব্যবস্থা, সেগুলো নেই।কাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য শপিংমল খুলে দেওয়া হচ্ছে এটা বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকার রমজান ও ঈদের কথা বলে প্রথমে তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরে ১০ মে থেকে দোকান-পাট খোলার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। কিন্তু কাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন?

মঙ্গলবার (৫মে) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শপিংমল খুলে দিচ্ছেন খুব ভালো কথা। ঈদে আপনার মানুষগুলো যারা কাজ করে, কাপড় তৈরি করে, কেনাবেচা করে ছোট-বড় ব্যবসায়ী তাদের জন্য প্রয়োজন আছে। সেটা কি মানুষের জীবনের বিনিময়ে? একটা মাস কি সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যেত না? আসলে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যর্থতার কারণে আজ দেশকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

‘সরকার যে শাটডাউন তুলে নিচ্ছে, এতে যে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে-এটা কেনো করছে? আমাদের কাছে যেটা মনে হয় সেটা হচ্ছে যে, তাদের অজ্ঞতা, উদাসীনতা ও জনগণের কাছে যে জবাবদিহিতা নেই সেজন্য তারা এটা করতে পারছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষের জীবন-জীবিকা দুইটাই ঠিক রাখতে হবে। কিন্তু সংক্রমণ যেহেতু এখনো ঊর্ধ্বমুখী, সেহেতু আরো কিছুদিন ধরে অবরুদ্ধ সমাজিক দূরত্ব নীতিমালা কঠোরভাবে পালন করা উচিত ছিল।

‘আজ শুনলাম এক ভদ্রলোক বলছেন, শপিংমল খুলবে না কেনো? অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডতো চালু রাখতে হবে। আমরাও তো চাই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখতে। সেটা কি জনগণের জীবনের মূল্যে। তাদের বাঁচিয়ে রেখেই তো সবকিছু করবেন। এটাই তো রাষ্ট্র যারা পরিচালনা করেন তাদের দায়িত্ব।

লকডাউনে গার্মেন্ট খোলার বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন সবই খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা টেলিভিশনে যেটা দেখছি সেটা ভয়ংকর পরিস্থিতি একটা। প্রায় বেশিরভাগ কারখানায় নিরাপত্তার যে ন্যূনতম ব্যবস্থা, সেগুলো নেই।সবকিছু খুলে দিলে রোগী বাড়বেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, যেহেতু স্বাভাবিকভাবে এখন কি না মার্কেট খোলা হয়েছে, গার্মেন্ট খোলা হয়েছে, দোকনপাটে আনাগোনা বাড়ছে। কাজেই সংক্রমণ যে একটু বৃদ্ধি পাবে, এটা আমরা ধরেই নিতে পারি। সব কিছু খুলে দিলে রোগী বাড়বেই’।

মঙ্গলবার বিকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাস টেকনিক্যাল কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশে এখন ক্রমশ করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংক্রমণ কিছু বাড়ছে। গত ৮-১০ দিন ধরে দেখেছি চার থেকে পাঁচশ রোগী হত, কিন্তু এখন ছয়শও ছাড়িয়ে গেছে, আজ সাতশ ছাড়িয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, “আমাদেরকে যতটুকু সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জীবন ও জীবিকা দুটিই সঙ্গে সঙ্গে যাবে। কাজেই সেভাবেই কাজগুলো হবে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করবে যাতে রোগী না বাড়ে। আমাদের দায়িত্ব হল যাতে রোগীগুলো সঠিক চিকিৎসা পায়, সঠিকভাবে রাখতে পারি।”

সংক্রমণ বাড়তে থাকার মধ্যে ১০ মে শপিং মল খোলা জরুরি ছিল কি না জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “টেকনিক্যাল কমিটি এই বিষয়টি সভায় তুলে ধরেছেন। কমিটি একটি প্রস্তাবনা দেবেন এবং সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ দেবেন। সেই পরামর্শটা আমরা যথাযথ জায়গায় দিয়ে দেব। খুব শিগগিরই এই মতামত ও পরামর্শ দেবেন।”

চিকিৎসকদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, কেন চিকিৎসকরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “গতকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর নিয়োগের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। টেকনিক্যাল কমিটির আলোচনায়ও এই বিষয়টি উঠে আসে। এই বিষয়ে মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং এটা একটা প্রসেসে আছে। আশা করি, অল্প সময়ের মধ্যে এই কাজটি এগিয়ে নিতে পারব।”

করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সবাইকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। প্রথম এক মাস বাইরের সব ধরনের কাজকর্ম, দোকানপাট, কল-কারখানা ও গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও কিছু দিন ধরে পোশাক কারখানা চালু হয়েছে। আগামী ১০ মে থেকে শপিং মলগুলোও খোলার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা এ যাবৎকালে একদিনে সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯২৯ জন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন দুই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ব্যাংকার, পুলিশসহ ১৮৩ জন।