ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

রাজধানীতে দায়িত্বরত অবস্থায় হঠাৎ মাথা ঘুরে রাস্তায় পড়ে ট্রাফিক পুলিশের মৃত্যু

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৫৬:৪৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৫৬:৪৮

রাজধানী ঢাকার নিউমার্কেট ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত অবস্থায় এক ট্রাফিক কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে এই পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়।

মৃত কনস্টেবল বশির উদ্দীন (৪২) ট্রাফিক দক্ষিণে কর্মরত ছিলেন। তিনি পাবনার আমিনপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, নিউমার্কেটে ডিউটিরত অবস্থায় ট্রাফিক কনস্টেবল হঠাৎ মাথা ঘুরে রাস্তাতেই পড়ে যান।

সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ৩টা ৪৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের সার্জেন্ট রাশিদুল ইসলাম জানান, বশির নিউমার্কেট ক্রসিংয়ে ডিউটির সময় মাথা ঘুরে পড়ে যায়। পরে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে নিয়ে কটাক্ষকারীদের সতর্ক করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে গালিগালাজ করলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের এই সংসদ সদস্য।

আজ রোববার (৩ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভায় এ কথা বলেন সাংসদ মোকতাদির।

লকডাউনের মধ্যেই ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় বরেণ্য আলেম মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারীর জানাজার নামাজে লাখো মানুষের সমাগম হওয়ার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে কটাক্ষ করে আপত্তিকর পোস্ট দেন।

তাদের উদ্দেশ করে সাংসদ মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিছু হলেই ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে গালি দেয়। কী যে অপরাধ করলাম, এটা আমরা বুঝলাম না। ব্রহ্মণবাড়িয়াকে গালি দেয়া খুবই সহজ। যারা গালি দেয় তাদের বিরুদ্ধে আমরা যতটা পারি আইনগত ব্যবস্থা নেব এবং আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’

তিনি বলেন, ‘কারো রক্তচক্ষুকে আমরা ভয় পাই না। আমার সহকর্মীদের বলেছি যদি নিয়মিত মামলা না হয়, তাহলে কারো কারো বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত মামলা করার চেষ্টা করছি। যদি না হয় তাহলে আমরা হয়তো উকিল নোটিশ দিয়ে আদালতে তাদের দাঁড় করাব।’

এছাড়া চাল ও ত্রাণ চুরির ঘটনায় সতর্ক করে সাংসদ মোকতাদির বলেন, যাদেরকে ত্রাণ দেয়া হবে তারা যেন সঠিক লোক হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। চুরির জন্য যদি জনপ্রতিনিধি কিংবা আমাদের দলীয় লোক অভিযুক্ত হন, আমরা কাউকে ছাড় দেব না।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার প্রমুখ।