ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনুমতি ছাড়া বিএসএমএমইউর কেউ গণমাধ্যমে কথা বলতে পারবে না

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৫৪:৩৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৫৪:৩৭

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মিডিয়ায় বক্তব্য না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র সব শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে।

আজ রবিবার (০৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে গতকালের তারিখ উল্লেখ থাকলেও আজ তা প্রকাশ্যে এসেছে।

এতে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে এখন থেকে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য ও বিবৃতি প্রদান না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস/শেয়ার প্রদান করার ক্ষেত্রে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সে সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

এর আগে সরকারি হাসপাতালের নার্সদেরও গণমাধ্যমে কথা বলার ক্ষেত্রে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। গত ১৫ এপ্রিল নার্সদের প্রতি এই নির্দেশনা আসার কয়েক দিনের মাথায় অনুমতি ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরও কোনো বিবৃতি না দিতে বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।করোনা মহামারি মোকাবিলায় সকল রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, অথচ দেশের এই ক্রাইসিস মুহূর্তে সরকার চেয়ার হারানোর ভয়ে জাতীয় ঐক্য করছে না।

রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সভায় নুর এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন দেশের বর্তমানে যে অবস্থা তা সবেমাত্র শুরু আমাদের আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির অপেক্ষা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে নুর বলেন, দেশ যাতে দুর্যোগে-দুর্ভোগের দিকে না যায় সে কথা বিবেচনা করে সকল রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের নিয়ে অনলাইন কনফারেন্সে অথবা যেভাবে হোক একটা জাতীয় ঐক্যের গড়ে তুলুন বলেও আহ্বান জানান তিনি।

নুর বলেন, গার্মেন্টস খোলা নিয়ে সরকারের দ্বিমুখী নীতি দেখা গেছে। গার্মেন্টস খুলছে অথচ আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানেন না। তিনি জানেন না দোকান বন্ধ রাখার নিয়ম ২টা থেকে ৪টা করা হয়েছে। এটা চরম সমন্বয়হীনতার ফল।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে নিয়ে কটাক্ষকারীদের সতর্ক করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে গালিগালাজ করলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের এই সংসদ সদস্য।

আজ রোববার (৩ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভায় এ কথা বলেন সাংসদ মোকতাদির।

লকডাউনের মধ্যেই ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় বরেণ্য আলেম মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারীর জানাজার নামাজে লাখো মানুষের সমাগম হওয়ার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে কটাক্ষ করে আপত্তিকর পোস্ট দেন।

তাদের উদ্দেশ করে সাংসদ মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিছু হলেই ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে গালি দেয়। কী যে অপরাধ করলাম, এটা আমরা বুঝলাম না। ব্রহ্মণবাড়িয়াকে গালি দেয়া খুবই সহজ। যারা গালি দেয় তাদের বিরুদ্ধে আমরা যতটা পারি আইনগত ব্যবস্থা নেব এবং আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’

তিনি বলেন, ‘কারো রক্তচক্ষুকে আমরা ভয় পাই না। আমার সহকর্মীদের বলেছি যদি নিয়মিত মামলা না হয়, তাহলে কারো কারো বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত মামলা করার চেষ্টা করছি। যদি না হয় তাহলে আমরা হয়তো উকিল নোটিশ দিয়ে আদালতে তাদের দাঁড় করাব।’

এছাড়া চাল ও ত্রাণ চুরির ঘটনায় সতর্ক করে সাংসদ মোকতাদির বলেন, যাদেরকে ত্রাণ দেয়া হবে তারা যেন সঠিক লোক হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। চুরির জন্য যদি জনপ্রতিনিধি কিংবা আমাদের দলীয় লোক অভিযুক্ত হন, আমরা কাউকে ছাড় দেব না।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ, পৌরসভার মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার প্রমুখ।