ঢাকা, আজ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনা চিকিৎসায় ৪০ পয়সার অতি সস্তার একটি ওষুধে আশার আলো!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৩৬:১৯ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৩৬:১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাসে বিপর্য’স্ত গো’টা বিশ্ব। এ ঘো’র মহামা’রীর মধ্যে আরও একটি আশার আলোর কথা জানালো ভারত। এবার জ’ল্পনা তু’ঙ্গে একটি অতি সস্তার অ্যান্টাসিড নিয়ে, অ্যা’ন্টাসিডটি হল ফ্যামোটিডিন। নতুন এক গবেষণায় এরকমই চাঞ্চ’ল্যকর ত’থ্য সামনে নিয়ে আসছে৷

মোদি সরকারও ভারতীয় জনৌষধী পরিযোজনাসহ বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাকে ফ্যামোটিডিন পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি রাখারও নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশ দিয়েছে, এ অ্যান্টাসিডের পর্যাপ্ত জোগানের বিষয়টি খ’তিয়ে দেখতে, করোনা চিকিৎসায় আশা জাগাতে পারে অ্যান্টাসিড ফ্যামোটিডিন নতুন গবেষণায় এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

নিউইয়র্কে করোনা রোগীদের ওপরে এই ওষুধের ক্লি’নিকাল ট্রা’য়ালে ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। চীনেও এই ওষুধের ট্রা’য়াল চলছে। ভারতে ফ্যামোটিডিন পর্যাপ্ত পরিমাণেই পাওয়া যায়। দাম মাত্র ৪০ পয়সা। সূত্রের খবর, এই ওষুধের উৎপাদন আরও বাড়ানোর জন্য দেশের সরকারি ওষুধ নিয়’ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে মোদি সরকার।

ফ্যামোটিডিন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি হয়- ভারতে ফ্যামোসিড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেপসিড ইত্যাদি নামে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানা গেছে, অন্যান্য দেশের গবেষণার ফলে যা বোঝা যাচ্ছে, খুব শিগগিরই ফ্যামোটিডিনের চাহিদা বাড়তে চলেছে, যেমনটা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ক্ষেত্রে হয়েছে। তাই তৈরি থাকার মধ্যে তো কোনও দোষ নেই৷

সার ও রাসায়নিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মনসুখ মন্দভ্যের নেতৃত্বে একটি বৈঠকে ফ্যামেটিডিনের পর্যাপ্ত জো’গান নিয়ে আলোচনা হয়। এই ওষুধটি সরকারের জনৌষধী প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জনৌষধী আউটলেটে দেয়া হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।নিউজ ডেস্ক : টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বি’স্ফোরণের ঘটনায় কানাডিয়ান বহুজাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানি নাইকোর বিরুদ্ধে মামলায় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আর এ বিষয়ে দেওয়া রায়ে নাইকোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি সং’ক্রান্ত আন্তর্জাতিক আদালত ইকসিড। আজ রবিবার দুপুরে বিদ্যুৎ, জালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ নিজ বাসভবন থেকে ডিজিটাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য দিয়েছেন।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ইকসিডের রায়ের ফলে নাইকোর দাবি করা পাওনা আর পরিশোধ করতে হবে না বাংলাদেশকে। এছাড়া ব্লক ৯ বা কুমিল্লার বাঙ্গুরায় নাইকোর সম্পত্তিও বাংলাদেশ নিয়ে নিতে পারবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ট্রাইবুনাল নাইকোকে অ’ভিযুক্ত করে বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে ক্ষতিপূরণ বাবদ বাংলাদেশ নাইকোর কাছ থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাবে।

সূত্র জানায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই শুনানিতে আন্তর্জাতিক আদালতের এই রায়ের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ যে ক্ষতিপূরণ পাবে, তার চূড়ান্ত পরিমাণ নির্ধারণ হতে পারে।

47 0 Google +0 0 0