ঢাকা, আজ রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

লাদেনের বুকে শেষ গু’লিটা চা’লিয়েছিলেন তিনিই, স্মৃতিচারণে সেই রাতের অপা’রেশন!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৩৫:০১ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:৩৫:০১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০১১ সালের ১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অপা’রেশন টি’ম ‘নেভী সিল’ সদস্যদের অ’ত’র্কিত আ’ক্রমণে নিহ’ত হন আন্তর্জাতিক জ’ঙ্গি সংগ’ঠন আল-কায়ে’দার প্রধান উসামা বিন লাদেন। তার মৃ’ত্যুর পর কে’টে গেছে নয় বছর। তবে বিশ্বের স্বচেয়ে আকা’ঙ্খিত এই জ’ঙ্গি নেতার মৃ’ত্যু নিয়ে প্রায়ই বিভিন্ন রকম ত’থ্য উঠে আসে।

এবার লাদেনের মৃ’ত্যু নিয়ে ম’ন্তব্য করলেন নেভি সিলের এক সাবেক কর্মী। যিনি লাদেনের বুকে স’রাস’রি গু’লি চা’লিয়েছিলেন। ওই সদস্যে দাবি, উসামা বিন লাদেনকে এমন ভাবে মা’রা হয়েছিল যাতে তাকে চেনা যায়নি। গু’লিতে ঝাঁ’ঝরা করার পর লাদেনের ছি’ন্নভি’ন্ন মাথা কু’ড়িয়ে এক জায়গায় এনে জ’ড়ো করে জো’ড়া দিতে হয়েছিল।

এমনই দাবি করেছেন নেভি সিলের সাবেক কর্মী রবার্ট ও’নীল। ‘দ্য ম্যান হু কি’লড উসামা বিন লাদেন’ প্রামাণ্য চিত্রের সাবেক ওই নেভী সিল সদস্য ফক্স নিউজের পিটার ডুসিকে দেওয়া এক একা’ন্ত সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে কিভাবে তার দল প্রশি’ক্ষণ নিয়েছিল হ’ত্যা করেছিল সেই ত’থ্য।

আমেরিকান ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে জ’টিল মি’শন ছিল জানিয়ে নীল ফক্সনিউজকে বলেন, মিশনটি দু’ভাগে বিভ’ক্ত ছিল। কয়েক সপ্তাহের প্রশি’ক্ষণ শেষে রাতের আঁধারে পাকিস্তানের অভ্য’ন্তরে বিমানের ৮২ মিনিটের এই অভি’যানে আমিও ছিলাম। আমাদের টা’র্গে’ট ছিল লাদেনকে মে’রে ফে’লব। এটি একটি দায়িত্ব ছিল জানিয়ে ও’নীল ধ’রে নিয়েছিলেন যে তিনি আর বেঁ’চে ফিরতে পারবেন না। কারণ এটা ছিল অনেকটা ‘একমূ’খী মি’শন’।

তার দাবি, তিনি একাই প্রাক্তন আল কায়দা প্রধানকে তিনটি গু’লি করেছেন। তার কথায়, ”অন্য পাঁচ–ছ’জন সিল সদস্যের সঙ্গে গু’লি করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে উঠছিলেন। এমন সময় তিনতলায় গিয়ে দেখেন লাদেনের ছেলে খালিদ একে–৪৭ নিয়ে বে’রিয়ে আসছে। খালেদকে আগেই টাকা দিয়ে বশ করেছিল মার্কিন গোয়ে’ন্দারা। তাকে ভিতর থেকে কেউ বলছে, ”‌খালেদ, ভিতরে এসো।’‌

আর খালেদ চিৎ’কার বলে, ‘‌মানে?‌’‌ আর তা থেকেই সিলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় লাদেন কোথায় রয়েছে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে ঘরের ত’ল্লা’শি শুরু করি। দেখি এক মহিলার কাঁধে ভ’র রেখে দাঁড়িয়ে লাদেন। সেকেন্ডের মধ্যে দু’‌বার ট্রি’গার টি’পি। পরেরটি মাথা ল’ক্ষ্য করে। মাথা গুঁ’ড়িয়ে চারদিকে ছ’ড়িয়ে যায় লাদেনের। সূত্র : আল সাফাক।আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু উ’গ্র হিন্দুত্ববা’দিদের বেফাঁ’স পোস্টের দরুন মধ্যপ্রচ্যের ইসলামিক দেশগুলির মধ্যে ভারতের প্রতি বি’রূ’প প্রতি’ক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যা কাজে লাগাতে ম’রিয়া পাকিস্তান। ইসলামিক দেশগুলির কাছে ভারতকে আরও বদনাম করার লক্ষে তারা কোমর বেঁধে নেমেছে।

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট টুইটারে ভারতকে মুসলিম বিরো’ধী প্রমাণ করার জন্য রীতিমতো ‘আইটি সেল’ তৈরি করে ফেলেছে পাকিস্তান। ভারতের গোয়ে’ন্দা সুত্রের খবর পাকিস্তান এমন ৭ হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট টুইটারে তৈরি করেছে যাদের কাজই হল ভারতকে মুসলিম বিদ্বে’ষী প্রমাণ করা। জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ৭০০০ পাকিস্তানি টুইটার অ্যাকাউন্ট ভারতের নামে মি’থ্যাচার করত আন্তর্জাতিক মহলে।

এপ্রিল মাসে সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও ৭ হাজার অ্যাকাউন্ট। ইতিমধ্যেই ভারতীয় গোয়ে’ন্দারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে নিজেদের রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। সম্প্রতি মুসলিম বিদ্বে’ষ ইস্যুতে নতুন করে বিত’র্কের সূত্রপাত হয় তরুণ বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্যর একটি পুরনো টুইট ঘিরে। সাংসদ হওয়ার আগে সেই টুইটে তেজস্বী আরবের মুসলিম মহিলাদের উদ্দেশ্যে একটি বিত’র্কিত মন্তব্য করে বসেন। বহুদিন পর সেই টুইটটি ভাই’রাল হয়। এবং তা নিয়ে তী’ব্র প্রতি’ক্রিয়া সৃষ্টি হয় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলিতে।

সংযুক্ত আরব আমিররাতের এক রাজকন্যা তেজস্বী সূর্যকে হুঁ’শিয়ারি দিয়ে বলেন, ”আমি ভারতে গান্ধীর দেশ হিসাবে চিনি। জানি এই দেশ অনেক আত্মত্যা’গ করেছে। এখন গোটা বিশ্ব কোভিড-১৯(COVID-19)-এর বিরু’দ্ধে ল’ড়াই করছে। এই সময়ে ঘৃ’ণা ছড়ানো বন্ধ রাখা উচিত।” এরপর ইসলামিক দেশগুলির বৃহত্তম সংগঠন ওআইসি ভারতের পরি’স্থিতি নিয়ে উদ্বে’গ প্রকাশ করে।

ভারতের বি’রু’দ্ধে ইসলামিক দেশগুলির এই অসন্তোষকেই কাজে লাগাতে চাইছে পাকিস্তান। টুইটারে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতের নামে লাগাতার অ’পপ্রচার চালানো হচ্ছে। করা হচ্ছে মি’থ্যাচারও। উদ্বেগের বিষয় হল যে ৭০০০ টুইটার অ্যাকাউন্ট ক্রমাগত ভারতের বিরু’দ্ধে মি’থ্যাচার করছে তারা নিজেদের পাকিস্তানি হিসাবে পরিচয় না দিয়ে ভারতীয় বা আরব দেশগুলির বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। যাতে তাদের অ’পপ্রচার বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। ভারত সরকারও দ্রুত এই অ’পপ্রচারের বি’রু’দ্ধে আসরে আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন