ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইসলাম গ্রহণ করে যা বললেন ১২ নারী

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:২৯:১৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৪ ০৯:২৯:১৮

গত কিছুদিন আগে সৌদির আরবের গুরুত্বপূর্ণ শহর জেদ্দা। জেদ্দার মাওলানা হিফজুর সোহারভি একাডেমিতে বিভিন্ন দেশের ১২ জন ইসলাম গ্রহণ করে। সেখানে তারা তাদের ইসলাম গ্রহণের বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে।

ইসলাম গ্রহণকারী এ নতুন মুসলিম নারীদের জন্য জেদ্দার মাওলানা হিফজুর রহমান সোহারভি একাডেমি এক সুন্দর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। যেখানে তারা নিজেদের কথাগুলো প্রকাশ করেন। খবর সৌদি গেজেট।

ইন্ডিয়া, ব্রিটেন, ফিলিপাইন এবং শ্রীলংকা থেকে পবিত্র নগরী সৌদি আরবে আসেন।

ইসলাম গ্রহণকারী নারীরা জানান, শান্তি ও নিরাপত্তার জীবন ব্যবস্থা ইসলাম গ্রহণে তাদের অনেক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করতে হয়েছে। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে।

এদের মধ্যে দন্তচিকিৎসক ইমান একজন। তিনি অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসতে তাকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছিল। ইসলাম গ্রহণের আগে তিনি খ্রিস্টান ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। শুধু তাই নয়, ইসলাম গ্রহণের আগে তিনি তার শহর পল্লীতে একটি গির্জাও নির্মাণ করেন।

জীবনের কোথায় যেন তার অপূর্ণতা রয়েছে। সে অপূর্ণতা থেকেই তিনি ইসলামের শান্তি নিরাপত্তা চাদরে নিজেকে আবৃত করে নেন।

ইসলাম গ্রহণ আরেক নারীর নাম আয়শা। তার জন্য পবিত্র কুরআনুল কারিমের তেলাওয়াত ছিল রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। সে অভিজ্ঞতার বর্ণনা প্রচণ্ড আবেগে তিনি ভাষায় প্রকাশ করতে পারেননি।

তবে তিনি জানান, সর্ব প্রথম তিনি সুরা ফাতেহা তেলাওয়াত করেছিলেন। যাতে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

দীর্ঘ দিন আগে (২০০১) ইসলাম গ্রহণকারী নারী এলিনা। ইসলাম গ্রহণের আগে তিনি ক্যাথলিক ছিলেন। তার সহকর্মীরা তাকে ইসলাম সম্পকে জানার জন্য গাইড দিয়েছিলেন। ইসলামের বিষয়ে পড়াশোনায় তাকে অনেক বই সরবরাহ করেছিল।

অনেক ইসলামি বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ পড়ার পাশাপাশি কুরআনের ইংলিশ ভার্ষণে পড়াশোনায় তাকে ইসলামের দিকে ধাবিত করে। এসব বই ও কুরআন পড়ে তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, ইসলাম শান্তি ও নিরাপত্তা অনন্য জীবন ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন >> মুসলিম নারীরা হিজাব পরবে কেন?

ফাতেমা জয় নামে আরেক নারী ইসলাম গ্রহণ করায় অনেক বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। তিনি অনেক দৃঢ়তা ও সাহসিকতা দিয়ে সেসব সমস্যার মোকাবেলা করেছেন। ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা মহান আল্লাহর একান্ত রহমত ও সাহায্য ছাড়া সম্ভব হতো না বলেও জানান তিনি।

জেদ্দার এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উম্মে হুদাইফা। তার ইসলাম গ্রহণও ছিল বিশেষ বিষয়। কারণ তিনি ইসলাম গ্রহণের আগে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের ওপর পড়া শোনা করেছেন। কোনো ধর্মই তাকে শান্তি দিতে পারেনি। সন্তুষ্ট করতে পারেনি তাকে।

উম্মে হুদাইফা যখন ইসলমি বই ও সাহিত্যের দিকে নজর দেন, তখনই তিনি ইসলামের প্রতি দুর্বল হয়ে যায়। আর ইসলামের পেয়ে যান জীবনের সফলতার মূলমন্ত্র ও দুনিয়ার পরকালের যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত ফয়সালা।

২০১৫ সালে সারাবিশ্বে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল প্রায় ২ বিলিয়ন। আর তা সারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ প্রতি ৪ জনের মধ্যে ১জন হলো মুসলিম। আর এতেই ইসলাম ধর্ম অবলম্বনকারীর দ্বিতীয় বৃহৎ জনসংখ্যায় পরিণত হয়।

উল্লেখ্য যে, ইসলাম ৫টি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। যার প্রথমটিই তাওহিদ ও রেসালাতের সাক্ষ্য দেয়া মাধ্যমে শুরু হয়। ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার জন্য এটি প্রধান এবং প্রথম কাজ। অর্থাৎ মহান আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তার কোনো শরিক নেই। আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশেষ রাসুল।

জেদ্দার সোহারভি একাডেমী সৌদি আরবে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে কাজ করে থাকে। প্রতি বছর হজ ও ওমরা পালনকারীদের দিয়ে নানা সেবা।

ইসলাম গ্রহণকারী সব নারী-পুরুষের প্রতি রইলো শুভ কামনা। নতুন মুসলিমদের স্পৃহা জাগাতে মাওলানা হিফজুর রহমান সোহারভি একাডেমি হোক সত্যের ঝাণ্ডাবাহী প্রতিষ্ঠান।

আরো পড়ুন: সন্তানের সাফল্যের জন্য মায়ের দোয়াই যথেষ্ট !

পৃথিবীর একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়স্থান হলো মায়ের কোল। যত আবদার যত অ’ভিযো’গ সবই কিছু মায়ের কাছে। শুধু দশ মাস দশ দিন নয়, মা তার পুরো জীবন উৎস’র্গ করে দেন সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করতে। আমরা সেই মায়ের জন্য কতটুকুই বা করতে পারি?

গায়ের চামড়া দিয়ে মায়ের পায়ের জুতা বানিয়ে দিলেও তার ঋণ কখনো সন্তানরা শোধ করতে পারবে না। মায়ের দোয়া সন্তানের জন্য কত বড় আর্শীবাদ সেই বোধ অনেকেরই নেই। আর তাইতো বৃদ্ধাশ্রমে মা রেখেই শান্তিতে থাকেন তারা। আসলেই কি তারা সুখী হতে পারেন?

একটি শিশু তার মায়ের প্রতি যথাযথা দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দোয়া অর্জন করে তার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারে। সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের গর্ব তিনি। একদিকে যেমন মাঠ সামলাম অন্যদিকে বাবা মায়ের প্রতি দায়িত্ব কর্তব্যও নিষ্ঠতার সঙ্গে পালন করেন তিনি। বিশেষ করে মায়ের প্রতি সাকিবের কৃতজ্ঞতার অন্ত নেই।

বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেনছেন, বাবা-মায়ের দোয়া ছাড়া কখনো সফল হওয়া সম্ভব নয়। তারা আমাদের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেন তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। জীবনের শেষ দিন অবধি মা তার সন্তানের জন্য দোয়া করে যান। অথচ এর বিনিময়ে কখনোই তিনি কিছু প্রত্যাশা করেননা। ঠিক বাবাও তেমন।

বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসা সবচেয়ে খারাপ কাজ হিসেবেও উল্লেখ করেন এই অলরাউন্ডার। আমি বিশ্বাস করি আস্তে আস্তে পৃথিবীর সব বৃদ্ধাশ্রম বন্ধ হয়ে যাবে। বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসা সবচেয়ে নিকৃষ্ট একটি কাজ। একজন সফল ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ মাহতাব। বাবা মা;রা যাওয়ার পর তার মা একা হাতেই তাকে মানুষ করেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই ব্যবসা শুরু করেন তিনি।

আজ তিনি এক মস্ত বড় ব্যবসায়ী। তিনিও তার মায়ের সেবা যত্ন কর গেছেন মায়ের মৃ;ত্যুর আগ অবব্দি তিনি তার সেবা যত্ন করে গেছেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্তে তার মা ছিলেন বিছানাসহ্যা। তার মল-মূত্র নিজ হাতে শ্রেষ্ঠ সন্তানের ন্যায় পরিষ্কার করেছেন মাহতাব। তিনি জানান, মায়ের জন্য কতটুকু করতে পরেছি তা তিনি জানেন না। তবে নিজের অবস্থান দেখে ক্রমশ তিনি উপলব্ধি করেছেন একমাত্র মায়ের দোয়ার কারণেই এসব সম্ভব হয়েছে।

স্ত্রী-সন্তান ও দুনিয়ার মোহে পড়ে বর্তমানে অনেকেই মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়। যা মোটেও ঠিক নয়। এখনো সময় আছে তাদের কাছে মাফ চান। পিতা-মাতা সন্তানের জন্য এক মহান আশীর্বাদ। পৃথিবীর সমস্ত সফলতা একমাত্র মায়ের দোয়ার বদৌলতেই আসতে পারে। সময় থাকতে মায়ের সেবা করে দোয়া আদায় করে নিন।

কর্তব্য পালনের মাধ্যমে মধুর সম্পর্ক তৈরি করুন। মাতৃ সেবা করার মাধ্যমে পরকালে জান্নাতের পথেও প্রবেশযোগ্য হবে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের কাছে তার মায়ের চেয়ে আপন আর কেউ নেই। শুধু মানুষ কেন? পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীই তার মায়ের কাছে ঋণী। সে ঋণ শোধ করার কোনো উপকরণ আল্লাহপাক দুনিয়ায় সৃষ্টি করেননি। ইসলাম মায়ের মর্যাদাকে মহিমান্বিত করেছেন।

এ ব্যাপারে আল্লাহ কোরআনে বলেন, ‘আমি মানুষকে তার মা-বাবার সঙ্গে (সদাচরণের) নির্দেশ দিয়েছি। তার মা কষ্টের পর কষ্ট ভোগ করে তাকে গর্ভে ধারণ করে। আর তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে; সুতরাং আমার শুকরিয়া ও তোমার মা-বাবার শুকরিয়া আদায় করো- (সুরা লুকমান : ১৪)। একবার এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ!

আমার কাছে কে উত্তম ব্যবহার পাওয়ার বেশি হকদার? তিনি বললেন, মা। লোকটি বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার বাবা- (বোখারি-মুসলিম)।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়েই চলছে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে তোলপাড় চলছে। কখনও পোস্টার আবার ছোট ছোট ভিডিওবার্তায় এই মুক্তির দাবি জানাচ্ছে দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে। এছাড়া সরর হলেন বৈশ্বিক এক্টিভিস্টরাও।

আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবিতে হাজার হাজার টুইট করা হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে। এর সূত্র ধরে টুইটার ট্রেন্ডের শীর্ষে উঠে এসেছে আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবি। ইতিমধ্যে #FreeSayedee হ্যাশট্যাগটি লক্ষাধিক বার টুইট হয়েছে।

১ মে থেকে বাংলাদেশ ট্রেন্ডে শীর্ষে অবস্থান করছে #FreeSayedee এই হ্যাশট্যাগটি। এরপর থেকে টুইটার ট্রেন্ডে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে হ্যাশ ট্যাগটি। টুইটার ট্রেন্ডে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে #SaveBangladesh.

এই দিকে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের Contemporary Islamic Studies বিভাগের প্রফেসর তারিক রামাদান আল্লামা সাঈদীর মু‌ক্তি চে‌য়ে টুইট করেন। তিনি ২ বার আল্লামা সাঈদীর ছবিসহ এই বিষয়টি নিয়ে টুইট করেন এবং কয়েকবার রিটুইটও করেন।

আল্লামা সাঈদী মুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নীরবে মুসলিম আলেম ও কর্মীদের বন্দী, নির্যাতন এমনকি মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হচ্ছে। এই অমানবিক আচরণকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য তাদের “ইসলামপন্থী” হিসাবে চিহ্নিত করাই যথেষ্ট। এই ইসলামী চিন্তাবিদরা শান্তিপূর্ণ ও বিরোধীমতের । তাদের অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে এবং তাদের সাথে মর্যাদার সাথে আচরণ করা উচিত। অসম্মানজনক নীরবতা’।

এরপর তুরস্কের ইসলামীপন্থি দল সাদাত পার্টির এক নেতাও আল্লামা সাঈদীর মুক্তি চেয়ে টুইট করেন। সাদাত পার্টির যুব শাখার প্রধান আব্দুল কাদির লিখেছেন, আল্লামা সাইদী। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর। তিনি একজন সাবেক এমপি এবং মহান চিন্তাবিদ। যিনি গত ১০ বছর ধরে কারাগারে বন্দি। তিনি ৮১ বছরের একজন বয়োবৃদ্ধ এবং তাকে বাংলাদেশী মানুষেরা খুবই ভালবাসেন। এটা মানবতার জন্য লজ্জ্বাজনক যে এমন একজন প্রখ্যাত চিন্তাবিদ জেলে বন্দী।

এছাড়াও বিভিন্ন দেশের ইসলামী স্কলার ও বৈশ্বিক এক্টিভিস্টরা আল্লামা সাঈদীর মুক্তি চেয়ে টুইট করেন।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম ও শীর্ষ মুফাসসির। বিগত দশ বছর তিনি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে কারাগারে বন্দি। যদিও তিনি এবং তার দল জামায়াত এই অভিযোগ বরাবরের মতোই অস্বীকার করে আসছে। স্কাইপ কেলেঙ্কারি, সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি অপহরণ এসব ঘটনা আল্লামা সাঈদীর নির্দোষ প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

আল্লামা সাঈদীর বর্তমান বয়স আশির অধিক। বৃদ্ধ বয়সে এই শীর্ষ আলেম কারাগার থেকে বিনা শর্তে মুক্তি পাবে এমনটাই আশা করে সাঈদী ভক্তরা। বর্তমান মহামারী সংকটে জাতীয় ঐক্য খুবই দরকার। আল্লামা সাঈদীর মুক্তিই হতে পারে জাতীয় ঐক্যের একটি শক্তিশালী কারণ। প্রবীণ ও শীর্ষ আলেম আল্লামা সাঈদীকে মুক্তি দিয়ে আওয়ামী সরকার বিচক্ষণতার পরিচয় দিবে এমনটাই আশা করেন দেশের সচেতন ও বুদ্ধিজীবী মহল।

আরও সংবাদ

ভারতে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা গেল ১০০ জন
নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আড়াই হাজার

ভারতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে সংক্রমিত প্রায় আড়াই হাজার মানুষের মধ্যে।

করোনার প্রকোপ শুরুর পর থেকে একদিনে এত বেশিসংখ্যক রোগী কখনও বাড়েনি ভারতে। খবর আনন্দবাজার ও এনডিটিভির।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুয়ায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়েছেন ২ হাজার ৪৪২ জন। দেশে মোট সংক্রমণের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৬৯৯ জন। গত একদিনে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে ১০০ জন। সব মিলিয়ে মৃত ১ হাজার ৩২৩।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এক হাজারেরও বেশি করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। সুস্থ হওয়ার হার ক্রমশ বাড়ছে। এখন তা ২৬.৬৫ শতাংশ। কয়েক দিন আগেও যা কুড়ির আশপাশে ছিল।

মহারাষ্ট্রে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। সেখানে মৃতের সংখ্যা ৪৮৫। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব সরকার জানিয়েছেন, লকডাউনের ফলে আটকেপড়া পরিযায়ী শ্রমিক, পর্যটক, তীর্থযাত্রী বা শিক্ষার্থীদের এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়ার ছাড়পত্র দেবেন পুলিশের ডেপুটি কমিশনাররা।

তবে মুম্বাই, পুনে ও পিম্পরি ছিঁচওয়াড়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পৌর কমিশনাররা সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত এসব এলাকায় যাতায়াতের অনুমতি দেয়া হবে না।

এই এলাকাগুলো থেকে অবশ্য মহারাষ্ট্রের বাইরে যাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে মূলত পরিযায়ী শ্রমিকদের কথাই বলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ডাক্তারের ছাড়পত্র দেখিয়ে নিকটবর্তী থানায় আবেদন করতে হবে।

সেই আবেদনপত্র খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন ডিসিপিরা। রাজ্যওয়াড়ি সংক্রমণের নিরিখে গুজরাট দ্বিতীয় এবং দিল্লি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। দিল্লির কাপাশেরা এলাকার একটি ভবনে ৪১ জনের করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে বলে রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

অর্থনৈতিকভাবে ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর হচ্ছে- মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই ও আহমেদাবাদ– সবই এখন রেড জ়োনে।