ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রথমবারের মতো মাইকে আজান দেয়ার অনুমতি দিল কানাডা

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৩ ১৪:৩৮:৫৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৩ ১৪:৩৮:৫৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মসজিদের মাইক থেকে আজান প্রচার করার অনুমতি পেয়েছেন কানাডার মুসলমানরা ।দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এ সুযোগ দেয়া হলো। এতদিন কানাডায় মসজিদে নামাজ পড়ার অনুমতি থাকলেও মাইকে আজান দেয়ার অনুমতি ছিল না। কানাডার কয়েকটি শহরে পবিত্র রমজান মাসের জন্য এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আনাতোলি বার্তা সংস্থা এ কথা জানিয়েছে। জানা গেছে, এখন থেকে রাজধানী অটোয়ার পাশাপাশি টরেন্টো, এডমন্টন ও হ্যামিল্টন শহরের মসজিদগুলো থেকে জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের আজান দেয়া যাবে। তবে এই অনুমতি দেয়া হয়েছে পবিত্র রমজান উপলক্ষে এবং রমজান শেষ হওয়ার পর কোনো মসজিদ থেকে আর আজান দেয়া যাবে না।

হ্যামিল্টন শহরের ‘মাউন্টেন’ মসজিদের ইমাম সাইয়্যেদ তুরা এ সম্পর্কে বলেছেন, কানাডায় বসবাসরত মুসলমানদের জন্য আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। কারণ, তারা আজ প্রথমবারের মতো মসজিদ থেকে আজান প্রচারের অনুমতি পেয়েছে।

তবে রমজান শেষ হওয়ার পরও যাতে আজান প্রচার করা যায় সেজন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তারা যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া, শুধু চারটি শহর নয় বরং কানাডার প্রতিটি শহর যাতে এ ধরনের অনুমতি পায় সেজন্য চেষ্টা চলছে বলেও জানান সাইয়্যেদ তুরা। সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক- বিল মেটাতে না পেরে সদ‌্য জন্ম দেওয়া সন্তানকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেছিলেন দরিদ্র শরীফ-কেয়া দম্পত্তি। বিল মিটিয়ে সন্তান ছাড়াই বাড়ি ফেরেন তারা।শুক্রবার (১ মে) গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ি থানা এলাকার সেন্ট্রাল মেডিক্যাল হাসপাতাল এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন নিজেই টাকা পরিশোধ করে সন্তানকে তার মার কোলে ফিরিয়ে দেন। শরীফ-কেয়া দম্পত্তির বাসা গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুরের এনায়েতপুর এলাকায়।

শরীফ জানান, গত ২১ এপ্রিল গর্ভবতী স্ত্রী কেয়া খাতুনকে কোনাবাড়ির সেন্ট্রাল মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই দিন সিজারিয়ানের মাধ্যমে তিনি পুত্রসন্তান জন্ম দেন। কেয়া খাতুন ও শরীফ হোসেন দম্পতির এটাই প্রথম সন্তান।

হাসপাতালে ১১ দিন ভর্তি থাকায় তার বিল আসে ৪৭ হাজার টাকা। হাসপাতালের এ বিপুল পরিমাণ বিল স্বামী মো. শরীফের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব ছিল না। পরে মা কেয়া খাতুন ও তার স্বামী শরীফ হাসপাতালের বিল দিতে না পারায় নিজের সন্তানকে প্রতিবেশী এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

সন্তান বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন। শুক্রবার তারা সন্তানকে বিক্রি করে দিয়ে নগরীর কাশিমপুর এলাকার এনায়েতপুরে তাদের বাড়িতে চলে যান।

পরে বিষয়টি পুলিশের এডিশনাল আইজির (এসবি) মাধ্যমে খবর পান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন। কমিশনার বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন

পরে গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার নিজেই নবজাতককে কিনে নেওয়া ওই ব্যক্তিকে ২৫ হাজার টাকা ফেরত দেন। পরে নবজাতকে নিয়ে হাজির হন শরীফ হোসেনের বাড়ি। মায়ের কোলে তুলে দেন ফুটফুটে শিশুটিকে। পাশাপাশি সন্তানকে লালন-পালনের জন্য আরো পাঁচ হাজার টাকা তুলে দেন ওই দম্পতির হাতে।

কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। অ্যাডিশনাল আইজি (এসবি) স্যারের মাধ্যমে ঘটনাটি শোনার পর খুব খারাপ লেগেছিল। খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। সন্তানটিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে।