ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

এবার উচ্চস্বরে আজানের অনুমতি দেয়া হল অস্ট্রেলিয়ায়

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৩ ১৪:২১:২৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-০৩ ১৪:২১:২৮

এবার উচ্চস্বরে আজানের অনুমতি দেয়া হল অস্ট্রেলিয়ায়। গতকাল শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর মেলবোর্নের দুটি মসজিদে আজানের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার।

করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে মেলবোর্ন মুসলিম কমিউনিটির বিশেষ অনুরোধে শুধুমাত্র পবিত্র রমজান মাসে ইশা এবং জুমার নামাজের জন্য উচ্চস্বরে আজানের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অনুমোদিত মসজিদ দুটির বেশিরভাগ মুসল্লিই অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী তুর্কি নাগরিক। অস্ট্রেলিয়ার সরকারি পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বসবাসরত অন্ততপক্ষে ৬ লক্ষ ৪ হাজার মুসলমান ছোট-বড় কয়েকশো মসজিদে নামাজ আদায় করে।

কিন্তু করোনার উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে সারা দেশের কমপক্ষে ২০০ টি মসজিদ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আমেরিকার জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৭৬৭ জন ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৫ হাজার ৭৪৫ জন সুস্থ হয়েছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে ৯৩ জন।

আরো সংবাদ

কানাডার তিন শহরে উচ্চস্বরে মাইকে আজান প্রচারের অনুমতি

পবিত্র রমজান মাসে কানাডার তিন শহরে উচ্চস্বরে মাগরিবের আজান প্রচারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে টরন্টো, অটোয়া এবং মিসিসাওগা সিটি কাউন্সিল পৃথকভাবে এই অনুমোদন দেয়। আগামী ২৩ মে পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে সংক্ষিপ্ত আকারে আজান প্রচার করার অনুমতি দিলেও মসজিদে সমবেত হওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

মিসিসাওগার মেয়র বনি ক্রমবি ফেসবুক পোস্টে আজান প্রচারের অনুমতি দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, মিসিসাওগার মসজিদ এবং যে কোনো ভবনে সূর্যাস্তের সময় সংক্ষিপ্তভাবে উচ্চস্বরে আযান প্রচার করা যাবে।

অন্য দুটি শহরে কেবল মসজিদে আজানের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কানাডার অন্টারিও প্রদেশে বাংলাদেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের ফিউনারেল প্রক্রিয়া বা দাফন কার্য সহজ করতে ‘বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সার্ভিসেস’ নামে একটি অলাভজনক সেবামূলক সংগঠন অন্টারিওতে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়ে সংগঠনটির পরিচালক মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন মো. হানিফ বলেন, অন্টারিওতে বাংলাদেশি কানাডিয়ান মুসলিমদের পরামর্শ ও চাহিদার ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সার্ভিসেস’ তার সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত হবে।

এটি একটি কানাডিয়ান ফেডারেলি ইনকর্পোরেটেড সংগঠন। সংগঠনটির কোনো সদস্য মারা গেলে তার দাফনের খরচসহ অন্যান্য সব বিষয়গুলো দেখবে। এছাড়া মসজিদের সঙ্গে সমন্বয় করে মৃতের পরিবারের জন্যে কাজটি বিধিসম্মত ও সহজভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েই এই সংগঠনের জন্ম হয়েছে।

সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি সদস্যই স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে কমিউনিটির জন্যে এই অত্যাবশকীয় সেবা প্রদান করবেন। কানাডায় ফিউনারেল খরচ বেশ ব্যয়বহুল এবং দিন দিন তা বাড়ছে।

বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সারভিসের সদস্য হয়ে যে কেউ তার বা তার পরিবারের প্রয়োজনের সময় এই সংগঠনটি থেকে আর্থিক এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহযোগিতা পেয়ে থাকবেন।

‘বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সার্ভিসেস’ ধীরে ধীরে সব প্রদেশগুলোতে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করার আশা ব্যক্ত করেছে।

টুইটারে হেল্প পোস্ট দেখা মাত্র করোনা রোগি বাঁচাতে এয়ার এ্যাম্বুলেন্স পাঠালেন এরদোগান

সুইডেনে এক তুরস্কের নাগরিকের করোনা সনাক্ত হবার পর তার অবস্থা অবনতির দিকে যেতে থাকে। তা সত্তেও তাকে হসপিটালে না রেখে বাসায় পাঠিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।

সেই রোগীর মেয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে সাহায্য চেয়ে টুইটারে এক পোস্ট করেন। তার পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরেই তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রিপ্লাইয়ে জানিয়ে দেন “প্রিয় লেয়লা, তোমার আওয়াজ আমরা শুনেছি, আমরা এয়ার এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সুইডেনে আসছি।

তোমার বাবার জন্য আমাদের হসপিটাল এবং আমাদের ডাক্তাররা প্রস্তুত”। মাত্র ৭-৮ ঘন্টার ব্যবধানে, ওই রোগীসহ পুরো পরিবারকে নিয়ে তুরস্কের এয়ার এ্যাম্বুলেন্স ইতিমধ্যে দেশটির রাজধানী আংকারায়।

একজন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ কতটুকু তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন রজব তাইয়্যেপ এরদোগান।

অপরদিকে, প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় পিপিই-মাস্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগান।

সোমবার দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি। এরদোগান বলেন, মঙ্গলবার আমরা যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা সহায়তা প্রেরণ করছি, যার মধ্যে রয়েছে সার্জিক্যাল ও এন ৯৫ মাস্ক, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও জীবাণুনাশক বিভিন্ন মেডিসিন।

তিনি আরও বলেন, এমন সময়ে যখন উন্নত দেশগুলোও তুরস্কের সমর্থন চাইছে, আমরা বলকান থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তৃত জনপদে আমাদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছি। টিআরটি, আল-জাজিরা।