ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

বৌদ্ধ থেকে মুসলিম হলেন জাপানি তরুণী

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০২ ১৪:৫৬:৫৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-০২ ১৫:০০:৩৬

জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। কথাগুলো বলেছেন জাপানি এক তরুণী।

তিনি বৌদ্ধ ধর্মানুসারী ছিলেন। পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। মুসলমান হওয়ার পর ওই তরুণীর নতুন নাম নুর আরিসা মরিয়ম। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

জন্মের পর থেকে তিনি বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে। ইসলাম গ্রহণের কারণ হিসেবে নুর আরিসা বলেন, টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মেজর বিষয় ছিল মালয়েশিয়ান স্টাডিজ।

এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মুসলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়। এসময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারি। এরপর অনেক মুসলমাদের সঙ্গে আমি দেখা করি। একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধর্ম হল ইসলাম।

আরিসার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়টি ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন। আরিসা বলেন, আমি জানি আমার জীবনে এখনও অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।

একসময় হতাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা, কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলমান হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। সূত্র : মাইসালাম ডট কমসংসদে দায়িত্বরত তিনজন পুলিশ ও একজন আনসার সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবনের বটতলায় পুলিশের জন্য তৈরি করা ছাউনিতে থাকত।

আর স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, হু্ইপ ছাড়াও সংসদের গেটে দায়িত্ব পালন করত। এজন্য সেখানে যাওয়া ভিআইপিদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। জানা যায়, ১ মে তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এ তিন পুলিশ সদস্য হলেন, আরিফ, বাদল, মো. খালেক।

আর আনসার সদস্য হলেন মো. মাসুদ। এদের সংস্পর্শে আসা সবাইকে সংসদে অবস্থিত এমপিদের বিভিন্ন অফিসে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। বিজ্ঞাপন এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া জাগো নিউজকে বলেন,

করোনা আক্রান্ত ওই চারজনকে প্রথমে রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সেখান থেকে সিদ্ধেশ্বরী স্কুল ও কলেজের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে হুইপ আতিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বটতলা পুলিশ রুমে মোট ৫১ জন থাকতেন।

তাদের সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। স্পিকারের বাসায় ১২ জন ডিউটি করতেন। তাদেরকে সংসদের ৩নং ব্লকে রাখা হয়েছে। চারজন পুলিশ সদস্যকে এমপি হোস্টেলের ৬নং ব্লকে রাখা হয়েছে। অন্যদের ৪ নং ব্লকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা আছে।’ বিজ্ঞাপন এক ভিআইপির ড্রাইভার জানান,

‘সংসদে দায়িত্বপালন করা এসব ব্যক্তির শরীরে করোনা ধরা পড়ায় ভিআইপিদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।’ প্রসঙ্গত, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুজনের প্রাণ কেড়েছে মহামারি করোনা ভাইরাস। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৭০ জনে। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৭১ জন।

ফলে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল আট হাজার ২৩৮ জনে। বিজ্ঞাপন এদিকে, এখন পর্যন্ত দেশে ১৭৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন।

সুত্র: jagonews24.chole

আরো পড়ুন: অবশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হল মসজিদুল হারাম ও মসজিদুল নববী

অবশেষে খুলে দেওয়া হচ্ছে সৌদি-আরবের সবচেয়ে বড় দুই মসজিদ মক্কার মসজিদ- আল-হারাম ও মদিনার মসজিদ-আল-নববী। প্রায় এক মাস ১০ দিন পর আবার মুসল্লিরা একসঙ্গে নামাজ আদায় করবেন।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২০ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই মসজিদ দু’টি বন্ধ করে দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (০১ মে) থেকে আবার খুলে দেওয়া ঘোষণা দেয় সৌদি হজ এবং ওমরাহ মন্ত্রণালয়

তবে এক্ষেত্রে মুসল্লিদের কিছু নিয়ম-কানুন বেঁধে দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। মসজিদে প্রত্যেক মুসল্লিকে নিজ নিজ জায়নামাজ সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে। সবাইকে অবশ্যই মুখে মাস্ক পড়ে আসতে হবে। মসজিদে প্রবেশের সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে এবং অবশ্যই শারীরিক দূরত্ব বজার রাখতে হবে।

সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ৭৫৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং ১৬৩ জন মারা গেছে।

তবে কি সিরিয়ার শিশুটি আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে?

সিরিয়ার তিন বছরের যুদ্ধাহত সেই শিশুটির কথা অনেকেরই হয়তো মনে আছে। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগ মুহূর্তে বলেছিল, ‘আমি আল্লাহকে গিয়ে সব বলে দেবো।’ তার এই কথাটিতে বিশ্ববাসীর ওপর প্রচণ্ড অভিমান ও ক্ষোভ ঝরে পড়েছে। এই অভিমান ও ক্ষোভ শুধু জালিমদের বিরুদ্ধেই ছিল না। তা ছিল এই সব জুলুম ও অবিচার সহ্য করা সমগ্র মানব গোষ্ঠীর ওপর।

করোনাক্রান্ত বিশ্ববাসীর আতঙ্কিত ও ভীত বিহ্বল চেহারা দেখে মনে হচ্ছে, ও সত্যি সত্যি আল্লাহকে সব বলে দিয়েছে। মর্ত্যবাসীর মনে একটি ধারণা জন্মে গিয়েছিল যে, গণমৃত্যু শুধু সিরিয়ায় আসবে, শুধু ইরাকে আসবে, শুধু ইরানে আসবে, শুধু ইয়েমেনে আসবে কিংবা অন্যান্য মুসলিম নামধারী দেশগুলোতেই আসবে।

কিন্তু কোভিড-১৯ সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। প্রকৃতি থেকে এমন একটি পদক্ষেপের জন্য অনেকেই অপেক্ষমাণ ছিল। কিন্তু বিষয়টি হয়ে পড়েছে- গাছের আগা পর্যন্ত পানি উঠে গেলে দেখি কাক কোথায় বসে- শিয়ালের সেই কামনার মতো।

গত কয়েক মাস ধরে বিশ্বের প্রায় আট’শ কোটি মানুষের মৃত্যু আতঙ্ক কেন যেন উপরের ধারণাটি পোক্ত করেছে। ওই শিশুটির ফরিয়াদ ছিল সম্ভবত আট’শ কোটি মানুষের বিরুদ্ধেই। এটা ঠিক যে এই আট’শ কোটির সবাই অপরাধী নয়। কেউ কেউ অপরাধ করছে, কিন্তু বাকিরা সহ্য করেছে!

একজন ম্যানুফেকচারার যখন দেখবেন তার প্রডাক্ট দিয়ে কাক্সিক্ষত কাজটি হচ্ছে না বরং উল্টো হচ্ছে তখন সেই ম্যানুফেকচারের মনে প্রডাক্ট বন্ধ বা ধ্বংস করার চিন্তা আসতেই পারে! জানি না মানবজাতি তার ম্যানুফ্যাকচারের পক্ষ থেকে সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে গিয়েছে কি না!

মানবজাতির কিছু সদস্যের অমানবিকতা, নিষ্ঠুরতা, স্বার্থপরতা, অহঙ্কার এবং ঔদ্ধত্য সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ওই সব অমানবিকতা ও ঔদ্ধত্যের যেমন বৈশ্বিক একটি চেহারা রয়েছে তেমনি রয়েছে এই রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় চেহারা।

কোভিড-১৯ না এলে পুরো উন্মাদ ট্রাম্প এবং অর্ধ উন্মাদ মোদিরা একটি পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে দিতো। কাজেই প্রকৃতির মালিক তার নেচারাল প্রটেকশনের উপায় হিসাবে এই করোনার করুণা (?) দিয়ে দুনিয়াবাসীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছেন?

কারণ ট্রাম্প ইরানকে আক্রমণ করলে এবং মোদি পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে তা খুব দ্রুতগতিতে পারমাণবিক সংঘর্ষে রূপ নিতো তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ট্রাম্পের মতো উন্মাদের টেবিলে আছে হাজার হাজার পারমাণবিক বোমার বাটন! আরেক অর্ধ উন্মাদের হাতে কয়েক শত পারমাণবিক বোমা। যে পৃথিবী একটি করোনার আঘাতে নুইয়ে পড়েছে সেই পৃথিবী পারমাণবিক হিংস্রতার আঘাত কীভাবে সইত? এই হুঁশ জাগাতেই কি করোনার আবির্ভাব?

করোনা সারা বিশ্বের টনক নাড়িয়ে দিলেও এ দেশের বেয়াক্কলদের হুঁশটি সময়মতো জাগাতে পারেনি। পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী এবং জি-সেভেনভুক্ত দেশ ইতালির প্রেসিডেন্ট আকাশের পানে চেয়ে যখন বলেন, এখন উপরওয়ালার সাহায্য ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই। ওই সময়েও আমাদের ডন কিহোতেরূপী গবুচন্দ্ররা কোভিড-১৯ কে যথারীতি মাসল দেখিয়ে চলেছেন।।