ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

আমি মালয়েশিয়া হিজরত করেছি : ডাঃ জাকির নায়েক

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০২ ১৪:৪৫:০৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-০২ ১৫:০৭:০৮

ডাক্তার জাকির নায়েক ইসলামী বিশ্বের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র বর্তমানে মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়ে আছেন বিগত

চার বছর যাবৎ মালয়েশিয়া সরকার ডঃ জাকির নায়েককে এদেশের নাগরিকত্ব দিয়েছে। 2016 সালের বাংলাদেশের গুলশানে যখন জঙ্গি হামলা হয় তখন বাংলাদেশের একটি পত্রিকা ডাক্তার জাকির নায়েককে জঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করে যার ফলে ভারতের হিন্দুবাদী সরকার জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী মামলা দায়ের করে তখন

জাকির নায়েক সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। যারা বাংলাদেশে জঙ্গি হামলা করে তারা নাকি জাকির নায়েকের অনুসারী এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশের একটি পত্রিকা তারপর থেকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশে পিস টিভি বন্ধ করে দেয় এবং ভারত সরকার বাংলাদেশ থেকে উস্কানি পেয়ে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে আরো শক্তিশালী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে প্রমাণ করার জন্য লেগে পড়ে। জাকির নায়েক পরিস্থিতি খারাপ বুঝতে পেরে তিনি সৌদি আরব থেকে মালয়েশিয়ায় চলে আসেন। তখন

মালয়েশিয়া সরকার ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বুঝতে পেরে তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে যাচ্ছেন জাকির নায়েক বুঝতে পেরে জাকির নায়েককে মালয়েশিয়া আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তাকে মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব দেয়া হয় বর্তমানে চার বছর যাবৎ মালয়েশিয়ায় রয়েছেন ডাক্তার জাকির নায়েক। তবে জাকির নায়েকের মনে অনেক কষ্ট বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলা হয় তা বাংলাদেশ সরকারও জাকির নায়েকের বিপক্ষে গিয়ে মোদি সরকার কে

সহযোগিতা করেছে যা জাকির নায়েকের মনে আজো একটি দাগ লেগে আছে সন্ত্রাসী হামলার কারণে বাংলাদেশ সরকার পিচ টিভি বন্ধ করে দেয় যার কারনে জাকির নায়েক ভারাক্রান্ত হয়ে যায় সন্ত্রাসীরা পরে প্রমাণ করেছে যে তারা কখনোই জাকির নায়েকের অনুসারী নয় তারা স্বেচ্ছায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে যা কোর্টে প্রমাণিত হয়েছে।

রমজানের দৃতৃীয় দিন জাকির নায়েক সে তার ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন বিস্তারিত আলোচনা করেন তার বর্তমান অবস্থা মালয়েশিয়ায় কেমন আছেন এবং বিভিন্ন দর্শকের প্রশ্নের উত্তর দেন রমজানের বিভিন্ন ফজিলত সম্বন্ধে এবং বিভিন্ন আইন কানুন সম্পর্কে ইসলামী শরিয়া ভিত্তিক।

একজন দর্শক তাকে প্রশ্ন করে আপনি কেন মালয়েশিয়ায় লুকিয়ে আছেন জবাবে জাকির নায়েক বলেন আমি মালয়েশিয়া লুকিয়ে নয় আমি মালয়েশিয়া হিজরত করেছি, তিনি বলেন যোগাযোগ বিভিন্ন অলিআউলা ফরেজগার ব্যক্তি এবং আল্লাহর রাসূল নিজেও কাফেরদের যন্ত্রণায় মদিনা হিজরত করেছেন যা পরবর্তীতে অনেক মুসলমানগন কাফের মুশরিকদের অত্যাচারে বিভিন্ন জায়গায় হিজরত করেছেন আমিও তাদের মত একজন সৌভাগ্যবান আমি ভারত সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আমি বর্তমানে মালয়েশিয়ায় রয়েছি আমি মনে করি এটা আমার জন্য হিজরত।

আরও সংবাদ

যুবকদের উন্নত চরিত্র গঠনে তির্কি সিরিজ ‘দিরিলিস আরতুগ্রুল’ দারুণ অবদান রাখছে: ইমরান খানের

উসমানীয় সাম্রাজ্যের গৌরবময় উত্থানের সত্য কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত জনপ্রিয় তুর্কি সিরিজ ‘দিরিলিস আরতুগ্রুল’ এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

রোববার টুইটারে এক ভিডিওবার্তায় ইমরান খান বলেন, আমাদের যুবদের উন্নত চরিত্র গঠনে ‘দিরিলিস আরতুগ্রুল’ দারুণ অবদান রাখছে এবং এর মাধ্যমে তারা ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারছে।

ভিডিওতে ইমরান খানকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন পিটিভিতে সম্প্রচারিত দিরিলিস আরতুগ্রুল দেখতে দেখা যায়। পাকিস্তানি যুবকদের জনপ্রিয় এই সিরিজ দেখার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে পাক প্রধানমন্ত্রী এই কৌশল অবলম্বন করেন।

এর আগে গত রোববার পিটিভি ঘোষণা দেয়, ১ রমজান থেকে তারা প্রতিদিন এক পর্ব করে দিরিলিস আরতুগ্রুল দেখানো শুরু করবে এবং প্রতিটি পর্ব দৈনিক তিন বার প্রদর্শিত হবে।

পিটিভি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় আমরা দিরিলিস আরতুগ্রুল সম্প্রচার শুরু করেছি।

গত বছরের ডিসেম্বরে ইমরান খান তুর্কি ভাষার সিরিজটিকে পিটিভিকে উর্দুতে ডাবিং করার নির্দেশ দেন এবং ওই নির্দেশনায় তিনি বলেন, সত্য ইতিহাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিরিজ পিটিভিতে সম্প্রচার করবো, আর এর উদ্দেশ্য হল, জাতিকে ইসলামি ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়া। কারণ, ‘দিরিলিস আরতুগ্রুল’ ইসলামি সভ্যতা ইতিহাস ও মুসলিম বীরদের অত্যন্ত নিপুণতার সঙ্গে উপস্থাপন করতে পেরেছে।

এছাড়া, দিরিলিস আরতুগ্রুলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এখন পর্যন্ত একাধিক মানুষ ইসলামধর্ম গ্রহণ করেছেন। একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে যে, দিরিলিস আরতুগ্রুলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এক মেক্সিকান দম্পতি মুসলিম হয়েছেন ।

তুরস্কের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে স্থানীয় মুসলিম কমিউনিটি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে মেক্সিকান দম্পতি স্বেচ্ছায় মুসলিম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তাদেরকে পবিত্র কালিমা পাঠ করান ‘দিরিলিস আরতুগ্রুল’ এর অন্যতম চরিত্র আব্দুর রহমানের অভিনয় করা জনপ্রিয় অভিনেতা জালাল আল।

কিন্তু এর আগে মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী একাধিক ফতোয়া বিভাগ দিরিলিস আরতুগ্রুলসহ ইসলামী ট্যাগ লাগানো সকল সিনেমা-মুভি দেখা হারাম ফতোয়া দিয়েছে। পাকিস্তান থেকেও দিরিলিস আরতুগ্রুল দেখা হারাম বলে একটি প্রখ্যাত ইফতা বোর্ড সিদ্ধান্ত প্রদান করে। কয়েক পৃষ্ঠার বিস্তারিত ফতোয়ায় সেখানে বলা হয়, দিরিলিসে প্রচারিত সমস্ত ঘটনাই ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত নয়।

ইসলামের একটি সোনালি যুগকে এভাবে সত্যমিথ্যার মিশ্রণে উপস্থাপন প্রশংসিত হতে পারেনা। ইতিহাসপ্রেমিক মানুষদের এ সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য বই পড়ে জ্ঞানার্জনের আহবান জানায় ওই পাক-ইফতা বোর্ড।

পরবর্তীতে পাকিস্তানি আলেমদের এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানিয়ে ফতোয়া প্রদান করে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ ও মিশরের দারুল ইফতা। মোটকথা, বিশ্ব ওলামায়ে কেরাম এই বিষয়ে একমত যে, দিরিলিস আরতুগ্রুলসহ ইসলামী ট্যাগ লাগানো সকল সিনেমা-মুভি দেখা সম্পূর্ণ হারাম।

সূত্র: আনাদুলু, আল জাজিরা