ঢাকা, আজ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাবাকে রোগী সাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিয়ের আসরে যুবক

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০২ ১৪:২৯:১১ || আপডেট: ২০২০-০৫-০২ ১৪:২৯:১১

লকডাউন চলাকালে পুলিশকে বোকা বানিয়ে অভিনব কাণ্ড করলেন আহমেদ (২৬) নামের এক যুবক। নিজের বাবাকে রোগী সাজিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিয়ে বাড়িতে গেলেন তিনি। এবং সেই অ্যাম্বুলেন্সেই নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন।

সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশের খাতৌলিতে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।

গণমাধ্যমটি জানায়, দিল্লির এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ের কথা হয়েছিল আহমেদের। পরে লকডাউনের কারণে বিয়ে পিছিয়ে যায় এবং এক সময় বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন দু’পক্ষের গুরুজনরা। এতে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় আহমেদ। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে বাবাকে রোগী সাজিয়ে তাতে তুলে নিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে দিল্লি পৌঁছান তিনি। তারপর ওই অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে বাবা এবং নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।

তবে পুলিশকে ফাঁকি দিতে পারলেও বিষয়টি জেনে যায় প্রতিবেশীরা। স্থানীয় থানায় গিয়ে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে ঘটনাটি ফাঁস করে দেয় তারা।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষ তিনে থাকা রাজ্যতে গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের নিয়ে আসায় তারা করোনা আতঙ্কে ভুগছেন।

প্রতিবেশীদের এমন অভিযোগের পর বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তারা নবদম্পতি এবং ওই পরিবারের সবার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা করতে পাঠান।নিউজ ডেস্ক : কক্সবাজারের টেকনাফে ঘাসফড়িং সদৃশ পোকা নিয়ে আত’ঙ্কের কিছু নেই বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়েছে, এই পোকা তেমন ক্ষ’তিকর নয় মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এসব পোকা মরুভূমির ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপাল জাতীয় কোনো পোকা নয়।

এ নিয়ে আত’ঙ্কিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বেশ কিছুদিন আগে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লম্বরী গ্রামের কয়েকটি গাছে ঘাসফড়িংয়ের মতো কিছু ছোট পোকার আ’ক্র’মণ দেখা দিলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কীটনা’শক প্রয়োগ করে পোকাগুলো দ’মন করেন।

অতিসম্প্রতি ঘাসফড়িং সদৃশ এসব পোকা আবারও দেখা দিলে কৃষি মন্ত্রণালয় এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে। শুক্রবার সকালেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি দল টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) থেকেও পৃথক পৃথক টিম রওয়ানা দিচ্ছে।

ঘাসফড়িং সদৃশ লোকাস্ট গোত্রের স্থানীয় এই পোকার শনা’ক্তকরণসহ আ’ক্র’মণ প্রতিরো’ধ, নিয়’ন্ত্রণ ও ধ্বং’সে এই টিম কাজ করবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক জানান, বৃহস্পতিবার কীটনা’শক স্প্রে করার পর গাছে থাকা পোকাগুলো মা’রা যায়। সেখানে আর কোনো জীবিত পোকা নেই।ইমান২৪.কম: ম’রদেহ থেকে ভাইরাস ছড়াতে পারে এই আতঙ্কে যখন স্বজনরাও কাছে আসছেন না, এরমধ্যে নারায়ণঞ্জের একজন কাউন্সিলর খোরশেদ মাঠে নেমেছিলেন মৃ’তের দা’ফনকাজ সম্পন্ন করতে। বলেছেন, করো’নার হটস্পটখ্যাত নারায়ণঞ্জে যদি কেউ ক’রো’নায় মা”রা যাবে তার দা’ফন কাফ’ন নিজেই করবেন।

ইতি মধ্যে ৩০ জনের মতো ক’রো’না আ’ক্রা’ন্ত ও উপসর্গ নিয়ে মা”রা যাওয়া মুসলমান ও হিন্দুর দাফ’ন এবং সৎকার করেছেন কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তার নেতৃত্বে একটি স্বেচ্ছাসেবক দল যেখানেই নারায়ণঞ্জের কেউ ক’রোনা বা উপসর্গ নিয়ে মা”রা যাচ্ছেন তাদের দাফ’ন বা সৎকার করছেন।

অনেকের মতো তারও ভেতরে আত’ঙ্ক ছিল দা’ফন করতে গিয়ে নিজেও আ’ক্রা’ন্ত হয়ে পড়েছেন কি না ম’রণঘা’তী করো’নায়। তাই পরীক্ষা করেছিলেন এই জনপ্রতিনিধি। তবে শুক্রবার তার ফলাফল পেয়েছেন যাতে নেগেটিভ এসেছে। এ কথা কাউন্সিলর খোরশেদ নিশ্চিত করেছেন।

দলমত নির্বিশেষে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে খোরশেদের উদ্যোগ। কারণ নারায়ণগঞ্জে করো’নার সংক্র’মণ শুরুর পরেই এর বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধ শুরু করেন তিনি। যদিও চিকিৎসকরা বলছেন, করো’নায় আ’ক্রা’ন্ত কেউ মা”রা গেলে কয়েক ঘণ্টা পর আর তা থেকে সংক্র’মিত হওয়ার সুযোগ থাকে না।

কারণ ভাই’রাসগুলো ম”রে যায়। কাউন্সিলর খোরশেদ জানিয়েছেন, ইতি মধ্যে দুই দফা করো’নার পরীক্ষা করেছেন। সবশেষ গত বুধবার টেস্ট করতে দিয়েছিলেন যার রেজাল্ট শুক্রবার পেয়েছেন। দুটি রিপোর্টেই তার নেগেটিভ এসেছে। খোরশেদ বলেন, ‘শুরু থেকেই আমি করো’না নিয়ে সক্রিয় ছিলাম ও এখনো আছি।

প্রচুর রোগীর বাসায় গিয়েছি। তার মধ্যে অনেকে ছিল যাদের মধ্যে উপসর্গ ছিল, আবার কারো মৃ”ত্যুর পর ক’রোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। অনেকের পরিবারের লোকজনও ভয়ে মৃ’ত’দেহ ধরেনি। কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি যথেষ্ট প্রটোকল পোশাক পরিহিত হয়েই কাজগুলো করতে। কিন্তু তার পরেও ঝুঁ’কি ছিল।

সে কারণেই নারায়ণগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের নিজ উদ্যোগেই আমার নমুনা সংগ্রহ করেছিল। দুটি রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। এজন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি মনে করছি এ রিপোর্ট আমার কাজের গতি আরো বাড়াবে।’ কাউন্সিলর বলেন, ‘আমি প্রতিদিন নিয়মিত চার থেকে পাঁচবার গরম পানিতে গারগিল করতাম।

নিয়ম করে প্রতিদিন একাধিকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি। সকালে একবার এক গ্লাস গরম পানির সাথে আধা চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে গারগিল করেছি। বিকালে আরেকবার করেছি। একই ভাবে সকালে একবার এক গ্লাস গরম পানির সাথে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে গারগিল করেছি, রাতেও করেছি। দিনে রাতে একাধিকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি। ভিনেগার একটি এ্যাসিড, এতে জীবাণুর মৃ”ত্যু ঘটে। একই ভাবে গরম পানিতে লবণও কার্যকরী।’

এছাড়া ওই অ্যাম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায় মামলা করেছে পুলিশ।