ঢাকা, আজ বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

করোনায় মৃত্যুবরণকারী হিন্দুর সৎকারের দায়িত্ব বহনের প্রতিশ্রুতি এমপি গোপালের

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০২ ১৪:২৬:২১ || আপডেট: ২০২০-০৫-০২ ১৪:২৬:২১

দিনাজপুর থেকে : দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেছেন, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত বীরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৬৪ প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রাণঘা’তী করোনা ভাইরাসের ক্রান্তিকালে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা প্রকাশ্যে মুখ ফুটে তাদের বেদনার কথা প্রকাশ করতে পারছে না।

তিনি বলেন, আজ শেই শিক্ষকদের নুন্যতম হলেও সহযোগিতা করে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তারা একটি দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া তারা কেবলমাত্র ত্রাণ সহযোগিতা করছে না বরং যদি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কেউ করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন তাদের সৎকাজের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে কল্যাণ ট্রাস্ট হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট।

মনোরঞ্জন শীল গোপাল আরো বলেন, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট দেশের করোনা সংক্রামনের ক্রান্তিলগ্নে তারাও যথার্থ ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কেউ আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করলে তার দাহ করার দায়িত্ব হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট বহন করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে এবং দায়িত্ব নিয়ে তাদের সৎ কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ জন্য কল্যাণ ট্রাস্টের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অথবা ট্রাস্টিদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

শুক্রবার বীরগঞ্জ কেন্দ্রীয় হরিমন্দিরে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অন্তভূক্ত মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক/শিক্ষিকাদের মাঝে খাদ্রসামগ্রী বিতরণকালে এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইয়ামিন হোসেন, বীরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল মতিন প্রধান, মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট জেলা শাখার সহকারী প্রকল্প পরিচালক শাহ মো. মশিউর রহমান।নিউজ ডেস্ক : কক্সবাজারের টেকনাফে ঘাসফড়িং সদৃশ পোকা নিয়ে আত’ঙ্কের কিছু নেই বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়েছে, এই পোকা তেমন ক্ষ’তিকর নয় মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এসব পোকা মরুভূমির ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপাল জাতীয় কোনো পোকা নয়।

এ নিয়ে আত’ঙ্কিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বেশ কিছুদিন আগে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লম্বরী গ্রামের কয়েকটি গাছে ঘাসফড়িংয়ের মতো কিছু ছোট পোকার আ’ক্র’মণ দেখা দিলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কীটনা’শক প্রয়োগ করে পোকাগুলো দ’মন করেন।

অতিসম্প্রতি ঘাসফড়িং সদৃশ এসব পোকা আবারও দেখা দিলে কৃষি মন্ত্রণালয় এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে। শুক্রবার সকালেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি দল টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) থেকেও পৃথক পৃথক টিম রওয়ানা দিচ্ছে।

ঘাসফড়িং সদৃশ লোকাস্ট গোত্রের স্থানীয় এই পোকার শনা’ক্তকরণসহ আ’ক্র’মণ প্রতিরো’ধ, নিয়’ন্ত্রণ ও ধ্বং’সে এই টিম কাজ করবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক জানান, বৃহস্পতিবার কীটনা’শক স্প্রে করার পর গাছে থাকা পোকাগুলো মা’রা যায়। সেখানে আর কোনো জীবিত পোকা নেই।