ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

সন্তানদের ছেড়ে করোনা রোগীদের পাশে এই সেবিকা, জানালেন তাঁর গল্প

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০১ ২২:১৪:১২ || আপডেট: ২০২০-০৫-০১ ২২:১৪:১২

নিজের দুই মেয়েসন্তান ও পরিবারের অন্য শিশুদের সঙ্গে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্বে থাকা সেবিকা আফসানা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
‘আইসোলেশনে ডিউটি করার সময় খুব কাছ থেকে করোনা রোগীদের শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে ছটফট করতে দেখেছি। ১০ দিন ডিউটি শেষে হোম কোয়ারেন্টিনে এসেছি। জানি না, আমি নিজেই করোনায় আক্রান্ত কি না। এখন দিন গুনছি, কবে ১৪ দিন শেষে পরিবারের কাছে যেতে পারব।’

কথাগুলো বলছিলেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা রোগীদের সেবায় কর্মরত সাহসী সেবিকা আফসানা আক্তার। সেইসঙ্গে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে তুলে ধরেন কিছু অভিজ্ঞতার কথাও।

কোয়ারেন্টিন শেষে সাত দিন ছুটি নিয়ে পরিবারের কাছে থাকবেন বলে জানিয়েছেন আফসানা। এরপর আবার করোনা রোগীদের সেবায় হাসপাতালে ফিরে আসতে চান তিনি। আফসানা বলেন, ‘আমি এবং আমরা চাই, মানবিকভাবে এই বিপর্যয়ে করোনায় আক্রান্তদের পাশে থাকতে। সেবা করতে গিয়ে সব ভুলে গেছি। নিজেরা রোগীর সেবায় আত্মনিয়োগ করেছি।’

আফসানার স্বামী সৌদি আরব প্রবাসী। তাঁদের ছোট দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। সন্তানদের সঙ্গে শহরের একটি বাড়িতে থাকেন আফসানা। করোনায় আক্রান্তদের সেবায় আত্মনিয়োগের পর অজানা আশঙ্কার কথা তুলে ধরে আফসানা বলেন, ‘প্রথম দিন গত ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে যখন হাসপাতালের করোনা ডিউটিতে যাচ্ছিলাম, তখন অজানা আশঙ্কা ও ভয়ে বুক ধুকধুক করছিল। বারবার চোখের সামনে বিদেশে থাকা স্বামী ও দুই ছোট কন্যাসন্তান নুসরাত ও মারিয়ার চেহারা ভেসে আসছিল। আইসোলেশন ওয়ার্ডে মুমূর্ষু রোগীর সেবা করতে গিয়ে আমিও আক্রান্ত হলে, আমার কিছু হয়ে গেলে ওদের কী হবে!’

করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ তিন রোগী ও সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন আফসানা আক্তার। ছবি : সংগৃহীত
এই সেবিকা আরো বলেন, ‘তবু কর্তব্য পালনের ব্রত নিয়ে নিজে থেকে করোনা ইউনিটের দায়িত্ব চেয়ে সামনে এগিয়ে যাই। আইসোলশনে ডিউটি করার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মাস্ক ও চোখে গ্লাস পরার পর প্রথম দিকে কোনোভাবেই শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছিলাম না। তারপরও পিপিই ও মাস্ক পরে ডিউটি নিয়ে আইসোলশনে যাই। এভাবে রোগীদের সেবা করতে গিয়ে কিছুটা অভ্যস্ত হয়ে যাই।’

সাহসী এই সেবিকা নিজেই দায়িত্ব নিয়েছেন। আরো পাঁচ সহকর্মীর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দায়িত্বে আছেন আরো পাঁচ সহকর্মী। এর মধ্যে সেবিকা কাকলি খাতুন, ফারজানা, লাভলি, রেহেনা ও মিনারাকে ধন্যবাদ জানান আফসানা। তিনি বলেন, ‘এই সময়ে তাঁদের পেয়ে আমার ক্ষেত্রে কাজ করা সহজ হয়েছে।’

এদিকে, কিছু অভিযোগও তুলে ধরেছেন আফসানা। তাঁদের জন্য বরাদ্দ করা খাবারের মান এবং প্রতিদিন একই ধরনের খাবার দেওয়ার ব্যাপারে ক্ষোভের কথা জানান তিনি। আফসানা বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের খাবারের জন্য ৫০০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও দেওয়া হচ্ছে কম দামের নিম্নমানের খাবার। এই ব্যাপারটির উন্নতি হওয়া খুবই দরকার। না হলে আমাদের শরীরে সমস্যা তৈরি হতে পারে।’

আফসানা বলেন, ‘সকালে আমাদের জন্য কোনো নাশতার ব্যবস্থা নেই। কোনোমতে নিজেদের মুড়ি-চিড়া খেয়ে দুপুর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছি।’

অন্যসব বিভাগের খাবারের মানের চেয়ে করোনাযোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সবার খাবারের মান উন্নত হওয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান এই সেবিকা।

রোগীদের সেবা দেওয়ার ব্যাপারে আফসানা জানান, গত ১০ দিনে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঁচজন করোনা রোগীকে খুব কাছে থেকে (ক্লোজ কন্টাক্ট) চিকিৎসা দিয়েছেন তিনি। পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে সুস্থ করে বাড়িতে যেতে সাহায্য করেছেন। তবে কয়েক দিন আগে আইসোলেশনে থাকার সময় দুজন রোগী করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

ফমেক হাসপাতালের এই সেবিকা বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছিলাম, তাঁরা করোনা রোগী নন। তারপরও তাঁদের এখানে রেখে চিকিৎসা করানো হলো। এ সময় কর্তব্যরত নার্সরা সার্বক্ষণিক তাঁদের পাশে ছিলেন। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরাও তাঁদের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। তারপরও তাঁদের বাঁচানো যায়নি।’

১০ দিন কাজ করার পর এখন হাসপাতালেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন আফসানা। কোয়ারেন্টিন শেষ না হলে তিনি পরিবারের কাছে যেতে পারছেন না। এখন হাসপাতালে বসে স্বামী ও সন্তানদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন এই সেবিকা। তিনি বলেন, ‘পাচঁ বছরের ছোট মেয়েটি যখন মা বলে ডেকে ওঠে, তখন বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে।’ কিন্তু এ মুহূর্তে কাছে গেলেই সংক্রমিত হতে পারে—এ আশঙ্কায় বুকে পাথর বেঁধে অপেক্ষা করছেন তিনি।

দুই মেয়েকে ফেলে কাজ করার জন্য খুব একটা খারাপ লাগেনি আফসানার; বরং পেশাদার সেবিকা হিসেবে মুমূর্ষু রোগীর সেবা করতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে মনে করেন তিনি।

আরো পড়ুন: করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে সব দায়িত্ব আমরা নেব: রুবানা হক

ঈদের আগেই সব তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে বিজিএমইএ৷ তারা বলছে, করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে তার সব দায়দায়িত্ব মালিকরা নেবেন৷ যদিও এখনো তিনশ কারখানার শ্রমিকরা বেতন পাননি৷

বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরশাদ জামাল দিপু জানিয়েছেন,‘ঈদের আগেই সব তৈরি পোশাক কারখানা খুলে যাবে।’আর তৈরি পোশাক মালিকদের এই সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট রুবানা হক বলেছেন,‘করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে সব দায়িত্ব আমরা নেব৷’

কত কারখানা খুলেছে বিজিএমইএ জানিয়েছে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকা, গাজীপুর, সাভার , আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের ৮৯০টি কারখানা চালু হয়েছে৷ শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন৷

মোট শ্রমিকদের ৪২ ভাগ কাজে যোগ দিতে পেরেছেন৷ আরশাদ জামাল দিপু বলেন,‘আমরা ফেস বাই ফেস পোশাক কারখানা খুলে দেব৷ বাইরের জেলাগুলো থেকে যেহেতু যাবাহন চলাচল বন্ধ আছে তাই সেখান থেকে শ্রমিকদের আসতে নিষেধ করছি৷ তবে ৭ তারিখের পরে এই সমস্যা থাকবে না বলে মনে হয়৷ ঈদের আগে অবশ্যই সব পোশাক কারখানা খুলে যাবে৷’

বিজিএমইএ যে কারাখানাগুলোর হিসেব দিচ্ছে সেগুলো আসলে সরাসরি পোশাক রপ্তানি করে৷ বিজিএমই বলছে এই রকম পোশাক কারখানার সংখ্যা দুই হাজার ২৭৪টি ৷ সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোতে ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১৭ জন শ্রমিক আছেন৷

কিন্তু বাস্তবে পোশাক কারখানার সংখ্যা সারাদেশে সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি৷ কারণ অনেক কারখানা আছে যারা সাব কন্ট্রাক্টে কাজ করে৷ এসব কারখানায় ৫০ লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করেন৷ শিল্প পুলিশ সূত্র জানায়, সারাদেশে এপর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি পোশাক কারখানা খুলেছে৷

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি জানান,‘আমাদের হিসেবে সারাদেশে তিন হাজারের মত পোশাক কারখানা খুলেছে৷ ১ মে এর পর ধীরে ধীরে সব কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷’ পোশাক কারখানা যেভাবে খোলা হচ্ছে বিজিএমইএ বলছে,

পোশাক কারখানাগুলোর ভিতরে এবং শ্রমিকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই কারখানাগুলো খোলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে৷ এটা নিশ্চিত করার জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে৷ রুবানা হক জানান,‘যেসব কারখানা খোলা হয়েছে তার ভিতরের ছবি আমরা সংগ্রহ করছি যাতে সেখানকার পরিস্থিতি বোঝা যায়৷

কেউ যদি কোভিড আক্রান্ত হন তা যেন গোপন করা না হয়৷ আমাদের ওয়াচ কমিটি আছে৷ আমাদের সাথে চিকিৎসকরা আছেন৷ কোনো শ্রমিক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, বিপদে না পড়েন সেটা আমরা দেখব৷ যদি কোনো শ্রমিকের কোনো কিছু হয় তাহলে সম্পূর্ণ দায়ভার আমাদের৷

আমরা তার খরচ থেকে শুরু করে সবকিছু দেখব৷ আমরা শ্রমিকদের করোনা টেস্টের জন্য চারটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনেরও উদ্যোগ নিয়েছি৷’ তিনি আরো বলেন,‘যেসব শ্রমিক আগেই এসেছেন বা গ্রামের বাড়িতে যাননি তাদের দিয়েই কারখানা খুলছি সীমিতভাবে৷ কোনো কোনো শ্রমিক বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে চাকরির জন্য৷ তাদের আমরা নিরুৎসাহিত করছি৷

তাদের আমরা এপ্রিল মাসের বেতন তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেব৷’ তবে সারাদেশে জরুরি সেবার বাইরে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও শ্রমিকরা নানাভাবে পোশাক কারখানায় ফিরছেন৷ বিশেষ করে ফেরিঘাটগুলোতে শ্রমিকদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা যাচ্ছে৷ শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন,‘কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও সামজিক দূরত্বের কিছু ব্যবস্থা নেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয়৷

সব কারখানা মেশিনগুলোর দূরত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি৷ তবে মালিকরা বলেছে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসার দায়িত্ব নেবেন৷’ তিনি আরো জানান,‘এরইমধ্যে দুইজন পোশাক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন৷ উচিত ছিলো সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর কারখানায় প্রবেশ করানো৷ এখনো সব মিলিয়ে প্রায় তিনশ কারখানায় শ্রমিকরা মার্চ মাসের বেতনই পাননি৷

এরমধ্যে দেড়শ কারখানায় কোনো বেতনই দেয়া হয়নি৷ আর দেড়শ কারাখানায় বেতনের অর্ধেক দেয়া হয়েছে৷ বৃহস্পতিবারও কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন৷ আর শ্রমিকদের নানাভাবে কাজে যোগ দেয়ার নোটিশ দেয়া হচ্ছে৷’

পোশাক কারখানার কত ক্ষতি গত তিন মাসে পোশাক কারখানার সব মিলিয়ে ৬০ ভাগের মত অর্ডার বাতিল হয়েছে৷ যার পরিমাণ তিন বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি৷ তবে এটাকে পুরোপুরি বাতিল বলা যাবে না৷ বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরশাদ জামাল দিপু জানান,‘৩০ ভাগের মত অর্ডার বাতিল হয়েছে৷

আরো ২৫ থেকে ৩০ ভাগের মত অর্ডার হোল্ড আছে৷ অর্ডার হোল্ড, বাতিল, বিলম্ব সব মিলিয়ে ৬০ ভাগ হবে৷’ তিনি বলেন,‘মাসে দুই থেকে আড়াই বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়৷ সেই হিসেবে তিন মাসে সাত বিলিয়ন ডলার বা কিছুৃ বেশি অর্ডার ছিলো৷’ তবে এই সব অর্ডার শেষ পর্যন্ত বাতিল হবে না৷ অর্ডার ফিরে আসছে৷

আবার কিছু অর্ডার হয়তো পরের বছর অ্যাডজাষ্ট হবে৷ সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত ২৫ ভাগ অর্ডার চূড়ান্তভাবে বাতিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিজিএমইএর এই সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট৷ তিনি বলেন,‘ক্রেতারা তো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি৷ ইউরোপে ৬২ ভাগ দোকান বন্ধ৷ কিন্তু চীনে খুলছে৷ আরো কিছু কিছু দেশে ক্রেতারা তাদের ব্যবসা খুলতে শুরু করেছে৷

ফলে ক্যান্সেল বা স্থগিত হওয়া অর্ডার আবার ফিরে আসছে৷ সুইডেনতো বলেই দিয়েছে অর্ডারের টাকা আমাদের দিয়ে দেবে৷’ ‘আমরা আশা করছি পোশাক খাতের এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারব৷ তবে এজন্য করোনা টেস্টিংটা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন৷ আমরা চাই র‌্যাপিড টেস্টিং৷ তবে শুনছি মে মাসে নাকি করোনা আরো বেড়ে যাবে৷ তাই ভয়ও হয়,’ বলেন আরশাদ জামাল দিপু৷

বিজিএমইএ জানায়, এখন পর্যন্ত অর্ডারের ৩.১৫ বিলিয়ন ডলার পাওয়া গেছে ক্রেতাদের কাছ থেকে৷ যারা অর্ডার ক্যান্সেল করেছে তাদের কেউ কেউ ১৮০ দিন পরে পেমেন্ট করার কথা বলছে৷ কিন্তু কাঁচামালের দায় কে নেবে?

বাংলাদেশের পোশাক খাতে এখনো নতুন অর্ডার আসা শুরু হয়নি৷ মোটামুটিভাবে দেড় মাসের অর্ডার জমে আছে৷ যেগুলো না দিলেই নয় সেগুলো এখন সীমিত পরিসরে তৈরি করে দেয়া হচ্ছে বলে জানায় বিজিএমইএ৷

সূত্র : ডয়চে ভেলে