ঢাকা, আজ রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাড়িতে ড্রাম ভর্তি চাল, ইউএনওকে ফোন দিয়ে বললেন দুদিন না খাওয়া

প্রকাশ: ২০২০-০৫-০১ ০৪:৩০:৪৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-০১ ০৪:৩০:৪৮

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনে মানুষ নিজের ঘরে অবস্থান করছেন। এরই মাঝে অনেক সম্পদশালী নিজেকে প্রশাসনের কাছে অসহায় বলে পরিচয় দিচ্ছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যখন ফোন পেয়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাদের সম্পদ ও বাড়ির অবস্থান দেখছেন তখন হচ্ছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ়! ইতোমধ্যে এমন দুটি ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের দুই উপজেলায়।

সম্প্রতি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় শতগ্রাম ইউনিয়নের এক ব্যক্তি ৩৩৩ ফোন দিয়ে বলেন,‘আমাকে খাবার দেন না হয় গুলি করে মেরে ফেলেন।’ এ ঘটনায় দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলমের নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যক্তির বাড়িতে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেন খাবার নিয়ে হাজির হন। কিন্তু ওই ব্যক্তির বাড়ি গিয়ে তিনি যা দেখলেন তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। তারপরও তিনি ওই ব্যক্তির বিষয়ে জানার জন্য অনেকটা অতি উৎসাহী হয়ে সান্ত্বনা দেয়ার ছলে ঘরে প্রবেশ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই ব্যক্তির ঘরে প্রবেশ করে দেখেন- কিছুক্ষণ আগে রাতের খাবার শেষ করে খাবারের প্লেট সেখানে রাখা আছে। ছেলে ল্যাপটপ ব্যবহার করছেন। ইটের তৈরি বাড়ি। খাটে বিছানো দামি বেড সিট। ঘরে চাল, ডালসহ বাজার রয়েছে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই ব্যক্তিকে খাবার সামগ্রী দিয়ে কর্মস্থলে চলে আসেন।

এদিকে গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার এমন দুটো ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমুন নাহার তার নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে ‘ইউএনও নবাবগঞ্জ’ নামে ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টটি জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

‘দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিভিন্ন হাটবাজারে অভিযান পরিচালনা ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান করতে গিয়ে যেটা উপলব্ধি তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মেনে নিতে আজ বড্ড খারাপ লাগছে। কারণ যে জনগণকে ভালো রাখার জন্য নিজের ছোট শিশু পরিবারকে বঞ্চিত করে দিনরাত এক করে মানুষকে সচেতন করতে তাদের করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে আমরা সকলে মিলে ছুটে চলেছি, সম্ভাব্য জায়গায় প্রয়োজনমত ত্রাণ সহায়তা সরকারের সাধ্য অনুযায়ী প্রদানের ব্যবস্থা নিচ্ছি, ঢাকা বা নারায়ণগঞ্জ ও অন্যান্য এলাকা থেকে আগত ব্যক্তিদের ত্রাণ সহায়তা দিয়ে নিজেদের বাসাতে অথবা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে আবদ্ধ থাকতে আপ্রাণ চেষ্টা করছি। আজ সেইসব মানুষেরা ভাইরাসকে নয়, যেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ও তার গাড়িটাকে ভাইরাস মনে করে ছুটছেন।

চলে আসলে আবার নিজেদের জায়গায় এসে গল্প করছেন, অকারণে ঘোরাঘুরি করছেন। কোনো কোনো সময় নিজের মাকে, সন্তানকে রোগী বানিয়ে ২০১৬/২০১৭ সালের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে পথ্য কেনার বাহানা করে অযাচিতভাবে ঘুরছেন। নিজের যথেষ্ট খাবার থাকার পরও খাবারের আবেদন জানাচ্ছেন যাতে করে প্রকৃত যারা সাহায্য পাবার হকদার তারাও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলছেন।

আজ কয়েকটা বাজারে লোকজনকে জিজ্ঞেস করলাম- কি কিনতে বাজারে আসছেন? উত্তরের কিছুই বলে না, উল্টো পালানোর চেষ্টা করে।

বাবা ছেলেকে সেলুনে নিয়ে আসছে চুল কাটাতে কিন্তু এই যে আদরের ফুটফুটে শিশুটিকে সেলুন এ নিয়ে আসলেন বাবা, যদি এখান থেকে কোন কিছু সূত্রপাত হয় পারবেন বাবা হিসেবে নিজেকে মাফ করতে…

দুইজন মহিলা ফোন করে বললেন- মা দুইদিন হলো না খেয়ে আছি চেয়ারম্যান সাহেবরা তো আমাদের কোনো খোঁজও নেয় না, কোন সহযোগিতাও করে না। তখন ঠিকানা নিয়ে খাবার দিতে গিয়ে চোখ কপালে উঠে গেল। তার বাসায় ড্রাম ভর্তি চাল, আলু পেঁয়াজ কোনো কিছুর অভাব নাই, ছাদ পেটানো বাসা বানানো হচ্ছে আরও অনেক কিছু।

আপনার এহেন আচরনের কারণে আপনার পাশের বাড়ির প্রকৃত গবিব লোকটি বঞ্চিত হচ্ছে। গরিব লোকটি আবার গালি দিবে কাকে…সরকারকে। আপনাকে যদি আপনার এহেন আচরণের কারণে আইনের আওতায় আনা হয় কাকে দোষারোপ করবেন…সরকারি সিস্টেমকে। অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ছাড়া ঘুরছেন। আপনি কি নিশ্চিত আপনার আশপাশে কোনো করোনা রোগী নেই। আপনার অসাবধানতার জন্য যদি আপনার কিছু হয় তাহলে কাকে দোষারোপ করবেন।

তারপরও, আপনাদের ভালো রাখতে আমরা সব সময় মাঠে থাকব, যেকোনো প্রয়োজনে আপনাদের পাশে থাকব, সাহায্য সহযোগিতা করার আপ্রাণ চেষ্টা করব। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যাতে আমাদের এই সুন্দর বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে আবার আগের মত মুখরিত করতে পারি আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ইনশাআল্লাহ। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে একটাই প্রতিকার ঘরে থাকা। ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন, সুস্থ থাকুন। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নাজমুন নাহার বলেন, চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতে কিছু সম্পদশালী মানুষ প্রশাসনের সঙ্গে তামাশা করছে। তাদের কারণে অন্যরাও বঞ্চিত হবে।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম বলেন, এই মুহূর্তে ওই সমস্ত ব্যক্তির কাছে আমরা এমন ব্যবহার আশা করছি না। আমরা সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি। ইতোমধ্যে দিনাজপুরে ১৫ জন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আমাদের নিরাপদ থাকতে হলে বাড়িতে অবস্থান করতে হবে। সবার পরিবারকে ভালো রাখতে লকডাউন মেনে চলুন ভালো থাকুন। তবে ত্রাণ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে আইনের আওতায় আনা হবে।

দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, সমাজের সবার ভালোর জন্য আমাদের ত্রাণ নিয়ে তামাশা করা ঠিক হবে না। সমজকে ভালো রাখতে হলে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইতোমধ্যে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর উপজেলায় ৫০ হাজার পরিবারের মধ্যে খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজ ঃ অবশেষে করোনার ওষুধ পাওয়া গেছে!

পৃথিবীর প্রায় সব মানুষের মনে সম্ভবত এখন একটাই প্রশ্ন, করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার ওষুধ পাওয়া যাবে কবে? আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান বিষয়ক সংবাদদাতা জেমস গ্যালাহার লিখছেন, ওষুধটি হয়তো পাওয়া গেছে! আমেরিকান সরকারের সংক্রামক ব্যাধি বিষয়ক শীর্ষ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি বলছেন, করোনা ভাইরাসের পরীক্ষমূলক চিকিৎসায় ট্রায়াল রান অর্থাৎ রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে প্রাথমিক যে ফলাফল পাওয়া গেছে তাতে তিনি আশাবাদী।

জিলেড নামের একটি আমেরিকান ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি তাদের উৎপাদিত ওষুধ রেমডিসিভির নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে, তবে কোনো তথ্য-প্রমাণ দেয়নি। বিবৃতিতে তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস এর চালানো এক পরীক্ষা থেকে ইতিবাচক উপাত্ত পাওয়া গেছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছেন তারা। রেমডিসিভির হচ্ছে এমন একটি অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ যা ইবোলা রোগের চিকিৎসার জন্য তৈরি হয়েছিল।

জেমস গ্যালাহার জিলেডের এই বিবৃতি ব্যাখ্যা করে বলছেন, কঠিন মেডিকেল শব্দ বাদ দিয়ে সোজা কথায় বলা যায়, জিলেড জানাচ্ছে যে রেমডিসিভিরে কাজ হয়। তবে আমরা যা জানি না, তা হলো কতটা ভালোভাবে এটা কাজ করে, এবং তাদের তথ্যপ্রমাণ কতটা জোরালো।
জিলেড জানিয়েছে, ‍শুরুতেই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এমন শতকরা ৬২ ভাগ রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে। আর যেসব রোগীকে দেরিতে দেয়া হয়েছে তাদের শতকরা ৪৯ ভাগ হাসপাতাল ত্যাগ করেছে।

আমেরিকার করোনা ভাইরাস টাস্ক ফোর্সের ডাক্তার এ্যান্থনি ফাউচি বলেন, প্রাথমিক ফল খুবই আশাব্যঞ্জক। সূত্র: বিবিসি

অবশেষে করোনার ওষুধের কার্যকারিতা প্রমাণিত!

অবশেষে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছে ডা. অ্যান্থনি ফাউচি। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. অ্যান্থনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ’-এর পরিচালক এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশেষজ্ঞ।

ভিন্নি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ডা. অ্যান্থনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে রেমডেসিভিরের কার্যকারিতার ‘সুস্পষ্ট প্রমাণ’ পাওয়া গেছে।

এ স্বনামধন্য বিজ্ঞানী একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সূত্রে জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে রেমডেসিভির গ্রহণকারীরা অন্যদের তুলনায় কম সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে এই ওষুধ মৃত্যুহার কমাতে ভূমিকা রাখে কিনা, তা এখনও প্রমাণিত নয়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ-এর তত্ত্বাবধানে হোয়াইট হাউসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১০৬৩ মানুষের ওপর পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন ফাউচি। সেখানে এ তথ্য তুলে ধরেন।

ফাউচি বলেন, করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার সময়সীমাকে কমিয়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে রেমিডেসিভির সুস্পষ্ট, গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে তা প্রাপ্ত তথ্য থেকে প্রমাণিত হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি।

অবশেষে খোঁজ মিলল তার, যার শরীর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে করোনা

মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৯৯টি দেশ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৭ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৬ হাজার ২২৬ জন মানুষ। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। এক্ষেত্রে তারা হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন সেই রোগীকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীকে। তারা মনে করেন ‘পেশেন্ট জিরো’ রোগীকে ভালভাবে পরীক্ষা করলে প্রতিরোধের উপায় এবং ভ্যাকসিন বের করা সহজ হবে। অবশেষে মিলেছে সেই পেশেন্ট জিরো রোগী।

ইন্ডিয়া টাইমস জানায়, প্রথম করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে ৬৭ বছর বয়সী এক চীনা মহিলা। নাম ওয়েই গুইশিয়ান। তিনি চীনের উহান শহরের বাজারে চিংড়ি মাছ বিক্রি করতেন।

এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ওয়েই গুইশিয়ান গত বছরে ১০ ডিসেম্বর হুনান সি ফুড মার্কেটে চিংড়ি বিক্রির সময় অসুস্থ হয়েছে পরেন। প্রথমে ফ্লুয়ের মতো উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে যান ওয়েই। প্রথমে তাঁকে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু দিনের পর দিন ক্রমশ দুর্বল হতে থাকেন গুইশিয়ান। দিন দুয়েক পরই উহানের ইলেভন্থ হাসপাতালে যান। সেখানেও ধরা পড়েনি এই মারণ-ভাইরাস। ১৬ ডিসেম্বর ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় উহান ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান গুইশিয়ান। আর সেই হাসপাতালেই তাঁকে বলা হয় যে, শরীরে কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে।

এরপরই ওই হাসপাতালে বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা, যাদের সবার শরীরেই একই ধরনের উপসর্গ। গুইশিয়ানের দেখাদেখি ওই হাসপাতালে ছোটেন হুনান মার্কেটের আরও অনেক মানুষ। এমনকি অনেক ক্রেতাও আক্রান্ত হয়ে পড়েন ওই রোগে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে ওয়েই গুইশিয়ানকে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়। তাঁর শরীরে মেলে COVID-19 ভাইরাসের উপস্থিতি মেলে। সে সময় ডাক্তারদের ধারণা, উহানের ওই সামুদ্রিক খাবার বিক্রির মার্কেট থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

চীনের চিকিৎসকরা মনে করেন, উহানের ওই মার্কেটের টয়লেট ব্যবহার করাতেই তাঁর শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।

উহান মিউনিসিপ্যাল হেলথ কমিশনের তরফে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন যে ২৭ জন রোগী তাঁদের মধ্যে প্রথমেই ছিলেন ওয়েই গুইশিয়ান।