ঢাকা, আজ রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ওমানে বিদেশি শ্রমিকদের স্থায়ীভাবে চলে যেতে সরকারের চাপ !

প্রকাশ: ২০২০-০৪-৩০ ২০:১৮:১৬ || আপডেট: ২০২০-০৪-৩০ ২০:১৮:১৬

ওমানে রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোকে বিদেশি শ্রমিকদের জায়গায় স্থানীয়দের নিয়োগ দিতে বলেছে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়। দেশীয় কর্মশক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সৌদিভিত্তিক আল-আরাবিয়াহর খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

সরকারের ওমানিকরণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত। এতে ওমানের নাগরিকদের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও তার মান বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। করোনাভাইরাসে তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় ও অর্থনৈতিক ধীর গতির কারণে সংকটে পড়ে গেছে ওমান।

সপ্তাহ দুয়েক আগে কোম্পানিগুলো ওমানি নাগরিকদের ছাঁটাই করে অর্থনৈতিক বোঝা হালকা করার চেষ্টা করলে তাতে বাধা দিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়া ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো যাতে বিদেশি শ্রমিকদের স্থায়ীভাবে চলে যেতে বলে সেই আহ্বানও জানানো হয়েছে।

বুধবার পর্যন্ত দুই হাজার ২৭৪ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ওমানে। যাদের মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে গত কয়েক সপ্তাহ বাজেট কাটছাঁটেরও কথা বলা হচ্ছে।

সুত্র: যুগান্তর

রংপুরে করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন ৮০ বছরের মোসলেম উদ্দিন

করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন মোসলেম উদ্দিন (৮০)। বুধবার দুপুরে রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ছাড়পত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবী।
১৩ দিন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোসলেম উদ্দিন। তার বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের আউলিয়াগঞ্জ।

তিনি জানান, একমাস ঢাকায় অবস্থান শেষে গত ৩১ মার্চ রংপুরে ফেরেন মোসলেম উদ্দিন। এসময় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। রংপুরে পৌঁছে শহরের খামার মোড়ে জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। সেখানে থাকা অবস্থায় জ্বর, সর্দি, ও কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে ১৪ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটিআই কর্নারে চিকিৎসা নিতে যান মোসলেম উদ্দিন।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তার রোগের লক্ষণ ও ইতিহাস জেনে করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দেন। ওইদিন তার নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৬ এপ্রিল করোনা শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।পরে ২০ এপ্রিল সেখান থেকে তাকে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, ৯ দিন চিকিৎসাধীন থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং পরপর দুইবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাকে হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তির সময় যেভাবে ফুল ও চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, সেভাবেই ছাড়পত্র দেয়ার সময়ও চিঠি ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবীসহ কর্মরত চিকিৎসকবৃন্দ।

রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের প্রথম রোগী হিসেবে ভর্তি এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় মোসলেম উদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি চিকিৎসকদের সাহস, আশার সঞ্চার ও অভিজ্ঞতা কয়েকগুণ বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে।