ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

করোনায় মারা গেলেন আরও ২ পুলিশ

প্রকাশ: ২০২০-০৪-৩০ ১৬:২১:০৩ || আপডেট: ২০২০-০৪-৩০ ১৬:২১:০৩

করোনায় মারা গেলেন আরও ২ পুলিশ
রাজধানীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ২ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবরটি নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

এদিকে বুধবার (২৯ এপ্রিল) করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন সংবাদ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা মোট ১৬৩ জন। এছাড়া দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১০৩ জনে।
এর আগে গতকাল করোনা ভাইরাসে মৃতের তালিকায় পুলিশ কনস্টেবল জসিম উদ্দিনের (৪০) নাম ওঠে। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। জসিম উদ্দিন ওয়ারি থানায় পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ওয়ারি ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি করোনায় সংক্রমিত হন। তিনি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

ওয়ারি বিভাগের উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কয়েকদিন আগে জসিম উদ্দিনের শরীরে করোনার লক্ষণ পাওয়া যায়। এরপর করোনা সন্দেহে তাকে ফকিরাপুলের একটি হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ২৫ এপ্রিল তার নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হয়।

আরো সংবাদ

আরব রাষ্ট্রগুলো বিশ্বাসঘাতক, তারা মুসলিমদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে: এরদোগান

করোনার এই মহামারীতেও আরব দেশ গুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে। ফিলিস্তিন কিংবা ইরাকের পাশে না দাঁড়িয়ে আরব দেশগুলো তাদেরকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত একপেশে শান্তি প্রস্তাবের পক্ষে যেসব আরব দেশ মতামত দিয়েছে সেসব রাষ্ট্রকে বিশ্বাসঘাত’ক বলে আখ্যায়িত করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

তুরস্কের পার্লামেন্টে দলীয় এমপিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এরদোগান বলেন, শতাব্দীর সেরা চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার প্রধান লক্ষ্য পূন্যময়ী নগরী আল কুদসকে (জেরুজালেম ) গ্রাস করে নেয়া- আমরা কিছুতেই এটা মেনে নিব না।

তথাকথিত শতাব্দীর সেরা চুক্তির ব্যাপারে আরব ইসলামি রাষ্ট্রসমূহের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী এই নেতা। এরদোগান বলেন, জেরুজালেমকে ইহুদিবাদীদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রকে যেসব আরব দেশ মেনে নিতে বলছে- তারা নিজেদের মানুষের সঙ্গে, নিজের দেশের সঙ্গে এবং মানবতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

কথিত শান্তি পরিকল্পনার নামে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিকে বৈধতা দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা না বলায় সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

মুসলিমবিশ্বের এ নেতা বলেন, ফিলিস্তিনিদের পাশে আরব দেশগুলো দাঁড়াতে এবং বিতর্কিত ও একপেশে ওই পরিকল্পনার বিষয়ে কথা বলতে ব্যর্থ হয়েছে। মারাত্মক কোনো পরিণতি হলে তারা দায়ী থাকবে বলে জানান এরদোগানকরোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে আছে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র কাবা শরীফসহ প্রধান মসজিদ ‘মসজিদুল আল-হারাম’। সোমবার এ পবিত্র স্থাপনা জীবাণুমুক্তকরণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে নিজেই নেমে পড়েন মসজিদুল আল-হারামের প্রধান ইমাম ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস।

Horizontal Ad
ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস মক্কার দুই পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্ট। তিনি সৌদি আরবের প্রধান মসজিদ আল-হারামের ইমাম। কাবা শরীফ ছাড়াও পবিত্র মাকামে ইব্রাহিম পরিষ্কার করতে তিনি কর্মীদের সঙ্গে যোগ দেন। এশার নামাজের আগে তাঁরা ধুয়ে-মুছে জীবাণুমুক্ত করেন ওই এলাকা।

Horizontal Ad
স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁরা করোনাভাইরাস ছড়ানো রো’ধ করতে বেশ কিছু নিয়ম মেনে কাজ করেন। নিজেরা কাজের সময় একে অপরের থেকে পর্যাপ্ত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখেন। কাবা শরীফের প্রতি বছরের রুটিন কাজগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে পবিত্র হাজরে আসওয়াদ পরিষ্কার ও গিলাফ পরিবর্তন। সূত্র : আরব নিউজ।কসময়ে ইসলাম ধর্মের প্রবল বিরোধিতা করতেন এক ডাচ এমপি। সুযোগ পেলেই কঠোর সমালোচনা করতেন ইসলামের। লিখতে যান ইসলামবিরোধী এক বইও। অবশেষে বই লিখতে গিয়ে সেই ব্যক্তি গ্রহণ করলেন ইসলাম।এমন ঘটনা ঘটেছে নেদারল্যান্ডে।

ইসলাম গ্রহণকারী ওই ব্যক্তির নাম জোরাম ভ্যান ক্লাভিরিন (৩৯)। জোরাম ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পার্লামেন্ট ফর দ্য ফ্রিডম পার্টির (পিভিভি) সদস্য ছিলেন। কিন্তু ২০১৪ সালে তিনি সে দল ছেড়ে দেন।

Horizontal Ad
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসলামবিরোধী একটি বই লিখতে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন জোরাম। সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।

ডাচ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোরাম বলেছেন, ইসলাম সম্পর্কে বই লেখার সময় আমি অনেক বিষয়বস্তু অতিক্রম করে আসি, অনেক বিষয় জানতে পারি। যা আমার ইসলাম সম্পর্কে ধারণা বদলে দেয়।

২০১৪ সালে পিভিভি দল ছেড়ে দেওয়ার পর জোরাম নিজে একটি দল গড়েন। ২০১৭ সালে নেদারল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন। কিন্তু তাতে জয়লাভ করতে ব্যর্থ হন। এরপর তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেন। পিভিভি দল করার সময় ইসলামের কঠোর সমালোচক ছিলেন জোরাম।

সংবাদ মাধ্যম এনআরসি এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, জোরাম ওইসময় ইসলাম ধর্মকে ‘মিথ্যা’ এবং কোরআন শরিফ’কে ‘বিষ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন জোরাম।

তিনি বলেন পিভিভি দল করার কারণে এসব বলতে হয়েছে যা ওই দলের পলিসি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। জোরামের আগেও পিভিভি দল ছেড়ে আরেকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

সুসংবাদ নিয়ে এলো মাহে রমজান!

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের গণনায় মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার মাস হলো মাহে রমজান। এটা ফযিলাতের মাস, গুনাহ মাফের মাস, সবচেয়ে বেশি সওয়াব অর্জনের মাস।

মাহে রমজানকে বলা হয় মুসলমানদের জন্য নেকি অর্জন করার মৌসুম। মাহে রমজানের প্রধান আমল হলো ফরজ রোজা। রোজা ফার্সি শব্দ, যার অর্থ ‘বিরত থাকা’।

আরবিতে বলা হয় সিয়াম, অর্থ ‘বিরত থাকা’, ‘আত্মসংযম করা’ ইত্যাদি। পরিভাষায় সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজা ভঙ্গ হওয়ার সকল বিষয় থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে মুমিনগণ তোমাদের ওপর রোজার বিধান দেওয়া হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য ও বিধান দেওয়া হয়েছিল। যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। (সূরা বাকারা:১৮৩) রমজান মাস আসে মানুষের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে।

তাইতো রাসুল (সা:) বলেন, রমজান মাস যখন আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয়। (নাসায়ী, আল মুসতাদরাক) এই মাস মুমিনের অতীতের গুনাহ সমূহকে মুছে দেয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াব অর্জনের নিয়তে রমজানের সিয়াম পালন করবে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বোখারী ও মুসলিম) রমজান মাস সহানুভূতির মাস। রমজান মাস এলে রাসূল (সা:) দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি দান সদকা করতে উৎসাহিত করেছেন।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, রাসূল (সা:) লোকদের মধ্যে অতিদানশীল ছিলেন। বিশেষ করে রমজান মাস এলে তার দানশীলতা অনেক বেড়ে যেত। (বুখারী ও মুসলিম) রমজানে কোন রোজাদারকে ইফতার করানোর কারণে অনেক নেকি লাভ হয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যদি কেউ রোজাদারকে ইফতার করায়, তাহলে সে উক্ত রোজাদারের সমপরিমাণ নেকি লাভ করবে, তবে রোজাদারের নেকি একটুও কমবে না। (তিরমিজি) রমজান মাসে নফলের বিনিময় ফরজ সমতুল্য এবং একটি ফরজের বিনিময় সত্তরটা ফরজের নেকি দেওয়া হয়। এমনকি প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

কিন্তু মাহে রমজানের রোজা সম্পর্কে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, রোজা আমার জন্য আর উহার প্রতিদান আমিই দিব। (বুখারী) ফযিলতের মাস এই মাহে রমজানেই সমস্ত পৃথিবীবাসীর জন্য হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, রমজান মাস।

এতে মানুষের দিশারী এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী রূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এই মাস পাবে তারা যেন এই মাসে সিয়াম পালন করে। (সূরা বাকারা:১৮৫) সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন রোজাদার নিজের মধ্যে আত্মসমালোচনার অভ্যাস গড়ে তোলেন।

Horizontal Ad
কাজেই নিজেই নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেন। ফলে তিনি আত্মশুদ্ধি অর্জনে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলে করিম (সা:) ঘোষণা করেছেন;

যে লোক ঈমান ও ইহতেসাবের সাথে রমজানের রোজা পালন করবে তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমাদ)।

এই মাসেই লাইলাতুল কদর অর্থাৎ কদরের রাত, যে রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম। (সূরা কদর:২) তাইতো এই মাস অন্য সকল মাস থেকে ফজিলত পূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, আসুন সারা পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাস নামক মহামারি থেকে মুক্তি পেতে মিথ্যা, গীবত, চোগলখুরী, পরনিন্দা, অশ্লীলতা ও সকল খারাপ কাজ পরিহার করে তাকওয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে মাহে রমজানের ফজিলত অর্জনের চেষ্টা করি।

আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদেরকে তৌফিক দান করুন। আমীন।

জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে এলো মাহে রমজান!

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের গণনায় মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার মাস হলো মাহে রমজান। এটা ফযিলাতের মাস, গুনাহ মাফের মাস, সবচেয়ে বেশি সওয়াব অর্জনের মাস।

মাহে রমজানকে বলা হয় মুসলমানদের জন্য নেকি অর্জন করার মৌসুম। মাহে রমজানের প্রধান আমল হলো ফরজ রোজা। রোজা ফার্সি শব্দ, যার অর্থ ‘বিরত থাকা’।

আরবিতে বলা হয় সিয়াম, অর্থ ‘বিরত থাকা’, ‘আত্মসংযম করা’ ইত্যাদি। পরিভাষায় সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজা ভঙ্গ হওয়ার সকল বিষয় থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে মুমিনগণ তোমাদের ওপর রোজার বিধান দেওয়া হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য ও বিধান দেওয়া হয়েছিল। যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। (সূরা বাকারা:১৮৩) রমজান মাস আসে মানুষের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে।

তাইতো রাসুল (সা:) বলেন, রমজান মাস যখন আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয়। (নাসায়ী, আল মুসতাদরাক) এই মাস মুমিনের অতীতের গুনাহ সমূহকে মুছে দেয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াব অর্জনের নিয়তে রমজানের সিয়াম পালন করবে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বোখারী ও মুসলিম) রমজান মাস সহানুভূতির মাস। রমজান মাস এলে রাসূল (সা:) দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি দান সদকা করতে উৎসাহিত করেছেন।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) বলেন, রাসূল (সা:) লোকদের মধ্যে অতিদানশীল ছিলেন। বিশেষ করে রমজান মাস এলে তার দানশীলতা অনেক বেড়ে যেত। (বুখারী ও মুসলিম) রমজানে কোন রোজাদারকে ইফতার করানোর কারণে অনেক নেকি লাভ হয়। রাসুল (সা:) বলেন,

যদি কেউ রোজাদারকে ইফতার করায়, তাহলে সে উক্ত রোজাদারের সমপরিমাণ নেকি লাভ করবে, তবে রোজাদারের নেকি একটুও কমবে না। (তিরমিজি) রমজান মাসে নফলের বিনিময় ফরজ সমতুল্য এবং একটি ফরজের বিনিময় সত্তরটা ফরজের নেকি দেওয়া হয়। এমনকি প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

কিন্তু মাহে রমজানের রোজা সম্পর্কে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, রোজা আমার জন্য আর উহার প্রতিদান আমিই দিব। (বুখারী) ফযিলতের মাস এই মাহে রমজানেই সমস্ত পৃথিবীবাসীর জন্য হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, রমজান মাস।

এতে মানুষের দিশারী এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী রূপে কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এই মাস পাবে তারা যেন এই মাসে সিয়াম পালন করে। (সূরা বাকারা:১৮৫) সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন রোজাদার নিজের মধ্যে আত্মসমালোচনার অভ্যাস গড়ে তোলেন।

কাজেই নিজেই নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেন। ফলে তিনি আত্মশুদ্ধি অর্জনে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলে করিম (সা:) ঘোষণা করেছেন;

যে লোক ঈমান ও ইহতেসাবের সাথে রমজানের রোজা পালন করবে তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমাদ)।

এই মাসেই লাইলাতুল কদর অর্থাৎ কদরের রাত, যে রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম। (সূরা কদর:২) তাইতো এই মাস অন্য সকল মাস থেকে ফজিলত পূর্ণ। পরিশেষে বলা যায়, আসুন সারা পৃথিবীব্যাপী করোনা ভাইরাস নামক মহামারি থেকে মুক্তি পেতে মিথ্যা, গীবত, চোগলখুরী, পরনিন্দা, অশ্লীলতা ও সকল খারাপ কাজ পরিহার করে তাকওয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে মাহে রমজানের ফজিলত অর্জনের চেষ্টা করি।

আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদেরকে তৌফিক দান করুন। আমীন।