ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০

আরব রাষ্ট্রগুলো বিশ্বাসঘাতক,তারা মুসলিমদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে: এরদোগান

প্রকাশ: ২০২০-০৪-৩০ ১৬:১৯:২২ || আপডেট: ২০২০-০৪-৩০ ১৬:১৯:২২

করোনার এই মহামারীতেও আরব দেশ গুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে। ফিলিস্তিন কিংবা ইরাকের পাশে না দাঁড়িয়ে আরব দেশগুলো তাদেরকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত একপেশে শান্তি প্রস্তাবের পক্ষে যেসব আরব দেশ মতামত দিয়েছে সেসব রাষ্ট্রকে বিশ্বাসঘাত’ক বলে আখ্যায়িত করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

তুরস্কের পার্লামেন্টে দলীয় এমপিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এরদোগান বলেন, শতাব্দীর সেরা চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার প্রধান লক্ষ্য পূন্যময়ী নগরী আল কুদসকে (জেরুজালেম ) গ্রাস করে নেয়া- আমরা কিছুতেই এটা মেনে নিব না।

তথাকথিত শতাব্দীর সেরা চুক্তির ব্যাপারে আরব ইসলামি রাষ্ট্রসমূহের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী এই নেতা। এরদোগান বলেন, জেরুজালেমকে ইহুদিবাদীদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রকে যেসব আরব দেশ মেনে নিতে বলছে- তারা নিজেদের মানুষের সঙ্গে, নিজের দেশের সঙ্গে এবং মানবতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

কথিত শান্তি পরিকল্পনার নামে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিকে বৈধতা দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা না বলায় সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

মুসলিমবিশ্বের এ নেতা বলেন, ফিলিস্তিনিদের পাশে আরব দেশগুলো দাঁড়াতে এবং বিতর্কিত ও একপেশে ওই পরিকল্পনার বিষয়ে কথা বলতে ব্যর্থ হয়েছে। মারাত্মক কোনো পরিণতি হলে তারা দায়ী থাকবে বলে জানান এরদোগান

আরো পড়ুন-করোনায় বাংলাদেশসহ ৫৭টি দেশে খাদ্য সহায়তা পাঠিয়েছে তুরস্ক

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫৭টি দেশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তুরস্ক। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কভুসোগলু সোমবার এ কথা জানিয়েছেন।

মহামারি মোকাবেলায় তুরস্ক নিজ দেশে লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন মেনে চলাসহ অনেক দেশে চিকিৎসা সহায়তা সরবরাহ করে চলেছে।

এ ব্যাপারে গত ১৩ এপ্রিল তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেন, ব্যাথা অনুভব করার অর্থ আপনি বেঁচে আছেন। অন্যের বেদনা অনুভব করতে পারলেই আপনি মানুষ। তিনি আরো বলেন, মহামারির এই সময়টি তিনি তার বন্ধু দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে চান। আগামীতেও তুরস্কের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

দেশটি প্রায় শতাধিক দেশের কাছ থেকে সাহায্যের অনুরোধ পেয়েছে। তুরস্ক সরকার যুক্তরাজ্য, ইতালি ও স্পেনেসহ পাঁচটি মহাদেশে চিকিৎসা ও সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে।

তুরস্কের চিকিৎসা সহায়তা পাঠানো দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, ফিলিপাইন, কিরগিজস্তান, আলজেরিয়া, ইয়েমেন, তিউনিসিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, কলোম্বিয়া, ইসরাইল, ইরান, ইরাক, লিবিয়া। এছাড়াও জার্মান, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, মলদোভা, আজারবাইজান, জর্জিয়া, আলবানিয়া, মন্টিনিগ্রো, বুলগেরিয়া, কোসোভো, বসনিয়া, সার্বিয়াসহ আরো কয়েকটি দেশে চিকিৎসা সহায়তা সরবরাহ করেছে।

মহামারি মোকাবেলায় আফ্রিকার ছয়টি দেশেও তুরস্কের পক্ষ থেকে সহায়তা পাঠানো হয়েছে।

সহায়তা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে করোনা টেস্টিং কিট, মেডিক্যাল মাস্ক, পিপিই, জীবাণুনাশক।

গত সপ্তাহে রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো তুরস্কের কাছ থেকে কেনা চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেতিন কোকাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের আঞ্চলিক পরিচালক হান্স কুলগে তুরস্ককে এই মহামারিকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহু দেশকে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সিকরোনায় মারা গেলেন আরও ২ পুলিশ
রাজধানীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ২ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খবরটি নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

এদিকে বুধবার (২৯ এপ্রিল) করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন সংবাদ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা মোট ১৬৩ জন। এছাড়া দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১০৩ জনে।
এর আগে গতকাল করোনা ভাইরাসে মৃতের তালিকায় পুলিশ কনস্টেবল জসিম উদ্দিনের (৪০) নাম ওঠে। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। জসিম উদ্দিন ওয়ারি থানায় পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ওয়ারি ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি করোনায় সংক্রমিত হন। তিনি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

ওয়ারি বিভাগের উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কয়েকদিন আগে জসিম উদ্দিনের শরীরে করোনার লক্ষণ পাওয়া যায়। এরপর করোনা সন্দেহে তাকে ফকিরাপুলের একটি হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ২৫ এপ্রিল তার নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হয়।

আরো সংবাদ

আরব রাষ্ট্রগুলো বিশ্বাসঘাতক, তারা মুসলিমদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে: এরদোগান

করোনার এই মহামারীতেও আরব দেশ গুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে। ফিলিস্তিন কিংবা ইরাকের পাশে না দাঁড়িয়ে আরব দেশগুলো তাদেরকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত একপেশে শান্তি প্রস্তাবের পক্ষে যেসব আরব দেশ মতামত দিয়েছে সেসব রাষ্ট্রকে বিশ্বাসঘাত’ক বলে আখ্যায়িত করলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

তুরস্কের পার্লামেন্টে দলীয় এমপিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এরদোগান বলেন, শতাব্দীর সেরা চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার প্রধান লক্ষ্য পূন্যময়ী নগরী আল কুদসকে (জেরুজালেম ) গ্রাস করে নেয়া- আমরা কিছুতেই এটা মেনে নিব না।

তথাকথিত শতাব্দীর সেরা চুক্তির ব্যাপারে আরব ইসলামি রাষ্ট্রসমূহের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী এই নেতা। এরদোগান বলেন, জেরুজালেমকে ইহুদিবাদীদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রকে যেসব আরব দেশ মেনে নিতে বলছে- তারা নিজেদের মানুষের সঙ্গে, নিজের দেশের সঙ্গে এবং মানবতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

কথিত শান্তি পরিকল্পনার নামে ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি অবৈধ বসতিকে বৈধতা দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা না বলায় সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

মুসলিমবিশ্বের এ নেতা বলেন, ফিলিস্তিনিদের পাশে আরব দেশগুলো দাঁড়াতে এবং বিতর্কিত ও একপেশে ওই পরিকল্পনার বিষয়ে কথা বলতে ব্যর্থ হয়েছে। মারাত্মক কোনো পরিণতি হলে তারা দায়ী থাকবে বলে জানান এরদোগান