ঢাকা, আজ শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

ওসি বললেন যদি ‘গান গাওয়া হারাম হয় ওয়াজ করা হারাম’, ‘কাফের’ বউ তালাক হয়ে গেছে জানালেন আব্বাসি

প্রকাশ: ২০২০-০৪-৩০ ১০:২৯:৫৮ || আপডেট: ২০২০-০৪-৩০ ১০:২৯:৫৮

আচ্ছা ভাই কোরআনের কোন জাগায় লেখা আছে গান গাওয়া হারাম, আমি বলবো যদি ‘গান গাওয়া হারাম হয় ওয়াজ করা হারাম’ বয়াতিদের আসরে গিয়ে ওসির এমন বক্তব্যে ভারিরাল সামাজিক যোগাযগ মাধ্যম।জবাবে মাওলানা এনায়াতুল্লাহ আব্বাসি প্রতিবাদ জানিয়ে বলছেন এই বক্তব্যের কারনে ওসি কাফের হয়ে গেছে এবং তার বঊ তালাক হয়ে গেছে, তাকে তওবা করে ইসলাম গ্রহণ করতে হবে,দেখুন ভিডিওতে,

আরো পড়ুন, ‘১০-১২ জন সাংবাদিক নিয়া আইসা আমার ধান কাটার তেশ মাইরা দিয়া গেছে’
কৃষকের খেতে গিয়ে কাচা ধান কেটে ফটোসেছন করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালচনার মুখে থাকা জুনায়েদ আহমেদ পলকের পর এবার গোপাল্গঞ্জের এমপির ধান কাটা নিয়ে মুখ খুললেন ধান খেতের মালিক।তিনি এক ভিডিওতে বলেন হঠাত ১২ জন্য সাংবাদিক নিয়ে আইসা এমপি সাহেব খেতের কাচা পাকা সব ধান কাটা শুরু করেন।ধান কেটে তার আটি না বেধে পুরো ক্ষেত জুড়ে ছড়িয়ে ছটিয়ে ফেলে যান এমপি ও তার দল বল।সেগুলি আবার খুটে খুটে আটি বাধতে ৫-৭ জন বাড়তি শ্রমিক লাগে তার।তিনি বলেন ধান কাটার আগে একটি ধান কাটা মেশিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এমপি সাহেব।ফটসেশন শেষ হলে কন রকম কথা বার্তা না বলে তিনি চলে যান।পরে সারাদিন কষ্ট করে সারাক্ষেত জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধান আটি বাধেন সেই কৃষক।

আরো পড়ুন, হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমে ধান কাটতে শুরু করলেন প্রতিমন্ত্রী
কৃষকের সঙ্গে জমিতে ধান কাটলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। নাটোরের সিংড়া উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের কৈগ্রামে কৃষকের ধান কেটে দেন তিনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে কৈগ্রাম এলাকায় শ্রমিকদের ধান কাটা দেখে হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমে পড়েন প্রতিমন্ত্রী। পরে আখের আলী নামে এক কৃষকের জমিতে ধান কাটেন তিনি।এ সময় প্রতিমন্ত্রীর ধান কাটা দেখে অবাক হন শ্রমিকরা। পরে আখের আলীর কাঁধে হাত রেখে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সেই সঙ্গে এলাকার বোরো ফলন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পানিতে নেমে প্রতিমন্ত্রীকে ধান কাটতে দেখে উপস্থিত শ্রমিক এবং প্রতিমন্ত্রীর গাড়িবহরের লোকজন অবাক হয়ে যান।
তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি চলনবিলের কৃষকের সন্তান, মাটি ও মানুষের সন্তান। ধান কাটলে লজ্জার কিছু নেই। সবসময় কৃষকের পাশে ছিলাম, এখনও আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।

এর আগে গত বুধবার ঝড়ে সিংড়া উপজেলার ছাতারদিঘী ইউনিয়নের ছাতারদিঘী এবং রামানন্দ খাজুরিয়া ইউনিয়নের বাদোপাড়া স্কুল মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ টাকা ও টিন বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলনবিল কৃষিপ্রধান এলাকা। চলনবিলের ধান নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে সারা দেশে চাহিদার কিছু অংশ পূরণ করে। কিন্তু ঝড়ের কারণে সিংড়া উপজেলার প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ঝরে পড়েছে। অনেকের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এ অবস্থায় ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে ক্ষতি মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার- কৃষিবান্ধব সরকার। তাই কৃষকদের পাশে অতীতে যেমন ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে সরকার। কৃষকদের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। ভর্তুকি দিচ্ছে, বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সহায়তা দেয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসরিন বানু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ওহিদুর রহমান শেখ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন আকন্দ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাজাহান আলী প্রমুখ।

RELATED ARTICLESকরোনার মধ্যেই নতুন আতঙ্ক তৈরি করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। এপ্রিলের শেষ বা মে’র একেবারে শুরুতে বঙ্গোপসাগরে হাজির হতে পারে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড়টি কতটা শক্তিশালী হবে বা কোথায় আছড়ে পড়বে; তা জানা যায়নি।

বৈশ্বিক আবহাওয়াবিষয়ক সংস্থা আকু আবহাওয়া বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া নিম্নচাপটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলতি বছরের প্রথম একটি ঘূর্ণিঝড় বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ৩০ এপ্রিল থেকে ৫ মের মধ্যে এর প্রভাব থাকবে।

২ মের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর সেটি হলে এর আগাম নাম ঠিক করা আছে ‘আম্ফান’। তবে মৌসুমি বায়ু আসার আগের এই সময়ে কোনো নিম্নচাপ খুব বেশি শক্তি সঞ্চয় করতে পারে না। তবে এর সঙ্গে প্রচুর মেঘ তৈরি হয়। ফলে এর প্রভাব যতটা না বাতাস বইবে, তার চেয়ে বেশি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা বেশি।

তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদেরা মনে করছেন, আপাতত নিম্নচাপটির মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে এটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

রংপুরে করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন ৮০ বছরের মোসলেম উদ্দিন

করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন মোসলেম উদ্দিন (৮০)। বুধবার দুপুরে রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ছাড়পত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবী।
১৩ দিন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোসলেম উদ্দিন। তার বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের আউলিয়াগঞ্জ।

তিনি জানান, একমাস ঢাকায় অবস্থান শেষে গত ৩১ মার্চ রংপুরে ফেরেন মোসলেম উদ্দিন। এসময় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। রংপুরে পৌঁছে শহরের খামার মোড়ে জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। সেখানে থাকা অবস্থায় জ্বর, সর্দি, ও কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে ১৪ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটিআই কর্নারে চিকিৎসা নিতে যান মোসলেম উদ্দিন।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তার রোগের লক্ষণ ও ইতিহাস জেনে করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দেন। ওইদিন তার নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৬ এপ্রিল করোনা শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।পরে ২০ এপ্রিল সেখান থেকে তাকে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, ৯ দিন চিকিৎসাধীন থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং পরপর দুইবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাকে হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তির সময় যেভাবে ফুল ও চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, সেভাবেই ছাড়পত্র দেয়ার সময়ও চিঠি ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবীসহ কর্মরত চিকিৎসকবৃন্দ।

রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের প্রথম রোগী হিসেবে ভর্তি এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় মোসলেম উদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি চিকিৎসকদের সাহস, আশার সঞ্চার ও অভিজ্ঞতা কয়েকগুণ বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে।