ঢাকা, আজ বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

৩০ এপ্রিল বা ৫ মে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’

প্রকাশ: ২০২০-০৪-৩০ ১০:২২:৫৩ || আপডেট: ২০২০-০৪-৩০ ১০:২২:৫৩

করোনার মধ্যেই নতুন আতঙ্ক তৈরি করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। এপ্রিলের শেষ বা মে’র একেবারে শুরুতে বঙ্গোপসাগরে হাজির হতে পারে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড়টি কতটা শক্তিশালী হবে বা কোথায় আছড়ে পড়বে; তা জানা যায়নি।

বৈশ্বিক আবহাওয়াবিষয়ক সংস্থা আকু আবহাওয়া বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া নিম্নচাপটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলতি বছরের প্রথম একটি ঘূর্ণিঝড় বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ৩০ এপ্রিল থেকে ৫ মের মধ্যে এর প্রভাব থাকবে।

২ মের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর সেটি হলে এর আগাম নাম ঠিক করা আছে ‘আম্ফান’। তবে মৌসুমি বায়ু আসার আগের এই সময়ে কোনো নিম্নচাপ খুব বেশি শক্তি সঞ্চয় করতে পারে না। তবে এর সঙ্গে প্রচুর মেঘ তৈরি হয়। ফলে এর প্রভাব যতটা না বাতাস বইবে, তার চেয়ে বেশি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা বেশি।

তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদেরা মনে করছেন, আপাতত নিম্নচাপটির মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে এটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

রংপুরে করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন ৮০ বছরের মোসলেম উদ্দিন

করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন মোসলেম উদ্দিন (৮০)। বুধবার দুপুরে রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ছাড়পত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবী।
১৩ দিন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোসলেম উদ্দিন। তার বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের আউলিয়াগঞ্জ।

তিনি জানান, একমাস ঢাকায় অবস্থান শেষে গত ৩১ মার্চ রংপুরে ফেরেন মোসলেম উদ্দিন। এসময় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। রংপুরে পৌঁছে শহরের খামার মোড়ে জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। সেখানে থাকা অবস্থায় জ্বর, সর্দি, ও কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে ১৪ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটিআই কর্নারে চিকিৎসা নিতে যান মোসলেম উদ্দিন।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তার রোগের লক্ষণ ও ইতিহাস জেনে করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দেন। ওইদিন তার নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৬ এপ্রিল করোনা শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।পরে ২০ এপ্রিল সেখান থেকে তাকে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, ৯ দিন চিকিৎসাধীন থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং পরপর দুইবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাকে হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তির সময় যেভাবে ফুল ও চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, সেভাবেই ছাড়পত্র দেয়ার সময়ও চিঠি ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবীসহ কর্মরত চিকিৎসকবৃন্দ।

রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের প্রথম রোগী হিসেবে ভর্তি এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় মোসলেম উদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি চিকিৎসকদের সাহস, আশার সঞ্চার ও অভিজ্ঞতা কয়েকগুণ বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে।সিলেটের হবিগঞ্জ এলাকার ইমাম মুআজ্জিনদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিস উপহার দিয়ে তাদের কাছে করোনামুক্তির দোয়া চাইলেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ও সমাজসেবক ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

আজ বুধবার সিলেটের হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল ইউনিয়নে সৈয়দ আহমদুল হকের বাড়িতে ব্যারিস্টার সুমন প্রতিষ্ঠিত এর্শাদ-আম্বিয়া ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন ইমাম মুআজ্জিনদের মাঝে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

বিতরণকালে ব্যারিস্টার সুমন ইমাম মুআজ্জিনদের উদ্দেশ্য করে বলেন – আপনারা সব সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং আপনারা আল্লাহর কাজেই থাকেন সব সময়।

এমন একটা দুর্যোগ মুহুর্তে আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করবেন এবং পুরো পৃথিবী যাতে এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারে সেই কামনা করবেন। তিনি বলেন, এই করোনা ভাইরাস হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে একটি গজব।

আমরা যেভাবে প্রকৃতির উপর এবং সমাজে অন্যায় অবিচার করেছি তাতে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় আমাদের ধরবেই। আমাদের উচিত এসব জুলুম থেকে বের হয়ে আসা। একই সাথে ব্যারিস্টার সুমন বলেন – আপনারা দোয়া করবেন যেন করোনা ভাইরাসের এই মহামারির সাথে সাথে যেন সমাজে বিদ্ধমান জুলুম অত্যাচারের ভাইরাসও দুর হয়ে যায়।

আমাদের মনের মধ্যে আমরা যে ভাইরাস ঢুকিয়েছি অবশ্যই দূর করা উচিত। আজকে আমাদের পাপের কারণে প্রাকৃতিক এই গজবের মুখোমুখি হচ্ছি। আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন পশু পাখি যা আছে সব বাইরে উড়তেছে, ঘুরতেছে কিন্তু আমরা মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে আছি।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন – এই বিপদের মুহুর্তে তো সবার আগে সামনে থাকার দরকার ছিলো নেতাদের। কিন্তু তারা ঘরে বসে আছে। মানুষের জন্য তারা কাজ করার কথা ছিলো কিন্তু এখন তারা আগে গিয়ে ঘরে বসে আছে। নেতাদের উচিত জনগণের জন্য আগে কাজ করা।

তিনি আরও বলেন – আপরাদেরকে এই যে সামান্য উপহার দিয়েছি এগুলো বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ আমাকে দিয়েছে তত্বাবধায়ক হিসেবে। আমি তাদের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে এই উপহার পৌঁছে দিলাম

আরো পড়ুন: রংপুরে করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন ৮০ বছরের মোসলেম উদ্দিন

করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন মোসলেম উদ্দিন (৮০)। বুধবার দুপুরে রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ছাড়পত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবী।
১৩ দিন রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোসলেম উদ্দিন। তার বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের আউলিয়াগঞ্জ।

তিনি জানান, একমাস ঢাকায় অবস্থান শেষে গত ৩১ মার্চ রংপুরে ফেরেন মোসলেম উদ্দিন। এসময় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। রংপুরে পৌঁছে শহরের খামার মোড়ে জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। সেখানে থাকা অবস্থায় জ্বর, সর্দি, ও কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পরে ১৪ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটিআই কর্নারে চিকিৎসা নিতে যান মোসলেম উদ্দিন।

এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তার রোগের লক্ষণ ও ইতিহাস জেনে করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ দেন। ওইদিন তার নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৬ এপ্রিল করোনা শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।পরে ২০ এপ্রিল সেখান থেকে তাকে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

তিনি আরও জানান, ৯ দিন চিকিৎসাধীন থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি এবং পরপর দুইবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তাকে হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তির সময় যেভাবে ফুল ও চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, সেভাবেই ছাড়পত্র দেয়ার সময়ও চিঠি ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম নূরুন্নবীসহ কর্মরত চিকিৎসকবৃন্দ।

রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতালের প্রথম রোগী হিসেবে ভর্তি এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় মোসলেম উদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি চিকিৎসকদের সাহস, আশার সঞ্চার ও অভিজ্ঞতা কয়েকগুণ বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে।