ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

বিধবাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ইয়াবা খাইয়ে গণধর্ষণ !

প্রকাশ: ২০২০-০৪-৩০ ০৯:২৬:৩৭ || আপডেট: ২০২০-০৪-৩০ ১০:০৫:০০

কুমিল্লার হোমনায় এক বি’ধবা না’রীকে (২০) রা’স্তা থে’কে তু’লে নি’য়ে ই’য়াবা খা’ইয়ে গণধ’র্ষ ণের অ’ভিযোগ উ’ঠেছে। ধ’র্ষ’ণের ঘ’টনায় ভি’কটিম নি’জে হোমনা থা’নায় মা’মলা দা’য়ের করেন।

মঙ্গলবার পু’লিশ ভি’কটিমকে প’রীক্ষার জন্য কুমিল্লা মে’ডিকেল ক’লেজ হা’সপাতালে পা’ঠিয়েছে। সোমবার রা’তে উপজেলার কালমিনা এ’লাকা থেকে ধ’র্ষণে অ’ভিযুক্তদের গ্রে’ফতার করে পু’লিশ।

ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ আ’টকরা হ’লো- সজিব ওরফে ডি’জে (২২), রুবেল (২৮), শরিফ মিয়া (২৮), রিপন (২৬)।অ’ভিযোগ সূত্রে এবং ভি’কটিমের স’ঙ্গে কথা বলে জানা যায়. গত দেড় বছর আ’গে তার স্বা’মী মা’রা যা’ন।

তার এক শি’শুপু’ত্র র’য়েছে। গত ২-৩ মাস ধ’রেওই না’রীকে রা’স্তা-ঘা’টে রুবেল, শরিফ মিয়া, রিপন ও রফিক বিভিন্ন অ’শা’লীন ক’থাবা’র্তা এবং টা’কার বি’নিময়ে কু’প্র’স্তাব দিত। রবিবার স’ন্ধ্যায় ওই না’রী তার শি’শু পু’ত্রের জন্য খা’বার কে’নার উ’দ্দেশ্যে বা’ড়ি থেকে বে’র হন।

আলীপুর স্টিল ব্রি’জের পূর্ব পা’র্শ্বে রা’স্তায় পৌঁছলে এরা তাকে একটি সি’এনজি অ’টো রি’কশাতে তু’লে সজিব ওরফে ডিজের বসত ঘরে নিয়ে যায়। সজিব তা’র ঘ’রের ভে’তর রুবেল, শরিফ মিয়া, রিপন ও রফিকদের কাছে ওই না’রীকে রেখে ঘরের দরজার বাইরে সে পাহারা দেয়।

ওই সময়ে যু’বকরা তাকে ই’য়াবা সে’বন ক’রায়।পরে তাকে চারজন ধ’র্ষ’ণ করে। এরপর এরা প’রের দিন সোমবার ভো’র ৫টার দিকে তাকে রামপুর জো’ড়া ব্রি’জের ও’পর ছে’ড়ে চলে যায়। বা’ড়ি গি’য়ে তার মা’সহ প্র’তিবেশীকে ঘ’টনা জানান।

হোমনা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত ক’র্মকর্তা আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, এক বি’ধবা না’রীকে গণধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগে থা’নায় মা’মলা হয়েছে। চার ধ’র্ষককে আ’টক করা হয়েছে। মে’য়েটিকে ডা’ক্তারি প’রীক্ষার জন্য কুমিল্লা মে’ডিকেল ক’লেজ হা’সপাতালে পা’ঠা’নো হয়েছে।

আরো পড়ুন-করোনায় বাংলাদেশসহ ৫৭টি দেশে খাদ্য সহায়তা পাঠিয়েছে তুরস্ক

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫৭টি দেশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তুরস্ক। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কভুসোগলু সোমবার এ কথা জানিয়েছেন।

মহামারি মোকাবেলায় তুরস্ক নিজ দেশে লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন মেনে চলাসহ অনেক দেশে চিকিৎসা সহায়তা সরবরাহ করে চলেছে।

এ ব্যাপারে গত ১৩ এপ্রিল তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেন, ব্যাথা অনুভব করার অর্থ আপনি বেঁচে আছেন। অন্যের বেদনা অনুভব করতে পারলেই আপনি মানুষ। তিনি আরো বলেন, মহামারির এই সময়টি তিনি তার বন্ধু দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে চান। আগামীতেও তুরস্কের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

দেশটি প্রায় শতাধিক দেশের কাছ থেকে সাহায্যের অনুরোধ পেয়েছে। তুরস্ক সরকার যুক্তরাজ্য, ইতালি ও স্পেনেসহ পাঁচটি মহাদেশে চিকিৎসা ও সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে।

তুরস্কের চিকিৎসা সহায়তা পাঠানো দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, ফিলিপাইন, কিরগিজস্তান, আলজেরিয়া, ইয়েমেন, তিউনিসিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, কলোম্বিয়া, ইসরাইল, ইরান, ইরাক, লিবিয়া। এছাড়াও জার্মান, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, মলদোভা, আজারবাইজান, জর্জিয়া, আলবানিয়া, মন্টিনিগ্রো, বুলগেরিয়া, কোসোভো, বসনিয়া, সার্বিয়াসহ আরো কয়েকটি দেশে চিকিৎসা সহায়তা সরবরাহ করেছে।

মহামারি মোকাবেলায় আফ্রিকার ছয়টি দেশেও তুরস্কের পক্ষ থেকে সহায়তা পাঠানো হয়েছে।

সহায়তা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে করোনা টেস্টিং কিট, মেডিক্যাল মাস্ক, পিপিই, জীবাণুনাশক।

গত সপ্তাহে রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো তুরস্কের কাছ থেকে কেনা চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেতিন কোকাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের আঞ্চলিক পরিচালক হান্স কুলগে তুরস্ককে এই মহামারিকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহু দেশকে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সিকরোনা ভাইরাস সনাক্তে র‍্যাপিড টেস্টিং কিটের মাধ্যমে এন্টিবডি সনাক্তে ৯৯% সফলতা পেয়েছে ইউরোপের চিকিৎসা বিজ্ঞনিরা। এরই ধারাবাহিকতায় সমস্ত ইউরোপ জুড়ে আজ এই পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।নতুন উদ্ভাবিত কিটের মাধ্যমে ১০০০ জনের মধ্যে পরীক্ষা চালিয়ে ব্রিটেনের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ৯৯০ জনের সঠিক ফল নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছেন। সুত্র ইন্ডিপেন্ডেন্ট, বিস্তারিত দেখুন https://www.independent.co.uk/news/health/coronavirus-antibody-test-approval-news-europe-uk-accuracy-abbot-a9490026.html

উল্লেখ্য ২০০৩ সালে সর্ব প্রথম বাংলাদেশী গবেষক ড. বিজন কুমার এন্টিবডি পরীক্ষার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যার পেটেন্ড তিনি চীনের কাছে বিক্রি করেন।তার নেতৃত্বেই আরো একদল অভিজ্ঞ চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের সমন্বয় করে গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফ্রুল্লাহ এন্টিবডি ও এন্টিজেনের সমন্বয়ে আরো উন্নত একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার এই কিটের মাধ্যমে কোন পরীক্ষা চালায় নি।যুক্তরাষ্ট ইউরোপ এবং ইরানে ট্রায়াল পরীক্ষার জন্য কিটের নমুনা হস্তান্তর করা হয়েছে। এই কিটের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বল্প খরচে করনা সনাক্ত করা যাবে বলে দাবি করে আসছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ।

আরো সংবাদ

আরো পড়ুন: করোনায় বাংলাদেশে নতুন করে দরিদ্র হবে ২ কোটি মানুষ: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশে মানুষের আয়ে বা ক্রয়ক্ষমতার ২০ শতাংশে করোনা আঘাত করলে নতুন করে দুই কোটি মানুষ হতদরিদ্র ও দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে আসবে। আর আঘাতের মাত্রা যদি ৫ শতাংশও হয়, সে ক্ষেত্রে ৪০ লাখ মানুষ তাদের আগের অবস্থান থেকে ছিটকে পড়বে।

এসব মানুষ চলে আসবে হতদরিদ্র ও দরিদ্রের তালিকায়। এতে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। করোনার মহামারীতে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বব্যাপী নতুন করে কতজন গরিব হবে-এর একটি হিসাব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

গত বৃহস্পতিবার ‘ইস্টিমেটস অব দি ইমপেক্ট অব কোভিড-১৯ অন গ্লোবাল প্রভার্টি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে নতুন ফমুলা ব্যবহার করে এ হিসাব বের করা হয়। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, হতদরিদ্র ও দরিদ্রের হার সবচেয়ে বেশি হবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায়।

তবে করোনাভাইরাস প্রত্যেক দেশে ২০ শতাংশ আয়-রোজগার ও ক্রয়ক্ষমতায় আঘাত হানলে বিশ্বব্যাপী ৪২-৫৮ কোটি লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে আসবে। জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন শনিবার যুগান্তরকে বলেন, করোনার কারণে গরিব মানুষের ঝুঁকি দু’দিকে।

দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে যারা কাজ করছে, তাদের কাজ বন্ধ। ফলে আয় কমেছে। অপরদিকে নিত্যপণ্য ও মেডিকেল সেবা মূল্য বৃদ্ধির কারণেও তাদের ওপর আঘাত আসছে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থা গবেষণা বলেছে, ৩৫ শতাংশ মানুষ হতদরিদ্র হয়েছে।

ফলে এর সঙ্গে আগে ১৫ শতাংশ হতদরিদ্র যোগ করলে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ এই করোনায় দরিদ্র ও হতদরিদ্র হয়েছে। তবে এটি অনুমাননির্ভর। তিনি আরও বলেন, এখনও সামনের দিনগুলো নিয়ে অনিশ্চিত। অর্থনীতি কবে সচল হবে কেউ যানে না। এটি দীর্ঘ হলে এর সংখ্যা আরও বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ আঘাতে দারিদ্র্যের ওপর স্বল্পসময়ের আঘাতের একটি হিসাব বের করা হয়েছে। এ হিসাবটি করা হয়েছে তিন শ্রেণির আয়ের ওপর। হিসাবে আনা হয়েছে প্রথম যাদের দৈনিক আয় ১ দশমিক ৯০ ডলার (১৬১ টাকা), দ্বিতীয় যাদের দৈনিক আয় ৩ দশমিক ২০ ডলার (২৭২ টাকা) এবং সর্বশেষ দৈনিক আয় ৫ দশমিক ৫ মার্কিন ডলার (৪৭৬ টাকা)।

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা কোনো দেশের মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতায় সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ আঘাত করলে যাদের আয় দৈনিক প্রায় ২ ডলারের নিচে তাদের মোট হার নতুন করে ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং ৩ দশমিক ২ ডলারের নিচে আয়ের মোট জনসংখ্যার হার নতুন করে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশে দৈনিক ২ ডলারের নিচে আয় করছে এমন জনগোষ্ঠী হচ্ছে ২ কোটি ৩৭ লাখ বা ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এরা হতদরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু করোনার ২০ শতাংশ মানুষের আয়-রোজগার বা ক্রয়ক্ষমতায় আঘাত হতদরিদ্রের হার আরও ৬ শতাংশ বাড়াবে। অর্থাৎ নতুন করে আরও ৯৬ লাখ মানুষ হতদরিদ্রের তালিকায় যুক্ত হবে।

সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশে ১ দশমিক ৯০ ডলারের ওপর বা ৩ দশমিক ৮ ডলারের নিচে দৈনিক আয় করছে এমন মানুষের সংখ্যা ৮ কোটি ৮০ লাখ (৫৫ শতাংশ)। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে বলা হয়েছে, ২০ শতাংশ আয়ে আঘাত করলে এই হার ৫৫ থেকে বেড়ে ৬২ শতাংশে উঠবে। অর্থাৎ ৭ শতাংশ বাড়বে। ওই হিসাবে নতুন করে দরিদ্র হবে আরও ১ কোটি ১২ লাখ লোক।

ফলে করোনার প্রতিঘাতে নতুন করে মোট ২ কোটি ৮ লাখ মানুষ দরিদ্র ও হতদরিদ্রের তালিকায় নাম লেখাবে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি ২০ শতাংশ না হয়ে মাত্র ৫ শতাংশও আঘাত করে ততে হতদরিদ্র (১.৯০ ডলার) ১ শতাংশ এবং দরিদ্র (৩.২০ ডলার)

১ দশমিক ৫২ শতাংশ বাড়বে। ওই হিসাবে বাংলাদেশে হতদরিদ্র ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা নতুন করে ৪০ লাখ হবে। এর মধ্যে ১৬ লাখ হতদরিদ্র হবে এবং দরিদ্র বনে যাবে ২৪ লাখ মানুষ। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের অবস্থা আরও খারাপ হবে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে পৌনে দুই কোটি মানুষ আছে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করছে।

এসব মানুষ কাজ হারিয়ে তাদের ক্রয়ক্ষমতা হারিয়েছে। পরিবহন শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাচালক, মুদি দোকানি, কুলি, মজুর দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করছে। তারা এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে অন্যান্য দেশের পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়।

সেখানে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মোট জনগোষ্ঠীর ৫ শতাংশ আয়ে করোনাভাইরাস আঘাত করলে বিপরীতে নতুন করে সাড়ে ৮ কোটি থেকে সাড়ে ১৩ কোটি মানুষ হতদরিদ্র হবে। যদি এটি ১০ শতাংশ আঘাত করে সে ক্ষেত্রে নতুন ১৮ কোটি থেকে ২৮ কোটি মানুষ হতদরিদ্র হবে।

সুত্র: যুগান্তর